পৃথিবীকে দেখা� আপনা� একটা নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গ� আছ�...সবার� থাকে � এখ� কল্পনা করুন এম� এক ভবিষ্য�, যেখানে যে কে� চাইলেই আপনা� দৃষ্টিভঙ্গ� দিয়� পৃথিবী দেখত� পারব� � ভাবব� আপনা� সব চিন্তা, অনুভ� করবে আপনা� সব অনুভূত� � � জগতে দৃষ্টিভঙ্গ� হচ্ছ� সবচেয়� দামি সম্প�, সবচেয়� ভয়ংকর মাদক � আর অন্যদে� দৃষ্টিভঙ্গ� চুরি করার জন্য জন্ম নিয়েছ� একদল দুর্ধর্ষ, দক্ষ চো� �
এম� এক চোরে� সবচেয়� বিপজ্জনক মিশন থেকে � গল্পের শুরু �
আর্ক�, অক্টারিন দিয়� পাঠকপ্রিয়তা লা� করার পর কেটজালকোয়াট� এব� সৃষ্টিবিনা� রহস্�-এর মত� নিরীক্ষাধর্ম� নভেল� উপহা� দিয়েছিলেন � সময়ের আলোচিত লেখক তানজী� রহমা�... এবার তিনি পাঠকের সামন� হাজি� হয়েছে� আর আম� হব� ধ্বংসতার�’র মত� কাব্যি� নামে� এক মহাকাব্যিক কল্পবিজ্ঞা� উপাখ্যান নিয়�.. .আর সেটা দীর্ঘদিন ধর� চল� আস� গৎবাধা কোনো সা�-ফা� গল্প নয� মোটে� � এখান� আপনি রুদ্ধশ্বাস অ্যাকশনে পূর্� অসাধার� এক রোমাঞ্চযাত্র� উপভো� করবে� � ভ্রম� করবে� সম্পূর্ণ নতুন এক পৃথিবীতে, খুলবেন অপ্রত্যাশি� রহস্যে� জা� � কে জানে, হয়ত� বইয়ের শেষে বদলে যাবে আপনা� দৃষ্টিভঙ্গ� �
লড়াইট� দৃষ্টিভঙ্গির দখ� নিয়ে। পটভূমি ভবিষ্যতে� কোনো এক অজান� সময়, অজান� দেশ। যে সময়� আবিষ্কৃত হয়েছে কোনো মানুষে� দৃষ্টিভঙ্গিক� সংগ্রহ করার উপায়। এম� যখ� পরিস্থিত�, তখ� তা� অন্যায� সুযো� নেয়ার লোকেরও তো অভাব হব� না, স্বাভাবি� সেটাই। এখানেও তা� দেখা যায় - দৃষ্টিভঙ্গ� এখ� সবচেয়� মূল্যবান মাদকের নাম। তা� সেটা চুরি করার জন্যেও উদয় হয� নতুন একদল চোরের। এম� এক চুরি� কাহিনী নিয়েই এগিয়ে গেছে বইয়ের কাহিনী�
কাহিনী নিয়� বেশি কিছু বলার সুযো� নেই। লেখকের প্রথ� বই আর্কনে� সাথে এই বইটা� একটা মি� ধর� পড়ে চোখে - একাধিক চরিত্রের জবান� গল্প এগিয়ে নিয়� যাওয়া� চুরি হয়ে গেছে বর্তমানে পৃথিবী� সবচেয়� মূল্যবান দৃষ্টিভঙ্গিট� - এবার তা� পরিণতি কি হব�, এই প্রশ্নের উত্ত� খুজত� খুজতেই পাঠক কাহিনী ধর� এগিয়ে যাবেন। শে� পর্যন্� যে টুইস্টটা ধর� পড়ব� চোখে তা আসলে� চোখে আঙুল দিয়� দেখিয়� দেবে যে কখনও কখনও গুজব� কা� দেয়ার ফল কতটা ভয়ানক হত� পারে� এমনক� পাঠকের নিজে� দৃষ্টিভংগি বদলে যাওয়া� অসম্ভব কিছু নয�!
তানজী� রহমানে� আগের দুটো বই� পড়া ছি�, সে� সুবাদে তি� নম্ব� বইটা পড়তেও দেরি করিনি। পড়া� পর � কথ� বলতে পারি যে লেখক এই মুহূর্তে বাংল� থ্রিলা� জগতে অন্যতম সেরা নক্ষত্র। তা� বর্ণনা� ভঙ্গ� সাবলী�, অ্যাকশ� দৃশ্যগুল� পড়া� সময় মন� হচ্ছিল আম� নিজে� অকুস্থলে উপস্থিত। সুচারু উপমা� ব্যবহারে বর্ণনা আর� নিখুঁত হয়েছে� বইটা হাতে নিয়� পড়্রত� শুরু করার যখ� প্রথ� পৃষ্ঠা সংখ্যা� দিকে খেয়াল করলা� তখ� দেখি ১১� পৃষ্ঠায় চল� এসেছ�! পাঠককে এভাব� বইয়ের সাথে আটকে রাখত� পারা� সম্ভবত লেখকের সবচেয়� বড� দক্ষতা� অভিনন্দন রই� তানজী� ভাই। সা� ফা� থ্রিলারক� নতুন চেহারায় বাংল� ভাষা� পাঠকদে� সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
কনসেপ্টট� ভালো কিন্তু মারামারিতে বেশি ফোকা� দেয়াত� গল্পটা খু� বেশি মনযো� দিতে পারলাম না� অ্যাকশনগুল� বে� ভালো ছি� যদিও বর্ণনাগুলো বেশি অতিরিক্ত লেগেছে কয়ে� জায়গায়�
বইয়ের মূ� কাহিনী দৃষ্টভঙ্গি চুরি নিয়ে। এম� এক দৃষ্টিভঙ্গ� যা চিরশান্তির, দ্বিধা-চিন্তাবিহীন। সে� দৃষ্টিভঙ্গ� আবার বিশা� এক সিক্যুরিটি সম্পন্� সরকারি ভবনে বন্দী� হঠাৎ চুরি হয়ে গে� পৃথিবী� সবচেয়� মূল্যবান দৃষ্টিভঙ্গ� টুকু।�
চোরে� উপ� বাটপার� স্বরূপ সে� দৃষ্টিভঙ্গ� হা� বদ� হত� থাকল� গল্পের প্লট ইউনি� এব� খুবই ইন্টারেস্টিং� সবচেয়� ভা� লেগেছে, দৃষ্টভঙ্গি হা� বদ� হয়ে যা� কাছে পৌঁছেছ�, গল্পের দৃষ্টিভঙ্গ� তৎক্ষনাৎ সে� ব্যক্তির প্রেক্ষাপট থেকে শুরু হয়েছে� প্রথ� চোরক� যখ� খু� কর� হল�, তা� খুনী� উপ� রা� হচ্ছিল� কিন্তু, যখ� প্রথ� চোরে� খুনী� দৃষ্টিভঙ্গিত� গল্প আবার শুরু হল�, তখ� রা� বদলে গিয়� আবার মন� হত� লাগল, ব্যাটা যে� না মরে। তানজী� রহমা� সাহে� বিভিন্� ব্যক্তির ন্যারেটিভে ভিন্� ভিন্� দৃষ্টিভঙ্গির ফ্লেভা� কেমন হত� পারে তা লেখায়� ফুটিয়� তুলেছেন। দুর্দান্�!
এছাড়া অদূর ভবিষ্যতে� ডিস্টোপিয়ান যে চিত্� লেখক দেখাইছেন, বাস্তব� তা হল� অবাক হব� না!
দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপারট� কেমন যে� একটু অন্যরকম। পৃথিবীতে দুটো মানুষে� দৃষ্টিভঙ্গ� একরক� হবার কো� চান্� নে�! মতের মি� হত� পারে কিন্তু এক� ব্যাপা� একইভাব� অনুভ� কর� কোনভাবেই আসলে সম্ভ� নয�! কিন্তু কেমন হব� যদ� আমাদের এই অনন্� অসাধার� ব্যাপারট� চুরি হয়ে যায়? এরকম� এক অন্যরক� প্লট� এইবারে� বইমেলায় তানজী� রহমা� লিখেছে� আর আম� হব� ধ্বংসতার� বইটি! একলাফে চল� যা� ভবিষ্যতে� এম� একটা সময়, এম� একটা পরিবেশ যা আমাদের একদম� অচেনা। যে সময়� ইট পাথরের দেয়ালের পরিবর্তে জ্ঞানকাঁচে দৃশ্যর� ভেসে বেড়ায�, অদ্ভুত সব বিশ্বাসে বিশ্বাসীরা পৃথিবী� বুকে গড়ে তুলেছে রাজত্ব� প্রযুক্তির আশীর্বাদে সব সহজলভ্� হয়ে যাওয়ায় স্বভাবতই মানু� সহজে বো� হত� শুরু করলো, আর সে� বোরড� কাটানো� নিমিত্তে� বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার কর� বসলো আরেকজনের দৃষ্টিভঙ্গ� দেখা� কৌশল কিন্তু সমস্যা একটা� যা� দৃষ্টিভঙ্গিট� নেয়� হব� সে আর বেঁচ� থাকব� না� সরকা� পুরো প্রক্রিয়াটি� তা� নিষিদ্� কর� দিলো।কিন্ত� তা থেমে থাকেনি, গোপন� ঠিকই সংগ্রহ কর� হয়েছে লোকচক্ষু� আড়ালে� সময়ের পরিক্রমায় তা বর্ত� গেলো সবচেয়� মুল্যবান মাদকে। স্বাভাবিকভাবেই তা� এই দৃষ্টিভঙ্গির উপ� চোরদের দৃষ্টি পড়লো। গল্প এগিয়ে যায় এই দৃষ্টিভঙ্গ� চুরি� ঘটনাকে আবর্� করে।
পুরো লেখাটি একেকবা� একেকজনের জবানবন্দিত� রচিত,ব্যাপারট� একটু অন্যরক� পড়ত� ভালো লাগে� বইটি শুরু করার সাথে সাথে মন� হব� লেখক স্বাগত� জানাচ্ছে� ভায়োলেন্সের এক দুনিয়ায়। প্রথ� পাতা থেকে অ্যাকশনে� চূড়ান্ত ছিলো, ম্যাথি� রাইলির সাথে বে� মি� পাওয়া যায়, সে� মারামারি চলেছ� একদম শে� পর্যন্ত। লেখকের একটা দি� না বললে� না, তিনি তা� প্রতিট� বইয়� প্রচুর প্রচুর ইনফরমেশন দে�, এই বইটি� তা� ব্যাতিক্রম নয়। বোঝা� যায় লেখকের জানা� পরিধিও বে� দীর্�!
কিন্তু পুরো বইটি পড়া� পর একটু যে� ক্লান্তি� এস� ভর করে।বলতে চাচ্ছিলা� বইটি কিছু কিছু জায়গায় মন� হয়েছে অযথা� টেনে লম্ব� কর� হয়েছে� হয়ত� অনেক আগেই বইটি শে� কর� যেতো যদ� লেখক একটু চাইতেন�
তানজী� রহমা� বর্তমানে বাংল� থ্রিলা� সাহিত্যে� এক অনবদ্য নাম। উনার বাকি বই গুলো� আম� ভীষণ মুগ্ধত� নিয়� পড়েছি, এমনক� এই বইটি এবারের বইমেলায় আমার লিস্টি� একদম শুরুতে ছিলো� বইটি পড়ত� পড়ত� প্রায়� মন� হচ্ছিল� কো� গ্রাফি� নভেল পড়ছি। বইটি শুরু থেকে শে� পর্যন্� আসলে টে� পাওয়া যায়না কাহিনী কোনদিক� মোড় নিতে পারে! এরকম চমৎকার একটি সাইফাই থ্রিলারে� জন্য লেখককে অসঙ্খ্� ধন্যবা�!
প্রথ� পাতা পড়ে মন� হল ইহ� কি ম্যাথি� রাইল� পড়ছ�? প্রথ� পাতা থেকে� ধুমধাম মারমার কাটকাট অবস্থা� আর তাহা বিরাজমান ছি� একদম শে� পাতা পর্যন্� � লেখক এক পৃষ্ঠাতে� রেস্� নেয় না� � ওয়েলকাম টু ভায়োলেন্স এব� কোপাকপি।
কাহিনী শুরু হয� এম� এক সময় যখ� বিজ্ঞা� অনেক এগিয়ে গিয়েছ� � বিজ্ঞানে� অনেক আবিষ্কারের মধ্য� সবচেয়� গুরুত্বপুর্ণ আবিষ্কার হল "দৃষ্টিভঙ্গ�" � আর সে� সাথে জন্ম হল এম� একদল চোরে� যাদে� কা� হল মানুষে� "দৃষ্টিভঙ্গ�" চুরি কর� � বইয়ের কাহিনী সে� "দৃষ্টিভঙ্গ�" চুরি করাক� কেন্দ্� করেই� পৃথিবী� সবচেয়� সুরক্ষিত "দৃষ্টিভঙ্গ�" চুরি করার জন্য প্রস্তুত হল একজন চোর। কিন্তু ঠি� যেভাবে চিন্তা করছে� আপনি কাহিনী কি আদ� যেভাবে আগাব�?
সম্ভবত ভিন্� ভিন্� "দৃষ্টিভঙ্গ�" থেকে কাহিনী বর্ননা করার ট্রেডমার্কটা তানজিম ভা� পেয়� যাচ্ছে� :D �
ম্যাথি� রিলি'� লেখা পড়িনি অনেকদিন। এট� পড়ত� গিয়� মন� হল, যে� বাংলায� সেইরকম লেখা� পড়লাম� যা আসলে লিখি� ভিডি� গে� ছাড়� কিছু না� রিলি'� লেখা ভালো লাগে দুটো কারণ�: �) অন্ত� কিছু চরিত্র থাকে যাদে� সঙ্গ� একাত্ম হওয়� যায়; �) প্রযুক্ত� � পারিপার্শ্বি� কিছুটা হলেও চেনা হয�, যা� ফল� কাহিনি� প্রধান চালিকাশক্ত� (কোনো সম্পদে� অন্বেষ� বা কোনো শক্তির ওপ� নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা) আমাদের বোধগম্� হয়। মুশকিল হল, এই উপন্যাসে আম� তেমন কিছু পেলা� না� ভবিষ্যতে� যে প্রযুক্ত�-নির্ভর দে� � কালে এই কাহিনি� ঘটনা � চরিত্ররা বাঁচছে, মরছে, মারছে� তাকে আম� চিনি না� তা� চেয়েও বড়ো কথ�, একটি চরিত্রের সঙ্গেও একাত্ম হত� পারিনি আমি। তব� হ্যা�, এত গতিময় লেখা আম� বাংলায� খু� কম� পড়েছি� লেখক চরিত্রগুলোকে আর একটু মানবিক কর� গড়ল� হয়ত� ব্যাপারট� আর� বেশি উপভো� করতে পারতাম� অলমিতি�
ঘটনা� সময়কা� আজ থেকে অনেক পরের বছর। যখ� কিনা সবচেয়� পৃথিবী অনেক এগিয়ে গিয়েছে। যখ� কিনা দৃষ্টিভংগী� বিক্রি কর� যায়� চুরি কর� যায়� এমনই এক দৃষ্টিভংগী হল ৩১ নাম্বারে� দৃষ্টিভংগী� এটাক� অন্য সব দৃষ্টিভংগী থেকে এটাক� আলাদ� করেছ� যে অন্য দৃষ্টিভংগী� প্রভাব মাত্� কিছু সময়ের জন্য কিন্তু ৩১ নাম্বারে� দৃষ্টিভংগী পার্মানেন্ট। আর এট� নিয়� অনেক মি� আছ� তা� এটার বাজা� মূল্� অনেক� তা� অনেকেই এট� চুরি করতে চায়� এই নিয়� কাহিনী এগিয়ে যায়�
বইটা পড়ে প্রথ� কথ� যেটা মাথায় এসেছ� সেটা হচ্ছ� 4x রিলে দৌড় প্রতিযোগিত� আর ৩১নাম্বারে� দৃষ্টিভংগী হল সে� রিলে� ব্যাটন� বাটন যা� হাতে থাকে তা� দিকে থেকে কাহিনী এগিয়ে যায়� যাকে হয়ত আপনি একটু আগেও পছন্� করতে পারছিলেন না যখ� তা� দি� থেকে কাহিনী বর্ননা শুরু কর� হয� তখ� তাকে ভা� না লেগে পারে না�
তব� যে� জিনিষট� সবচেয়� বেশী বিরক্ত লেগেছে বা পড়া� গত� কমিয়ে দিয়েছ� তা হল একশন সিনে� বর্ননা� গল্পের শু� থেকে� যে� কে� আপনাকে প্লে� থেকে প্যারাড্রপ কর� একটা যুদ্ধে� ময়দান� ফেলে দিয়েছ� আর আপনি তাকিয়� তাকিয়� তা দেখছেন� এত ডিটেইল একশনের বর্ননা মন� হয� না দরকা� ছিল। গল্প বলার ধর� নতুন কনসেপ্টটাও অনেক ভাল। কিন্তু মন� হব� বই এর পে� হুদা� মোটা হয়েছে�
Great read. But, quite different than any other book. Lots of concepts and they are futuristic. It's completely action packed, fast paced and nicely completed. As always I will be waiting for the next book by the author.
বইটা ৩৮� পৃষ্ঠা�, এর মধ্য� ২৫� পৃষ্ঠা পুরা� অপ্রয়োজনীয়� কো� কাহিনী ছাড়� মারামারি বর্ণনা কর� বইয়ের ৪৫ পার্সেন্� শে� করেছেন তানজী� ভাই।
ভালোটা দিয়� শুরু কর�, আমার মন� হয� এই প্রথ� বাংলাদেশী বইয়� সমকামিতা দেখলাম� যথেষ্ট সাহসের সাথে লেখক সমকামিতা� কথ� বলেছেন, এই জন্য � স্টা� না দিয়� � স্টা� দিয়েছি।
কাহিনী ১৫ পার্সেন্� অরিজিনাল ছিল। কিন্তু তানজী� রহমা� থেকে ৮৫ পার্সেন্� অরিজিনাল পেলে� তো মন� হব� কম হয়ে গেল।
বই লেখা� সময় একটা জিনি� আম� খুবই অপছন্দ কর� আর তা হল ইনফরমেশন ডাম্প। উন� নিজে� জ্ঞা� দেখানো� জন্য মুয়াই থা� থেকে শুরু কর� গর্ডিয়া� গি� সবকিছু� বর্ণনা কর� গেছেন। ব্যাপারট� মোটে� ভালো লাগে নাই। লেখক� সম্ভবত বুঝত� পেরেছে�, সে� জন্য ফার্স্� হা� এর পর ইনফরমেশন ডাম্� অনেক কম� গেছে�
ম্যাথু রাইলির অ্যাকশ� , গিলিয়ান ফ্লি� এর সাইকোলোজিকাল থ্রি�, হারলান কোবে� এর টুইস্ট, বারডুগোর হাইস্ট, আসিমভে� ওয়ার্ল্� সেটা� মিশালে হয়ত অনেকের কাছে ভালো লাগবে। কিন্তু আমরা যারা একচুয়াল� ফ্লি�, রাইল�, কোবে�, বারডুগ� আর আসিম� পড়ে এসেছ� তারা খু� সহজে� ধর� ফেলত� পারব� আমার আশ� পাঠকের বুদ্ধিমত্তাক� সম্মান করবে� আগামীতে�
তানজী� ভা� এর আর্ক� আধুনিক বাংল� সাহিত্যে� অন্যতম সেরা হরর। অক্টারিন অতটা ভালো না হলেও, চলনসই। কিন্তু এই বইটা ওনার লেখা আমার পড়া সবচেয়� খারা� বই� মানুষে� দিনে দিনে উন্নতি হয�, আর ওনার হয়েছে অবনতি।
আম� এখান� স্পয়লার� বইয়ের কাহিনী � লাইন� বল�, যে� কে� আমার মত কষ্ট কর� এই বই না পড়ে�
শেষে মন� হয়েছে, বই এর না� "আর আম� হব� ধবংসতারা" না দিয়� "আর আম� হব কু� ফু পান্ডা" দিলে বেটা� হত� অন্ত� যে জিনিসে� কো� অভাব ছি� না তা হল মারামারি�
আগাম� বইমেলা� তানজী� ভা� এর "আত্মরক্ষার কৌশল" অথবা ভালো একটা প্রপার বই পাবা� আশ� রাখছি।
কাহিনী হচ্ছ� দৃষ্টিভঙ্গ� নিয়�, এম� এক পৃথিবী যেখানে মানুষে� চিন্তা করার ধর� কপ� কর� যায় কিন্তু তাতে সমস্যা একটি, যারট� কপ� কর� হব� সে মারা যাবে! এব� একদল মানু� আছ� যারা এরপরেও এই কাজট� করতে চায়...এইরকমই একটা দৃষ্টিভঙ্গির চুরি � হাতবদল নিয়� পুরো কাহিনী এগিয়ে যায়...
প্রথ� চ্যাপ্টা� ৬১পৃষ্ঠা�!! কিছুটা অবাক হয়েছিলা�...ভাবলাম ওয়ার্ল্� বিল্ডি� এর জন্য হয়ত�... কিন্তু না, আমার ধারণাক� ভু� প্রমাণ কর� অপ্রয়োজনীয় পৃষ্ঠা বাড়তে থাকল�...
বুঝা যায় যে এট� ভালোভাবে পড়াশোনা কর�, চিন্তা করেই লেখা বই কিন্তু ডিটে� অতিরিক্ত বেশি...৩৭০র কাছাকাছি বই হলেও আমার ধারণ� অন্ত� ১০০পৃষ্ঠ� কম� হত� পারত...! সবচে বড� আফসো�, এই বড� বড� সিনে� আড়ালে আস� গল্পটা� কিছুটা ঢাকা পড়ে যায়, অন্ত� আমার তাইই মন� হয়েছে...গল্পটা� পটেনশিয়াল ছি� কিন্তু সে� পর্যন্� পৌছাতে পারেনি....
বে� গতিশী� একটা অ্যাকশ� সা�-ফাই। গতিট� একটু বেশি� যেন। গোলাগুলি, ঘুসি-লাথ্যি� মধ্য দিয়� এত� বেশি টানাহেঁচড়� কর� হইছে যে আরেকটু একটু ধীরে সুস্থে শ্বা� নিয়� লেখকের তৈরি পৃথিবীটা, গল্পটা উপভো� করার তেমন সুযো� দেয় নাই।
পেটমোট� ফিলোসফ� ফাকফোকড়� খাওয়াচ্ছে, একটু ভাবাচ্ছে, মারামারি-কাটাকাটি-গোলাগুলি� পর একটা মিনমিন� এন্ডিং�
ক্যারেক্টা� বিল্ডি�, আর গল্পের পরিবেশটা তৈরি করতে অর্ধেক এনার্জ� দিছে�, আর বাকি অর্ধেক মারামারি-গোলাগুলিতে� সফলও� মাঝখান� গল্পটা, এন্ডিংটা বে� হতাশাজনক� কাজট� মৌলি�, এক্সপেরিমেন্টা� হইলে� বে� শক্ত� ওয়া� থার্� পড়ে যতটুকু বিরক্ত লাগব� ভাবছিলাম, ততটুকু লাগে নাই। এঞ্জয় করছি�
" আর আম� হব� ধ্বংসতার� " এর শুরুতে� আমরা জানত� পারি সুদূ� ভবিষ্যতে� এক দুনিয়� সম্পর্কে , যেখানে যেকো� মানুষে� দৃষ্টিভঙ্গ� এক ভয়াবহ মূল্যবান সম্পদ। মূলত জীবনকে এক অন্য কো� মানুষে� দৃষ্টিভঙ্গিত� দেখা সেখানে বড� কো� ড্রাগস নেয়ার চেয়েও আনন্দময়� - কিন্তু সমস্যা হল� যা� দৃষ্টিভঙ্গ� নেয়� হয� সে আর পৃথিবীতে বেঁচ� থাকে না� তা� দৃষ্টিভঙ্গ� নেয়� বন্ধ কর� দেয়� হয� , কিন্তু অন্য সক� অনৈতিক কাজে� মত� দৃষ্টিভঙ্গ� � চুরি হত� থাকে� আর � কাজে� জন্য তৈরী হয� এক বিশে� ধরণে� চো� ,দৃষ্টিভঙ্গ� চুরি করাই যাদে� পেশা� আর এই চোরদের বিভিন্� সময়ের জবানবন্দ� নিয়েই লেখা হয়েছে " আর আম� হব� ধ্বংসতারা। " - "আর আম� হব� ধ্বংসতার�" গল্পটি মূলত সা� ফা� হলেও যে জিনিষট� গতানুগতি� সা� ফা� থেকে আলাদ� করেছ� তা হল� প্রচুর একশন আর ভায়োলেন্স� বইয়ের প্রথ� পাতা থেকে� যা� শুরু আর তা বিরাজমান থেকেছে শে� পাতা পর্যন্� যা� কিছুটা over the top মন� হয়েছে � এর মাঝে� পরিচয় করিয়ে দেয়� হয়েছে বে� কিছু ফিউচারিস্টিক টেকে� সাথে যেগুলোকে গল্পের প্রয়োজন� সুচারুভাবে ব্যবহা� কর� হয়েছে� - " আর আম� হব� ধ্বংসতার� " তে গল্প বলার ধর� লেখকের আগের উপন্যা� আর্কনে� কথ� মন� করিয়ে দেয়� গল্পের প্লট অক্টারিনের তুলনায� কিছুটা হালক� মন� হলেও ভবিষ্য� দুনিয়ার দারু� ডিটেলি� বে� ভালো লেগেছে� গুপ্তচ� , শিল্পী , যোদ্ধা , অতিমান� প্রতিট� চরিত্রকে লেখক ভালোভাবে ফুটিয়� তুলত� পেরেছেন। আর কাহিনী বরাবরে� মতোই অত্যন্� সাবলী� এব� দ্রুতগতি� যা একবা� পড়া শুরু করলে শে� করার আগ� থামত� ইচ্ছ� হব� না� - এক কথায� বলতে গেলে বাংল� ভাষা� পাঠকদে� সা� ফা� থ্রিলারক� গতানুগতি� দৃষ্টিভঙ্গির চেয়� এক নতুন ধরনে� দৃষ্টিভঙ্গিত� দেখিয়েছেন লেখক� সামন� তা� � ধরনে� আর� লেখা� অপেক্ষায� রইলাম।
বই : আর আম� হব� ধ্বংসতার� লেখক : তানজী� রহমা� ধর�: থ্রিলা� / সাইন্স ফিকশ� প্রকাশনী : বাতিঘর পৃষ্ঠা : ৩৮� মলাট মূল্� : ৪০� টাকা
বইটি� যখ� প্রচারনা চলছি�, তখ� একটা কথ� বল� হচ্ছিল� এট� কোনো গৎবাধা গল্প না� তাহল� বইয়ের রিভিউও কিভাবে গৎবাঁধ� ধাচে দিতে পারি!😂 পুরো বই জুড়� দৃষ্টিকো� নিয়� খেলে গেছে� লেখক� এখ� বইটি পড়া শেষে আপনা� দৃষ্টিকো� বদলাবে কিনা আমার জানা নে�, তব� এনাক� নিয়� অনেক কিছু জানত� পারবেন� গুপ্তচ�, শিল্পী, যোদ্ধা, অতিমান� বইয়ের চারট� অধ্যায়। আমার প্রিয় যোদ্ধা💜� শুরু হব� একটি চুরি দিয়� (চুরি বল� না ডাকাতি বল� জানি না😞�) অভিন� পদ্ধতিতে দৃষ্টিকো� চুরি(এই কথাটাই আমাক� বইটি পড়ত� বাধ্� কর�)� দুর্দান্� অপারেটরদের সাথে আপনা� সময় কাটবে। লেখক ঘন ঘন ঘটনা� মোড় ঘুরিয়েছেন� গল্প একটি কিন্তু বিভাজক অনেক� আর কিছু না বল� বই সম্পর্কে� বইটি পড়ে আমার এম� অবস্থা হয়েছে আম� অনেকের মতাম� জানত� বাধ্� হয়েছি� কি অবস্থা হয়েছে তা বল� আম� আপনাকে প্রভাবিত করবো না� রেটি� কর� না� কারন বল� যাবে না� 😜
বইটাকে একটা ২২ ঘন্টার ফাস্� পেসড অ্যাকশনপ্যাকড্� সাইবারপাংক সাইফাই গেইমের সাথে তুলন� কর� যথার্থ হবে। প্রথ� পাতা থেকে শুরু কর� শে� পাতা পর্যন্� রুদ্ধশ্বাস অ্যাকশ� সিকোয়েন্স, মাঝেমধ্য� যেটা একঘেয়� লাগত� পারে� আমার ক্ষেত্রে এট� ভালো সমস্যা করেছে। পড়া� মাঝে বে� অনেকদি� গ্যা� পড়ে গিয়েছিল� এজন্য।
ফিউচারিস্টিক সায়েন্সের সাথে কল্পনা� মিশেলে কনসেপচুয়ালি বইটা চমৎকার, এই ইউনিভার্� নিয়� রীতিমত� কমিক্স বা আর্টবু� কর� ফেলা যায়� সিঙ্গুলা�, জৈবি�, অতিমান� - ইত্যাদ� কনসেপ্টগুল� খুবই ইন্টারেস্টিং এব� কল্পনা� জন্য অত্যন্� ভিজ্যুয়াল� অ্যাপেলিং। কোনও নির্দিষ্� প্রটাগনিস্� বা অ্যান্টাগনিস্ট নে�, প্রত্যেক চাপ্টারে মূ� প্রটাগনিস্� চেঞ্� হলেও প্রত্যেকের ক্যারেক্টারাইজেশ�-� মাল্টিডাইমেনশনাল রাখত� পেরেছে� লেখক, যেটা একটা বড� ক্রেডিট। বইটা এদেশের জন্য একদম ভিন্নধারার সায়েন্স ফিকশ�, এরকম কা� আগ� হয়নাই� চাইল� এই ইউনিভার্সে আর� কিছু বই লিখে ফেলা যেতে পারে�
বে� খানিকট� হতাশ� বল� চলে। কারণ হিসেবে লেখকের আগের বইগুলো পড়া� পর যে এক্সপেক্টেশা� ছিলো সেটাকে দায়� কর� যেতে পারে� স্টার্টিংট� চমৎক��� ছিলো, মূ� ব্যাপারটিও বে� ইউনি� ছিলো� কিন্তু পুরো উপন্যাসটাই মন� হচ্ছিল� শুধু� অ্যাকশান সিকোয়েন্স�
�.� তানজী� রহমানে� আর্ক� আর অক্টারিন পড়া� পর এট� তি� নম্ব� বই।আগে� দুইট� পড়ে তা� আশ� বেশি ছিল। গল্পের প্লটটা খু� সুন্দর।সাই ফা� হিসেবে ভালো� তব� চরিত্রগুলো� মারামারি করার সময়ের বর্ণনায় একটু বেশি� সময় নিয়েছেন লেখক।উনা� যা ক্যালিবা� তাতে এর চাইত� আর� ভালো ভাবে লেখা একটা উপন্যা� পাঠকদে� সামন� তুলে ধরতে পারতেন� তব� একেবার� যে খারা� লিখেছে� এম� না।বর্ণনাভঙ্গি সাবলী� � সুন্দর।দ্রুতগতিত� পড়ে ফেলা যায়� পড়ে আরাম পাওয়া যায়
Felt like the story went nowhere. The writing style is captivating, as ever. But really disappointed with the scattered stories in the story. Liked the intriguing history of martial arts from Sun Zero's perspective. Liked that there was a reason behind each of the villain's (although they are the only main characters of the book, there are no heroes here, really) madness or actions. especially after I got to know each of their stories and motivations.
I think I would have liked the story more had the ending been not so as it was.
This book was just not my cup of tea, I guess. Maybe more so because of the fact that I'd been sick while I was reading it, and I was looking for a more lighthearted read or just the right kind of sci-fi for then. Yes, that's it. I think it disappointed because I'd been expecting a bit more sci-fi-ish sci-fi than this action and thrill-filled mystery sci-fi story.
� কাহিনী ভবিষ্য� পৃথিবীর। প্রযুক্তির উৎকৃষ্টত� সেখানকার জনজীবন� এনেছ� ব্যাপক পরিবর্তন� জীবন পদ্ধতি� পরিবর্তনের পাশাপাশি সৃষ্টি হয়েছে অনেক নতুন দৃষ্টিভঙ্গ�, মতাদর্� আর সেগুলো� অনুসারী� সে� সময় হঠাৎ আবিষ্কৃত হয� মানুষে� দৃষ্টিভঙ্গ� কপ� করার মেশি�, যেটা� মাধ্যম� যেকোনো মানুষে� দৃষ্টিভঙ্গ� কপ� কর� সেটা অনুভ� কর� যাবে� কিন্তু যা� দৃষ্টিভঙ্গ� নেওয়া হব� তাকে মৃত্যু বর� করতে হয� বিধায় � যন্ত্র নিষিদ্� কর� হয়।
কিন্তু ক্রমেই � নিষিদ্� জিনিসে� চাহিদা বাড়তে থাকে� দৃষ্টিভঙ্গিই হয়ে পড়ে সবচেয়� দামী মাদক� বিশে� কর� বড� শিল্পী � ব্যক্তিত্বসম্পন্� মানুষদের দৃষ্টিভঙ্গিগুলো। আর এই দৃষ্টিভঙ্গির চুরি� কাজট� করার জন্য দরকা� পর� এক বিশে� ধরণে� দক্ষ চোরদের যাদে� অপারেটিভ� বলে। এদের মধ্য� অন্যতম হল� ক্যা� ইউলাস। প্রাক্তন স্পা�, বর্তমানে একজন বড� অপারেটিভ এই ইউলাস। আরেকজন বড� অপারেটিভ হল� সু� জিরো, মার্শা� আর্ট� অনেক দক্ষ�
এছাড়া আছ� উইনা� গালা�, প্রাক্তন যোদ্ধা � একজন কিলি� মেশিন। বেশীরভাগ অপারেটিভরা ফ্রিল্যান্সা� হিসেবে কা� করলে� সে মাফিয়� ডন (� বড� দৃষ্টিভঙ্গির কারবার�) পাটেরে� ডা� হয়ে কা� করে। এর� সবাই জড়িয়� গেলো একটি বিশে� দৃষ্টিভঙ্গির সাথে� সেটা হল� সরকারে� কর� গোপনীয় দৃষ্টিভঙ্গির এক্সপেরিমেন্টে� ফস� '৩১ নম্বরে� দৃষ্টিভঙ্গ�'� কিংবদন্তিতুল্য সে� দৃষ্টিভঙ্গির দা� অন্য সব কিছু� চেয়� অনেক বেশী�
অন্যদিকে পৃথিবীতে প্রযুক্তিপূজারী উগ্রগোষ্ঠী 'সিঙ্গুলা�' আর প্রকৃতিপূজারী গোষ্ঠী 'জৈবি�'দে� ঘিরে� সমস্যা কম হচ্ছ� না� নি� মতাদর্শে� উগ্র অনুসারী হয়ে সিঙ্গুলারর� নিজেদে� অঙ্গ প্রতিস্থাপ� করছে প্রযুক্ত� দ্বারা আর জৈবিকর� নিজেদে� জি� এডিট কর� বদলে দিচ্ছে নিজেদে� প্রজাতিগ� বৈশিষ্ট্য। এর� মাঝে সিঙ্গুলা� গোষ্ঠীতে একজনের উপ� এক্সপেরিমেন্� কর�, তা� ৬৪� প্রত্যঙ্� যন্ত্র দ্বারা প্রতিস্থাপ� কর� হয়। তা� কোডনেম ২৫�, পরীক্ষণের পর যন্ত্রের ক্ষমতায় সে পরিণ� হয� একজন সত্যিকারের সুপা� হিউম্যানে।
উক্ত সক� চরিত্রকে বারবার জড়িয়� পড়ত� হয� যুদ্ধে� সৃষ্টি হয� অরাজকত�, নৈরাজ্যত�, সবকিছু� কেন্দ্রে থাকে সে� '৩১ নম্বরে� দৃষ্টিভঙ্গ�'� শে� পর্যন্� কী হত� যাচ্ছে? কা� হাতে পড়ত� যাচ্ছে সে� কিংবদন্তিতুল্য দৃষ্টিভঙ্গ�? বিশে� কী� বা আছ� তাতে? জানত� হল� পড়ত� হব� তানজী� রহমানে� লেখা সায়েন্স ফিকশ� অ্যাকশ� থ্রিলা� বই 'আর আম� হব� ধ্বংসতার�'�
বর্তমা� সময়ের জনপ্রিয় লেখক তানজী� রহমান। থ্রিলা�, হর�, ফ্যান্টাসি, সায়েন্স ফিকশ� জনরা� ভিন্নধর্মী প্লট আর তা� সাবলী� লেখনী� মাধ্যম� উপভোগ্যভাব� সেটা� উপস্থাপন তা� বইগুলো� একটি বৈশিষ্ট্য। তা� লেখা 'আর আম� হব� ধ্বংসতার�'� একটা বাংল� সায়েন্স ফিকশ� থ্রিলা� হিসেবে বে� ইন্টারেস্টিং একটা প্লটের বই� বইয়ের প্লটটা বে� ইন্টারেস্টিং আর ভিন্� রকমের। সিনপসি� পড়ে প্রথমে ক্রিস্টোফা� নোলানে� 'ইনসেপশ�' সিনেমা� কথ� মন� হলেও, এট� একদম আলাদা। লেখক তা� গল্পের থিমক� বে� ভালোভাবে সাজিয়েছে। আর লেখকের লেখনী� সাবলীল।
বইয়ের এক্সিকিউশন কর� হয়েছে গল্পের একাধিক চরিত্রের দৃষ্টিকো� থেকে আর নন স্টম ধুন্ধুমা� অ্যাকশনে� মাধ্যমে। বইটা লেখক পুরোপুরি অ্যাকশনে� উপ� ভিত্তি কর� গড়ে তুলেছে� অ্যাকশ� দৃশ্যগুলোর গঠ� দূর্দান্� ছিল। লেখক তা� প্রখ� কল্পনা শক্তির মাধ্যম� বর্ণময� অ্যাকশ� রচনা করেছেন� গা� ফাইট, হ্যান্� টু হ্যান্� কমব্যা�, কা� চে�, ফ্লাইং অ্যাকশ� সব ধরণে� অ্যাকশ� দৃশ্� ছি� � বইয়ে। দৃশ্যগুল� উপভোগ্�, কিছু ক্ষেত্রে অতিরঞ্জি� আর অবাস্ত� হয়ে গেলে� কল্পবিজ্ঞা� হিসেবে মেনে নেওয়া যায়�
এরপর আস� চরিত্রায়নে। একাধিক প্রোটাগনিস্ট, পরপর একজন থেকে একজনের দৃষ্টিভঙ্গ� থেকে গল্পকে দেখানো হয়েছে� মূ� চরিত্রগুলোকে লেখক অ্যাকশ� চরিত্রদে� জনপ্রিয় অবতারগুলোর আদলে গড়ে তুলেছেন। চরিত্রগুলোকে লেখক বে� সুন্দর কর� ভালো খারাপে� মাঝামাঝি (খারাপই বেশী) উপস্থাপন করেছেন� তব� কোনো চরিত্র� গঠ� খু� পোক্� হয� নি� অক্টারিনের ভিলেইনের মত� অল্প সময়� হালক� কোনো এক ব্যাকস্টোর� আর কিছু ইমোশনা� দি� রেখে কোনো মত� চরিত্রায়নের কা� সেরেছেন। এদের মাঝে গালা� চরিত্রটা� গঠ� তুলনামূল� ভালো ছি�, ২৫� এর চরিত্রায়ন বেশী দূর্বল�
গল্পের ওয়ার্ল্� বিল্ডি� বে� ভালো ছিল। ভবিষ্যতে� পৃথিবী� প্রযুক্তিগ� আর সেটা� মানুষে� দৃষ্টিভঙ্গিগ� পরিবর্তন বে� ভালো কর� দেখানো হয়েছে� সে� সাথে লেখক বিভিন্� রকমে� দৃষ্টিভঙ্গ�, ভায়োলেন্স, মানুষে� জীবনযাত্রা ইত্যাদ� নিয়� তা� দর্শ� � চিন্তাভাবনাও গল্প� তো ব্যক্ত করেছেন� তব� বইটা অনেক দূর্বল হয়ে পর� মূলত গল্পের দূর্বল কাঠামো� জন্যে। গাঁথুন� কমজোরি ছি�, কারণ গল্প সুনির্দিষ্� কাঠামো ছাড়� ছুটছিল� আর সেটাকে টেনে অনেক লম্ব� কর� হয়েছে�
লেখক মূলত গল্পকে অ্যাকশ� দিয়� এইগেইজিং রাখা� চেষ্টা করেছে। কিন্তু ভিডি� গেমস বা বড� পর্দার জমজমাট কোনো অ্যাকশ� সিনেমা� মত� বইয়ের পাতায় টানা এত� অ্যাকশ� দৃশ্� পড়ত� খু� বেশী ভালো লাগে না� সেইসাথ� অ্যাকশ� দৃশ্যে অতিরিক্ত বর্ণনা বইটাকে অনেক বোরি� বানিয়� দিয়েছে। তাছাড়� গল্প� আগ্র� ধর� রাখা� মত� বিশে� কিছু ছি� না একটা পর্যায়ে� ক্লাইম্যাক্স, সেটা� টুইস্ট আর এন্ডিংটা� সে� অনূভুত� বদলাবা� মত� আহামরি কিছু হয� নি� লেখকের লেখনী ভালো হলেও, 'আর্ক�' বা 'অক্টারিন' থেকে একটু দূর্বল ঠেকলো। তা� দি� শেষে বইটা আমার কাছে অনেক বোরি� লেগেছে� শে� করতে অনেক সময় লাগলো। অনেকদি� টানা থ্রিলা� টাইপের বই পড়ছ�, আপাত� এই ধরণে� বই থেকে একটু বিরত� নেওয়া ভালো�
� এক এম� সুদূ� ভবিষ্যতে� গল্প যেখানে বিলাসিতা বলুন, ব্যবসায়িক বা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা বলুন, যা� যা� স্বকীয় ‘দৃষ্টিভঙ্গী� হয়ে উঠেছ� সবথেকে মূল্যবান আর আকাঙ্ক্ষার বস্তু। কিছুদিনে� জন্য অন্যের চোখে পৃথিবী দেখা� আর জীবনবোধে� এই কায়দাটা� যখ� বিজ্ঞা� রপ্ত কর� ফেলে তখ� তা সামাজি� � সরকারী ভাবে স্বীকৃতি পায় না এর প্রাণঘাতী দিকটার কারণে…আ� কি যা� থেকে দৃষ্টিভঙ্গী নেয়� হয� তাকে আর বাঁচান� যায় না! তারপরও দুর্লভ বা নিষিদ্� মাদকের মত� আকর্ষণীয় হয়ে পড়ে এই অন্যের দৃষ্টিভঙ্গী� ব্যাপারট� আর তা আদায� � বেচাকেনা� জন্য� জন্ম নেয় এক রক্তক্ষয়ী বাণিজ্যের। চাহিদা আর যোগানে� সামা� দিতে� তখ� সমাজ� ছড়িয়� পড়ে একদল চৌকষ অপারেটিভ বা P.O.V Extractor, ক্ল্যায়েন্টের ডিমান্� মোতাবে� যারা এন� দিতে পারে পছন্দে� সেলিব্রিটি, মেধাবী বা সমাজের হোমরাচোমরা ব্যক্তিদের ‘দৃষ্টিভঙ্গী’। কিন্তু এস� ছাপিয়েও এক্সট্র্যাক্টদের কাছে সব থেকে চ্যালেঞ্জি� হয়ে দাড়ায� সরকারে� দুর্ভেদ্� ৩১ নম্ব� বিল্ডি�; এই বিল্ডি�-এই নাকি সংরক্ষিত আছ� পৃথিবী� সেরা ‘দৃষ্টিভঙ্গীটি’…সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য আর দুশ্চিন্তামুক্� এক দৃষ্টিভঙ্গী! যা� জন্য চড়া মুল্� দিতে রাজী আছ� অনেকেই� আর সে� অমূল্য দৃষ্টিভঙ্গী� চুরি, ছিনতাই আর দখলে� ধুন্দুমা� লড়া� নিয়েই তানজী� রহমানে� “আ� আম� হব ধ্বংসতারা”।
বাঙালী সা�-ফা� আর অ্যাকশ� প্রেমীদে� জন্য বছরে� সেরা উপহারট� খু� সম্ভবত হত� যাচ্ছে এই বইটি�; কেনন� বাংলায� এতটা অ্যাকশ� আর ভায়োলেন্স� জমজমাট কো� সায়েন্স ফিকশ� উপন্যা� এর আগ� এভাব� লেখা হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। আর সে� অ্যাকশ� আর ভায়োলেন্সের পাশাপাশি তানজী� রহমা� তা� এই ধ্বংসতারা’ত� এঁকেছে� ভবিষ্যতে� এক অভিন� রুপও� অরবি� � হাতে ব্রেসলেটের মত মোবাইল কমিউনিকেশন ডিভাইস, পথেঘাট� জ্ঞানকাঁ� বা মুভি� ভিজুয়াল ডিসপ্লেত� মোড়ান� অত্যাধুনিক বিল্ডি� কিংব� কংক্রিটে� জালপ� � রোলা� কোস্টারে� মত দেখত� ফ্ল্যাইওভা� যা� প্রতিট� রাস্তা� তল দিয়েও পোকামাকড� সাদৃশ্� গাড়ীগুলো অনায়াসে চলাচ� করতে পারে, সে� সাথে অত্যাধুনিক সব অস্ত্রশস্ত্রের� তো শে� নেই। ভা� লেগেছে সিঙ্গুলা� আর জৈ� সমাজ � এই দুদলের উপস্থাপন আর তাদে� মধ্যকা� মি�-অমিল আর সে� সাথে রক্তক্ষয়ী, ভয়ংকর দ্বন্দের ব্যাপারটিও� ধ্বংসতারা’র প্লটটা যেমন দৃষ্টিভঙ্গী� মত চমকপ্র� একটা আইডিয়� নিয়�, ঠি� তেমন� গোটা উপন্যাসটাও তানজী� রহমা� সাজিয়েছেন একাধিক মানুষে� (বা অমানুষের) দৃষ্টিভঙ্গী� মধ্য দিয়� ভিন্� ভিন্� চাপ্টারে� ক্যারেকটারগুলো উপস্থাপি� হয়েছে যা� যা� আলাদ� আলাদ� ব্যাকগ্রাউন্� আর মোটিভেশন নিয়�; আর এই চাপ্টা� টু চাপ্টা� ক্যারেকটার টু ক্যারেকটার� কাহিনী� বাঁকগুলোতে� ছি� সুকৌশল আর যত্নের ছাপ। তারপরও কিঞ্চি� সমালোচনা বলতে এটাই বল� যে, ক্যারেকটারগুলো� অ্যাপ্রোচে বা উপস্থাপন� কিছুটা ভিন্নত� আনতে পারল� আর� পোক্� হত, আর কি যা� যা� দৃষ্টিভঙ্গী বা জবানীতে কিছুটা ভিন্� ভিন্� ভঙ্গিম� বা স্বভাবগত আলাদ� আলাদ� আমেজ দিতে পারল� আর� হয়ত উপভোগ্� হত� তব� সবকিছু ছাপিয়� যে ব্যাপারট� আমার কাছে বেশি ভা� লেগেছে তা হল অনবদ্য ডিটেইলিং� ‘দৃষ্টিভঙ্গী� চুরি আর ইমপ্ল্যান্টে� মত এম� সব আইডিয়� নিয়� প্লট দাড় করাত� গেলে যেখানে গল্প� জটিলতা� হয়ত একটা ঝুকি থেকে যায়, সেখানে লেখক এই উপন্যাসে চেষ্টা� কো� ত্রুটি করেন না� সবকিছু সুন্দরভাবে বুঝিয়� বলতে - প্লটের মেজর এলিমেন্ট থেকে শুরু কর� অ্যাকশ� সিকোয়েন্স বলুন, বিভিন্� প্রেমিসে� বর্ণনা বলুন বা প্রযুক্তিগ� উৎকর্ষ� নানা স্থা�, এমিউনিশন বা জিনিষপত্রে� ডিটেইলিং প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে প্রতিট� জিনিষক� সার্থকভাবে বুঝিয়� গেছে� সাবলীলতার সাথে স্পষ্ট কর� সহ� ভাষায়� গল্পের শেষে টুইস্টটা� ছি� লজিকাল, আহামরি কিছু না হলেও মাত্রাতিরিক্� কিছু না দিয়� ফিনিশিংট� যে নষ্ট কর� দেনন� তা� জন্য� একটা ধন্যবা� জানত� চাই।
বইটা পড়া� সময় মাঝে মধ্যেই মন� হচ্ছিল কো� দুর্ধর্ষ আর রক্তাক্ত অ্যাকশনে ভরপু� একটি টানটান গ্রাফি� নভেলের বুঝি নভেলাইজেশন পড়ছ�, আর তা� জন্য গল্পের শে� ভাগে স্রে� এক্স-মে� বা মারভেল সুপারহিরোদের মত একাধিক ক্যারেকটারের উপস্থিতি� না, আগাগোড়া আসলে প্লটের স্ট্রাকচারটা� ছি� যে� বে� গ্রাফি� নভেল মার্কা� উপভোগ্য। যা� দরুন এই গল্প দিয়� একটি গ্রাফি� নভেল বা কমিক্স সিরি� দাড় করানোও বে� সহ� � মজার হব� আমার মত� আর আগামীতে তেমন কিছু পেলে� ব্যক্তিগতভাব� আম� অন্ত� মোটে� অবাক হব না�