“পুরাণ আর কিংবদন্তী হচ্ছ� জগতে� গভী� সত্য বোঝা� জন্য মানুষে� ঘোলাটে প্রচেষ্টা। সব পুরাণে� সত্য থাকে এব� সাথে মানুষে� কল্পনা থাকে� কল্পনা� চাপে মাঝে মাঝে সত্য বিকৃ� হয়।�
তানজী� রহমানে� লেখালিখি� সঞ্চারপথের দিকে তাকালে একটা তীর্যকরেখা নজরে আস� ‘কেটজালকোয়াটল � সৃষ্টিবিনা� রহস্য’থেক� এখ� অবধি� অকাল্ট আর পুরাণে� গিরিখা� থেকে ধীরে ধীরে সে� রেখা বাঁক নিয়েছ� দর্শনে� দিকে,সমকালী� ক্রাইসিসের দিকে� অবয়�,বিরূপকথা,মহাশূন্যতায়, তিনজ�,অনামিক� চু� পরপর বইগুলো� বিষয়বস্তু� দিকে নজ� দিলে লেখকের ক্রমাগ� নিরীক্ষা� দিকে ঝুঁক� পড়া� প্রবণতাট� ব্রড ব্রাশস্ট্রোক� ধর� পড়ে� তব� দর্শনে� এই সর� উপস্থিতি কোনোভাবে� আরোপিত মন� হয� না� ১২� পৃষ্ঠা� সীমি� কলেবরে� বইয়� এত� বীভৎসত�,নৃশংসত� পাল্লায় ভারী হয়ে দাঁড়িয়েছ�,তা এর সিনোপসিস পড়ে আন্দাজ কর� কঠিন� মজার ব্যাপা� হল�,‘অনামিকা চুপ� পড়ত� গিয়� পাঠকের� আর্ক�, অক্টারিনের সে� পুরোনো তানজী� রহমানক� খুঁজ� পাবেন।
‘ঢাক� শহরে� সাথে আমার দু� কানে� শত্রুতার সূত্রপাত কোথায় জানি না� তব� � যুদ্ধে আমার কা� বাজেভাবে হারছে।� নয়ে� পলিউশনের উপ� তোফা একটা কমেন্ট্রির মধ্য দিয়� শুরু হওয়� উপন্যা� ভাড়াবাড়ি� সংকটের মত� এক ভীষণ রিলেটেবল পরিস্থিতির মধ্য� আমাদের নিয়� যায়� কোলাহল মুক্� ভাড়াবাড়ি� সন্ধান� এগোত� এগোত� ভূতুড়� বাড়িত� গিয়� ওঠা—এ� পর্যন্� কাহিনী� সেটা� টিপিক্যা� হররে� সুপরিচিত ট্রোপে� মত� হলেও এরপর আর দম ফেলা� ফুরস� থাকে না� এই বাড়� আসলে ক্রমাগ� দুঃস্বপ্নে� জগতে প্রবেশ করার প্রবেশমুখ। তারপ� একের পর এক অপ্রত্যাশি� ব্যাখ্যাহী� ঘটনা� চেইন রিয়েকশন শুরু হয়ে যায়� কিছু কিছু দৃশ্যে� বর্ণনা এত� বীভৎ�, গ্রাফি� যে জাপানি� হর� মাস্টা� জুনজ� ইতোর মাঙ্গা� প্যানে� থেকে উঠ� এসেছ� বল� ভ্রম হয়। যারা মব সাইক� ১০�, জুজুৎস� কাইজেন,চেইন � ম্যা� ধারা� প্যারানরমা�,কার্� হান্টি� ধারা� মাঙ্গা পড়েছে�,তারা খানিকট� ধরতে পারবেন� মিউটিলেশ�,বড� হর�,গো� দৃশ্যে� এম� ভিজুয়াল মস্তিষ্ককে ভীষণ চাপে ফেলে� আর এই পুরোটা সময় জুড়� গল্পকথকে� ক্ষমাহী�,নির্লিপ্�,নিস্পৃহভাব অবাক কর� দিয়েছ� � খানি� বাদে বাদে কমিক রিলি� দিয়� পরবর্তী চমকে� জন্য পাঠককে ব্রিদি� স্পে� দেয়াট� খু� বেশি কাজে লাগে না� বর্ণ-শব্দ-গন্ধ মিলিয়� ভয়ে� যে আবহট� তানজী� রহমা� দাঁড� করিয়েছে� , সে� আবহে পৃথিবী� সমস্� পাগলের প্রত� আমাদের প্রগাঢ� মমতা অনুভূত হয়। বোঝা যায়, মানু� কোনোদি� উন্মাদ হয� না� উন্মাদ হয� তা� পরিস্থিতি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মানু� এম� পরিস্থিতিত� পড়ে যেখানে উলঙ্� হওয়� এব� আবোলতাবো� বক� তা� কাছে সবথেকে অর্থপূর্� কাজ। যুক্তিহী� সিদ্ধান্তই সবথেকে যৌক্তিক। প্রধান চরিত্র গল্পকথ�,তা� স্ত্রী অনামিক�, ছেলে উইলি কিংব� বাড়িওয়াল� শামসুল হকের মনস্তত্ব ছাড়াও ছো� ছো� চরিত্রগুলো� চিন্তাধারা,প্রবণত�,অভ্যাসকে খু� যত্নের সাথে এঁকেছে� তানজী� রহমান। এর কারণ� কাহিনী বাস্তবের সাথে প্যারালালি না গেলে� চরিত্রগুলো� কর্মকাণ্� বিশ্বাসযোগ্য� ঘটনাপ্রবাহের ফাঁক� ফাঁক� গুঁজ� দেয়� এডভার্� মুঙ্কে� ‘স্ক্রিম’ছবি� প্রেক্ষাপট, ফ্রান্সিসক� গয়া� ‘ব্ল্যাক পেইন্টিং�, নীৎসের শে� জীবনের কথ� দারু� এঞ্জয়েবল। ‘সূর্যকে বিদায় দেবা� যন্ত্রণায় রক্তাক্ত হচ্ছিল� মেঘ’কিংবা ‘বাস্তবত� যেমন হওয়� উচিত এব� বাস্তবতা আসলে যেমন এই দুইয়ে� মধ্য� সংঘর্ষ থেকে সক� বিষণ্নতা জন্মায়� —এমন কাব্যগন্ধী বর্ণনা� লোভে নামিয়� রাখা যায় না�
পুরো বইয়ের শেষভাগ� এস� যে ব্যাখ্যা মেলে,তা পুরো ঘটনাপ্রবাহকে নতুন কর� ভাবত� বাধ্� করে। শাডা� প্রোডাকশনে� আর্জেন্টাই� সিনেমা When Evil Lurks সহ এই ধারায় বহ� প্রচলি� উপসংহা� ভীষণ আধুনিকভাবে প্রয়ো� করেছেন তানজী� রহমান। ‘অনামিকা চুপ� তা� পূর্ববর্তী বই তিনজনে� মত� খানিকট� রাশড হলেও এন্ডিং ভীষণ সন্তোষজনক। নসী� পঞ্চ� জিহাদী� কর� মিনিমালিস্টি� প্রচ্ছদে� জন্য বইটা বারবার হাতে নিয়� নেড়েচেড়ে দেখত� ইচ্ছ� করে।
সত্য� কথ� হল�, ‘অনামিকা চুপ� বইটা আমার জন্য একটা cover buy� প্রচ্ছদট� দারু� লাগায় প্রি-অর্ডার করেছিলাম� যেহেতু তানজী� রহমানে� লেখা, জানতাম এক্সপেরিমেন্টা� হবে। কিন্তু হর�, এট� বুঝত� পারিনি�
আর হর� একেবারেই আমার জনরা না� আম� ভূ� ভয� পাই। তারচেয়ে� বেশি ভয� পা� gore. রক্ত, কাটাছেড়�, mutilation এস� সহ্য� করতে পারি না�
বই সম্পর্কে কিছু না জেনে� গতকা� বইটা পড়ত� শুরু করি। শুরুটা এত চমৎকার! ঢাকা শহরে� শব্দদূষণ নিয়� আক্ষেপ থেকে শুরু হয� গল্প� এরপর আস� ভাড়� বাসা� বিড়ম্বনা। দু� বিষয়ে� সাথে� রিলে� করতে পারি শতভা�!
কিছুদূ� যেতে� শুরু হয� ভৌতি� ঘটনা� পড়ত� থাকি� বর্ণনা পা� এম� সব দৃশ্যে� যা আম� সাধারণ� এড়িয়� চলি। কিন্তু তব� বইটা� শে� পর্যন্� পড়ে ফেলি যাতে �. ভয� কম� যায় এব� �. জানত� পারি শেষমেশ কী হয�!
এই বইয়ের ডার্� হিউমার ভালো লেগেছে� বইয়ের শুরু� দিকে ঢাকায় বা� করতে কী যে অদ্ভুত অভিজ্ঞতা হয� তা নিয়� কিছু কমেন্টার� আছ�, পড়ে হতাশায� হাসি চল� এসছে� ফ্যামিলি ডায়নামিক্�, চরিত্রদে� সাইকোলজি বিশ্লেষণ ছি� অন পয়েন্ট। তব� যেহেতু হর� আমার পড়া� হয� না, তা� মন� হচ্ছ� ঠিকমতো বইটা� রিভি�/রেটি� দিতে পারছ� না�
ভয়ে� বই, অস্বস্তি� বই, দুঃস্বপ্নে� মত� বই, আর একটানে শে� কর� ফেলা� বই, এটুক� বলতে পারি�
মাথাটা ঝিমঝিম করছে এখনো� লেখক একটা মিনি� � রিলি� দেয়নি আমাকে। একের পর এক ঘটনা গিলিয়েছ� মাত্র। বিরক্ত� হয়েছি খুব। নৃশংসতার চূড়ান্ত রু� এই গল্প� পাওয়া গেলে� গল্পকথকে� মধ্য� কো� হেলদোল নেই। সহানুভূত� নেই। সত্য� বলতে গল্পের সবগুলো চরিত্র� যান্ত্রিক। শে� অংশটুক� পুরো গল্পটাকে নতুন দৃষ্টিকো� থেকে দেখত� সাহায্� করেছে। এজন্যই একটা তাঁরকা বেশি�
প্রকাশের ঘোষণার সময় থাইকাই বইটা পড়া� জন্য মুখিয়� ছিলাম। কারণ তানজী� রহমা� এর বেশিরভাগ লেখা� আম� খুবই এনজয� করছি� আর এটার ক্ষেত্রে না� শুইনাই মন� হইছে বইটা খুবই ইন্টারেস্টিং হবে। সো, বই পাইতেই পইড়� ফেললাম�
উত্ত� পুরুষে বর্ণিত বইয়ের ঘটনাটা শুরু হয� একটা সংকটের মধ্য দিয়া। বাসা ভাড়ার সংকট� ঢাকা শহরে যে� সংকট বেশিরভাগ মানুষকেই লাইফটাইম� কয়েকবার পোহাইত� হয়। ১০ দিনে� নোটিশে বাসা ক্যা� ছাড়তে হইতেছে সেইট� পড়ত� গিয়াই বইয়ের পরিবেশ হালক� হয়ে গেছে, ইন � পজেটিভ ওয়ে� আম� এইখানে বললা� না, আপনারা পইড়েন, মজ� পাবেন। যা� হো�, ১০ দিনে� মধ্য� ঢাকা শহরে সুইটেব� বাসা পাওয়া অলমোস্� অসম্ভব একটা ব্যাপার। এইখানে� তা� ঘট� এব� সে� সংকট থেকে উদ্ধার করলো গল্পকথকে� এক কলিগ, না� আঞ্জুম� তা� খোঁজ� এম� একটা বাসা আছ� যেইটাত� চাইল� এই ১০ দিনে� ওঠ� যাবে তব� ছোট্� একটা সমস্যা আছে। আর সেইট� হইলো, � বাসায় ভূতে� ঝামেলা আছ� কিন্তু এক হিসাবে লাভও আছে। বাসা ভাড়� কম� বাসায় ভূতে� আছ� থাকল� যে বাসা ভাড়� কম হইবো এইটা� স্বাভাবিক। তব� লেখক এইখানে গল্পকথকে� মু� দিয়� এম� একটা প্রশ্ন করাইলে� যে হাসি চাইপ� রাখত� বে� পাইত� হইলো� প্রশ্নটা হইলো, ‘ভাড়া কম কে�? ভাড়ার কিছু অং� কি ভূতে দেয়?� সিরিয়াসলি! মানে মানুষে� মাথায় এই প্রশ্ন� আসতে পারে? এইখানে বুইঝ� গেলা� বইটা ফর শিওর ব্যাপক কমিক রিলি� দিবে� হররে কমিক রিলি� জিনিসট� কেমন� কা� কর� এইটা দেখা� জন্য� এই বইটা পড়া যায়� যা� হো�, গল্পের কথ� বলি। তো বাড়িওয়ালার সাথে দেখা সাক্ষা� কইরা, ভূতে� ফিরিস্তি নিয়� বাসায় উঠলো গল্পকথ�, তা� ওয়াইফ অনামিক� (হ্যা�, বইয়ের নামে� ক্যারেক্টা� পাওয়া গেছে এইবা�) আর তাদে� একমাত্� পুত্� উইলি� উইলি� বয়স ১২� এই পর্যন্� গল্প লাইট� ছি�, এরপর শুরু হইলো ডার্ক। কেমন ডার্� সেইট� বই পড়লেই বুঝত� পারবেন তব� আম� প্রিটি শিওর এইরক� হর� সচরাচর পড়া হয� না� আর টুইস্ট যেইট� আছ� সেইট� তো একদম ‘থ� খাওয়ায়� দেয়ার মতো।
বই কেমন লাগছ�? প্লটের বিবেচনায� বই দারু� এক্সক্লুসি� তব� স্রে� প্লট নির্ভর বই যারা পড়ত� চা� তাদে� এই বই ‘স� সো� লাগত� পারে� তব� এইখানে প্লটের চাইতেও অসাধার� জিনি�, লিখনশৈলী� তানজী� নামে� মানুষজ� যে একটু এক্সক্লুসি� হয� (!) সেইট� তো আগেই জানতাম আর লেখকের লেখা তো প্রিয়�, তা� লেখা ভালো হব� জানাসত্ত্বেও এই বইয়ের লেখা� প্যাটার্� আমাক� মুগ্� করছে� বইয়� যেমন আছ� প্রচুর কমিক রিলি�, তেমন আছ� দর্শ�, এর কিছু আবার একদম বাঙালি� নিজস্ব দর্শ� আর আছ� আইসবার্গের টি� এর মত� প্রচুর রেফারেন্স। মোৎজার্টের রেফারেন্�, ফ্র্যান্সিসক� গয়া� ব্ল্যা� পেইন্টিং এর রেফারেন্�, সে� সাথে আছ� কিছু পরিচিত ক্যারেক্টারর রেফারেন্�, যেমন : ডাক্তা� � চা গবেষ� ওয়াফি হামি�, উচ্চভিলাষী ছেলে তাকদী� ষষ্ঠ, শাহরুখ হক আর আরেকজন (তা� নামট� বললা� না)� এদের উপস্থিতি অন্য লেখকদে� বইতে দেখা গেলে� সেইগুল� খানিকট� আরোপিত লাগলেও এইটাতে লাগে নাই। তব� বইয়ের সবচাইত� ভালো লাগা� বিষয� হইতেছে, দৃশ্� বর্ণায়ন (বর্ণায়ন বল� আদ� কোনো শব্দ আছ� কিনা জানা না�, আম� আন্দাজ� লিখলাম)� মানে প্রতিট� দৃশ্� অক্ষ� দিয়� এত যত্ন কর� বানানো হইছে যে আপনে সিনে ঢুকত� বাধ্য। এব� হর� সিনগুল� এতোটাই ইউনি� আর ডিটেইল� লাগছ� যে এই বই গত রাতে খানিকট� পইড়� একটু ভয� পায়� রাইখ� দিছি� বইয়ের এই জায়গাটা সুপা� স্যাটিসফ্যাক্টরী! আরেকটা জিনি� ভালো লাগছ�, সেইট� হইলো; বইয়ের প্রচুর বেসি� ইংরেজি শব্দের ব্যবহার। এই জায়গাটা রিল্যাক্� মন� হইছে আমার কাছে� রেগুলা� কথ্য ভাষায় একটা স্পেসিফি� সমাজ যেসব শব্দ ব্যবহা� কর� সেগুলো ব্যবহা� করলে আমার কাছে ক্যারেক্টারে ঢুকত�, প্রেক্ষাপট� ঢুকত� সহ� মন� হয়। আর এইটা তানজী� রহমানে� এই বইতে� বেশি দেখলাম� সুতরাং এইটা যে ইনটেনশনা� সেইট� বোঝা যাচ্ছে�
বইয়ের সব� কী ভালো? না�, সব ভালো লাগে না� আমার� প্রথমত, এই বইটা পূর্ণাঙ্� উপন্যা� হইলে আমার বে� ভালো লাগতো। আর� ডিটেইল� পাইতাম আর কী! এইখানে একটা না-পাওয়া রয়ে গেছে� দ্বিতীয় ব্যাপা� হইতেছে, বইয়� প্রচুর প্রশ্ন জাগা� সম্ভাবনা তৈরী হইছে বইলা মন� হবে। এই জায়গাটা� কারণেই আম� বইটাকে নভেল হিসেবে দেখত� চাইছি। এম� না যে এগুল� না দেওয়ায় বই ঝুলে গেছে, তব� ব্যাকগ্রাউন্� স্টোরী পাইল� একদম খাপে খা� হইতো� আর এইগুলা এইখানে বললে স্পয়লার মন� না হইলে�, বই পড়া� আগ� বই নিয়� একটা কনফার্মেশন বায়াস তৈরী হবার সম্ভাবনা থাকে� সুতরাং বই পড়া শে� হইলে আলোচনা করতে আসলে, ওয়েলকাম� এত সময় কারো থাকে না, সো বা� দিলে� সই� আরেকটা ব্যাপা�, এইটা অবশ্� লেখকের উদ্দেশ্য� প্রশ্ন (যদ� লেখক দেখে থাকে� বা এই বইয়ের প্রি-প্রোডাকশনে� সাথে কে� দেখে থাকে�)� শামসুল সাহেবে� ক্ষুদ্� আত্মীয়দে� কেসট� কী?
তো এই হইলো বই নিয়� আলাপ� এর বাইর� আলাপ করলে কর� যাইত� পারে পণ্য হিসেবে বই নিয়া। ১ম কথ� হইতেছে, বইয়ের সেটাপে এত বেশি স্পে� দেয়� হইছে যে এই পৃষ্ঠায় ২৪-২৫ লাইনের বেশি আঁটে না� (যেখানে রেগুলা� সাইজের বুকস্ট্রিটের অন্য বইতে ৩৩-৩৫ লাইন পাইছি। আগ� জীবন� নোটি� কর� না�, এইবা� খটকা লাগায় দেখলাম)� আবার দুইট� প্যারা� মাঝে এতখানি স্পে�/গ্যা� দেয়� যে আম� শুরু� দিকে দুয়েকবা� ভাবছ� এইগুলা ডিফারেন্� সি� (মানে � গ্যাপটাক� সিনব্রেক মন� করছি)� আম� ইউজ্যুয়াল� এগুল� নিয়� কথ� বল� না বা� এই জিনি� পড়ত� অস্বস্তি বো� করাইছে দেখে বললাম। এইটা কোনো এক্সপেরিমেন্� কিনা জানিনা তব� আমার ক্ষেত্রে অস্বস্তি লাগছে। এর মানে এই না যে এইসব বই বিক্রিতে কোনো ইম্প্যাক্ট রাখব� কিন্তু বই যেহেতু শখের জিনি� তো এইটা পাঠকের জন্য কমফোর্টেবল হওয়� উচিত� সো বুকস্ট্রী�, দেখে� ম্যাক্সিমা� পাঠক কী বল�, যেইট� বল� সেইট� শুইনেন প্লিজ। আর একটা ব্যাপা�, আপনাদে� বই ভালো ছাড়� পাওয়া যায় সারাবছরই সেইট� জানি, তব� সে� হিসে� করলে� আমার কাছে মন� হইছে ১২� পেজে� একটা বইয়ের জন্য মুদ্রি� মূল্� ৪০� টাকা বেশি হয়ে গেছে� এইটা একটু কমান� যায় কিনা দেইখেন� এছাড়া প্রোডাকশনে� এন্ড থেকে বাকিসবএকদমঠিকঠাক�
শব্দ নিয়� একটা সিনেমা দেখেছিলা� "� কোয়াই� প্লে�" যেখানে অদৃশ্য � ভয়ঙ্ক� দানবের� শব্দের প্রত� সংবেদনশী� এব� সামান্� আওয়াজ পেলে� আক্রমণ করে। তা� মানুষক� নিঃশব্দে বেঁচ� থাকত� হয়। 'অনামিক� চু�' যে তারই আদলে লেখা - একদম� তা� নয়। সেটা বলছি� না� বর� গল্পের উৎপত্ত� � শব্দকে ঘিরেই।
তানজী� রহমানক� এক্সপ্লো� করলে দেখা যায় - লেখক বরাবরই গল্প দাঁড� করায� ব্রিলিয়ান্ট সব কনসেপ্� এ। 'অনামিক� চু�' সে কনসেপ্� এর দারু� এক্সিকিউশন� তব� গল্পের শুরু ভালো হলেও মাঝে গিয়� শ্লথ লাগছিল� এছাড়া জাপানি� কিসিমে� উদ্ভ� উদ্ভ� সব চারিত্রি� বর্ণনা গুলোয় ভয� পেয়েছ� ভালোই। হুমায়ূন আহমদীয় কায়দা� হিউমার যেটা হর� বইতে বোনা� হিসেবে ছি�, এঞ্জয় করেছি।
তব� মেইন ক্যারেক্ট��� গুলো কনক্রিট। খু� বেশি ঝড� হল� যেমন ছোটো গাছপাল� গুলো অনেকটা অক্ষ� থেকে যায় - এই ক্যারেক্টর গুলো� তেমন� নৃশং� এক একটা ঘটনায় তাদে� হেলদোল কম� সবচেয়� ভালো লেগেছে কাহিনী� সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বইয়ের নাম। 'অনামিক� চু�' - কি অসাধার�!!
সুপ্রাচী� নব্ব� দশকে� অন্যতম সদস্� হিসেবে বইয়ের না� দর্শনমাত্র� প্রথমে মাথায় এল� পপ কি� আজ� খানে� সে� হৃদয� কাঁপান� দরাজ কণ্ঠের সুরেলো কতগুলো লাইনের ছবি।আজ� খা� আজ নে�, নব্ব� দশ� � স্মৃতি বিস্মৃতি� দোলাচলের অতলে হারিয়� যাচ্ছে� শুধু বেঁচ� আছ� রোমন্থনে� রোমাঞ্চক� সেইস� অনুভূতি।
এহেন রোমান্টি� ধরনে� নামে� বইয়ের শুরুতে প্রত্যাশ� থাকে কোনো প্রনয়ের সূত্রপাতের সমাপনী পরিনয়� অথবা পরিচয়ের রে� ধর� পৃথিবী� এই পান্থপথে একলা চলার মাঝে বনলত� সেনে� মত� তৃপ্তিদায়িনী� অধরা স্বপ্নের তৃষ্ণার্� চাতকের বিহ্বলতা নিয়� এগিয়ে চলার গল্প� লেখক সে সবের কিচ্ছু� ধা� অবশ্� ধারেননি। নিজস্ব ভঙ্গিত� প্রচলি� ভাষায় নির্লিপ্� ভাবে বর্ননা কর� গেছে� আদিমতম অনুভূত� ভয়ে� সাথে প্রাচী� পুরা� মিথে� মিশেলে তৈরি মনোজগতের আনাচ� কানাচে লুকিয়� ছড়িয়� ছিটিয়� থাকা অব্যক্� ইচ্ছ� অবচেতন কামন� অবদমিত ভাবনার বহিঃপ্রকাশ; একটি বাড়� ,তিনট� পরিবারের আগমন পরবর্তী আধিভৌতিক অভিজ্ঞতা� প্রত্যাবর্তন� যেখানে রয়েছে নিয়� ভঙ্গের মাশু� স্বরুপ মূ� বিমূঢ়তা, সঙ্গীহী� মৃত্যু� প্রতীক্ষা আর দৃষ্টি প্রদী� হারিয়� যাওয়া� দন্ড�
শহরে� কোলাহলের কলতানে কাতর প্রানে� আকুত�;নীরবতা� এম� নির্মম পরিহাস নিয়� দাঁড়িয়� থাকা নিকেতনের বাড়িট� আপনাকে প্রথমে সস্তায� মিলে যাওয়া বাসস্থান পাবা� স্বস্ত�, আগামী শান্তিপূর্� দিনে� অদেখ� আনন্দে� মাঝে সর্ত� বানী আর শর্তগুলো কে নেড়েচেড়ে দেখা� সুযো� দিলে� নেহাতই নিরুপায় বা অ্যাডভেঞ্চারের আতিশয্যে আসন্� শিরে সংক্রান্তি� সমূহ সম্ভাবনা� নাকচ করার আক্কেল সেলামী শিক্ষা দেয় চিরায়িত সে� অমোঘ বাণী� সস্তার তি� অবস্থা .
তানজী� রহমানে� এম� এক্সপেরিমেন্টা� লেখাগুলো বরাবরই এক্সপেক্টেশনের পারদ� সিংহভা� প্রত্যাশ� পূরন কর� আসছে অনেক দি� ধরেই� ইবলি�,জ্বী� ঘটিত ঘটনা যাপি� জীবনের সাথে জুড়� দেওয়া� মুন্সিয়ান� সবার থাকে না� লেখক এখান� সার্থক একথা মুক্� কন্ঠ� বলতে বাধা নেই।তব� উইলি� মত� এম� ইঁচড়ে পাকা অকালকুষ্মান্� আমড়� কাঠে� ঢেকি� জন্য উচিত ছি� আর� বেশি শাস্তির। বড� অল্পেই গাধাটা ছাড়� পেয়� গেলো� আফসো�!এই বয়স� এসেও আম্মুর কাছে অহরহ প্রহারের আহার জোটে সামান্যত� ভুলে� বা কখনো কখনো সঠিক হবার কারনেও� মা তো আর লেখক নন,নইলে উইলি� উইশড� নিয়� আলোচনা� বদলে উত্ত� মধ্য� ওর প্রাপ্� হত নিশ্চিত।
উত্ত� পুরুষে বয়া� কর� মূ� চরিত্র, তাঁর স্ত্রী অনামিক� � একমাত্� ছেলে উইলি নিতান্� বাধ্� হয়ে যায় বাসা চেঞ্� করতে� নতুন ভাড়� বাসায় আবার একটু ঝামেলা আছে। নীরবতা� কাম্� এই বাসায়� কারণ শব্দ ৬০ ডেসিবেলে� বেশি হল� ঘটতে থাকে নারকীয় সব ঘটনা�
উপন্যাসে� অনেক জায়গায় হাইলাই� করার মত� কথাবার্ত� আছে। আছ� ব্যাপক সার্কাজম� সে� সাথে ভয়ানক সব ঘটনা� পরও আপাতদৃষ্টিতে কে� বেশিরভাগ চরিত্র এতটা ভাবলেশহী� তা � চরিত্রগুলো সম্পর্কে জানল� কিছুটা বুঝা যায়�
তানজী� রহমানে� যেকো� নতুন বই আমাক� আগ্রহী করে। হর� গল্পের ফাঁকফোঁকড়� তিনি জুড়� দে� অদ্ভুত কিন্তু বাস্তব জীবন� প্রাসঙ্গিক ফিলোসফি। ভয� সৃষ্টি করতে তিনি যে এক ধরণে� তীব্� অস্বস্তি নিজস্ব গল্পকথনে তৈরি করতে পারে� তা প্রশংসনীয়� তাছাড়� তানজীমে� কল্পনাশক্তির শক্তিমত্তা� কম নয়।
'অনামিক� চু�'� আমাদের নিত্তনৈমিত্তিক জীবনের অশ্লী�, আপত্তিকর কিন্তু বাস্তব সত্য যেমন সহজাতভাব� প্রকাশ পায় ঠি� তেমন� পুরা�, কিংবদন্ত�, স্মরনীয় সাহিত্�, আর্টও জ্বলজ্বল� প্রাসঙ্গিকতা পায়�
�.�/� যদিও এই নভেলাট� ভৌতি�, কিন্তু এত� নানা উপাদান যো� কর� আছে। বিশেষত লেখকের হিউমার আলাদ� কর� উল্লেখযোগ্য। সমাজের নানা অসঙ্গত� সুনিপুণভাব� যুক্� কর� হয়েছে�
বছরে� প্রথ� পড়া বই, ডার্� কমেড� মারাত্মক, কিছু হর� সিক্যুয়েন্স আসলে� অস্বস্তি দেয়, বইয়ের মাঝখান� কাহিনী কোনদিক� কি যাচ্ছে একটু এলোমেল� লাগল�, অসাধার� এন্ডিং এর জন্য বইয়ের ছোটখাট� কিছু অপূর্ণতা ভুলে গেলাম।
আপনি যখ� তানজী� রহমানে� বই পড়া� সিদ্ধান্� নিয়েছেন, তখ� মাথায় থাকা প্রয়োজন তিনি স্বাভাবি� কোনো গল্প বলবে� না� তা� প্রতিট� লেখা হয� পরীক্ষামূলক� আর এই পরীক্ষায় ভিন্নধর্মী স্বা� পাঠকদে� পাইয়ে দিতে কার্পণ্য করেন না�
“অনামিকা চুপ� বইটি তেমন� এক গল্প� এই গল্পের মূ� কুশীলব তিনজন। স্বামী, স্ত্রী � তাদে� একমাত্� সন্তান� মঞ্চস্� হওয়� দৃশ্যে আর� অনেকেই আস�, নিজেদে� গুরুত্� বোঝাতে সচেষ্ট হয়। কাহিনি� প্রয়োজন মিটিয়� আবার মঞ্চ থেকে বিদায় নেয়� কে� আবার শে� মুহুর্তে মঞ্চ� আবির্ভূত হয়ে সক� আল� কেড়� নেয়�
মূ� কুশীলবের প্রধান যে, সে একজন কব� � চিত্রশিল্পী� একটি বিজ্ঞাপন সংস্থায় কা� করে। স্ত্রী � সন্তানকে নিয়� স্বাভাবি� বসবা� তার। কিন্তু সমস্যা বাঁধায� তা� বাড়িওয়ালা। ঢাকা� বাড়িওয়াল� � তাদে� সন্তানদে� বেখেয়াল� চরিত্র ভাড়াটিয়াদে� যাবতীয় কষ্টের কারণ� এই যেমন গল্পের মূ� চরিত্রকে হু� করেই তা� বাড়িওয়াল� বাসা ছেড়� দিতে বলে। কারণ হিসেবে দেখায়, তা� মেয়� বিড়ালের ব্যবসা করবে� বিদে� থেকে বিড়াল আমদানি করার পর এখানেই রাখবে। ফল� তাদে� জায়গা ছেড়� দিতে হব�
কী আর করার! অগত্যা বাসা খুঁজতে যাওয়া� এই বিলাসবহু� শহরে কম খরচে ভালো বাসা ভাড়� পাওয়া যুদ্� জয়ে� শামিল। সে� যুদ্ধই যে� হু� কর� জিতে নিলো প্রধান চরিত্র� একটা বাড়ির সন্ধান পাওয়া গিয়েছ�, যা� বাসা ভাড়� অত্যন্� কম� কিন্তু সমস্যা অন্যখানে� সে� বাসাতে কে� টিকত� পারে না� ভূ�, প্রে�, জী� � কিছু একটা আছ� সেখানে� যাদে� সাথে বা� করতে চাইল� কিছু শার্� মানত� হবে।
কোনো মানুষক� যদ� আপনি কথ� বলতে দিতে না চা�, তাহল� কেমন হব�? সঙ্গী� সাথে কথ� না বল� কে� থাকত� পারে? কিন্তু ওই বাসায় থাকত� গেলে ৮০ ডেসিবলের বেশি শব্দ কর� যাবে না� করলে� সমূহ বিপদ� এই সমস্যা সমাধানের একটি উপায� ঠিকই পাওয়া গেল। স্বামী, স্ত্রী বা সন্তান� কে� কারো সাথে কথ� বল� না� যোগাযোগে� মাধ্যম? মোবাইল� মেসেজিং।
কিন্তু কতকা�? কোনো একসময় তো ভু� হতেই পারে! আর এই ভুলে� মাশু� দিতে হল� বীভৎ� কিছু ঘটনা� মধ্য দিয়ে। শিরদাঁড়� বেয়� ভয়ে� শীতল স্রো� নেমে আসে। কিন্তু যে অতিপ্রাকৃত শক্তির কবলে ওর� পড়েছে সেখা� থেকে পরিত্রাণের উপায� কী?
একের পর এক ভয়ে� ঘটনা ঘট� শুরু করেছ�, যা বীভৎসও বট�! কিন্তু সেখা� থেকে বাঁচবে কীভাবে? উপায� একটা পাওয়া গে� অবশেষে� তালি� শা নামে� এক ব্যক্তিক� খুঁজ� পে� ওরা। কিন্তু শেষে যখ� তা� পরিচয় জানা যায়, বিশ্বা� কর� না কর� একান্ত� নিজস্ব� যেখানে বাস্তবতা � অবিশ্বাসের এক দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। যে দ্বন্দ্ব� ভৌতি� বা অতিপ্রাকৃত বিষয়ক� থামিয়� দেওয়া� উপায� কতটা জোরালো হব�?
শেষে� কথাট� আগ� বলি। “অনামিকা চুপ� বইটি� শেষট� এত বেশি চমকপ্র�, অবাক করার মত� যে লেখকের তারি� এখান� না করলে অপরা� হবে। এমনভাব� ভাবা যায়, সেটা হয়ত� কারো মাথাতে� আসবে না� লেখক সে� কাজট� অত্যন্� দক্ষতা� সাথে করেছেন� বিচ্ছিন্� কিছু ঘটনা � রহস্যে� মাঝে যে প্রশ্ন ছি�, মিসি� পাজল ছি�; সবকিছু� যোগসূত্র মিলিয়েছেন শেষে এসে। ফল� বইয়ের মা� অংশে যে মিশ্� অনুভূত� ছি�, সেটা বইটি শে� করার পর তৃপ্তিদায়� অনুভূতিত� ছেয়� গিয়েছে।
তানজী� রহমানে� লেখনশৈলী অত্যন্� চমৎকার� সাবলী� বর্ণনাভঙ্গি। তিনি যেহেতু পরীক্ষামূলক একটি লেখা পাঠকের সামন� তুলে ধরতে চেয়েছেন, সেহেতু গল্প বলার ধরনে ভিন্নত� আছে। উপন্যাসিকা� প্রধান চরিত্র এখান� নিজে� গল্প বলে। নিজে� গল্প, স্ত্রী� গল্প, সন্তানের গল্প, অন্য সবার গল্প� পরিস্থিত� নিজে� দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যম� তুলে ধরে। যেহেতু উত্ত� পুরুষে বর্ণিত � লেখা, সেহেতু আমরা যেভাবে কোনো ঘটনা বর্ণনা কর� লেখক সেভাবে� লিখেছেন। সংলাপে� পরিমাণ খুবই কম� অবশ্� নিজে� কথ� লেখাতে সংলা� নির্ভর লেখা� লেখক লিখত� চানন� বোধহয়� আর এই বিষয়ট� আমার ভীষন পছন্� হয়েছে�
বই পড়ত� পড়ত� অনেক জায়গায় মন� হব�, আর� বিস্তারি� হয়ত� হত� পারত� অনেক অংশে মন� হব� এই প্রশ্নের তো উত্ত� পাওয়া গে� না� তব� ব্যক্তিগতভাব� আম� মন� কর� ছো� এই ধরনে� উপন্যাসিকায় কিছু বিষয� পাঠকের ভাবনার উপ� ছেড়� দেওয়া যৌক্তিক। এত� এক ধরনে� ঘোরলাগ� কা� করে। সমাপ্তির পর� এর রে� থেকে যায়� প্রশ্নগুলো মাথা� মধ্য� ঘুরপাক খায়�
বইটিতে এম� অসংখ্য বাক্� আছ�, যেগুলো কোটেশন হিসেবে ব্যবহা� কর� যায়� লেখকের লেখা� ভাবনাটাই এমন। এছাড়া বইতে এম� অসংখ্য দর্শ� আছ�, যেগুলো ভাবনার পরিস্থিত� তৈরি করবে� দে� � দেশে� বাইরের পরিস্থিতিক� গল্পের মধ্য� দিয়� লেখক দারুণভাব� ফুটিয়� তুলেছেন। বে� কিছু সিনেমা, চরিত্র, চিত্রে� রেফারেন্সে� পাশাপশ� লেখক নিজস্ব ব্যাখ্যা দিয়েছেন, সেসব বইটিকে অন্য মাত্রা দিয়েছে। সিরিয়াস মুহূর্তে লেখকের হিউমারের প্রশংস� করতে� হয়। বইয়� ভিন্নত� আনতে, আকর্ষণীয় কর� তুলত� এগুল� বে� জরুরি।
সে� সাথে মানুষে� মনস্তত্ত্বের এক অন্যরক� দি� লেখক উন্মোচ� করেছেন শেষাংশে। এখান� কাউক� অতিমান� দেখানো হয়নি। এম� পরিস্থিত� যে ক্ষতির কারণ হত� পারে বইটি তা� চাক্ষু� দৃষ্টান্� উপস্থাপন করেছে। আর শেষট� নিয়� তো বললামই! এম� ব্যতিক্র� সমাপ্তির পর আর কোনো অপূর্ণতা থাকে না�
সম্পাদনা বা ছাপা� ভু� বইটিতে ছি� না বললে� চলে। আমার চোখে অন্ত� পড়েনি� তব� সেটআপে� ক্ষেত্রে চারিপাশে বে� জায়গা ছেড়� দেওয়া আর ফন্ট বৃদ্ধি ঠি� পছন্� হয়নি। বইটি� সবচেয়� ইউনি� বিষয� প্রচ্ছদ। সিম্পল, তারপরও অসাধারণ। কে� অসাধার�, সেটা বলতে পারব না� কিন্তু দেখত� ভালো লাগে� বুকস্ট্রিটের বাঁধাই এমনিতে� দুর্দান্ত। � নিয়� বেশি কিছু বলার প্রয়োজন নেই।
পরিশেষ�, একজন লেখকের সার্থকতা কোথায় জানে�? তিনি একটি ভয়ে� দৃশ্� পাঠকের সামন� উপস্থাপন করবেন। সেটা পাঠক� অনুভ� করছে� আর এই অনুভূতিত� গা শিরশির করছে� কী হব�, সেটা জানা� তীব্� কৌতূহলের পাশাপাশি ভয� ধরান� অনুভূত� হয়। কোনো অঘটন ঘটবে না তো? মূ� চরিত্রগুলোকে নিরাপদ� রাখা� আকাঙ্ক্ষ� মনকে ঘিরে ধরে। কিন্তু পৃষ্ঠা� এপাশ� থাকা পাঠকের কী-� বা করার আছ�? সবকিছু তো কেবল লেখকের হাতে�
পড়াশোনা� চা� যখ� গলার কাছে ছুরি ঠেকিয়� ধরেছ�, তখনই একদি� জনৈক বইবন্ধ� আমাক� এই বইয়ের খোঁজ দেয় � এই মানু� আমাক� হর� সাজেস্� করেছ� আর পড়ে ভাল্লাগেনি এমনট� এখনো হয়নি। কাজে� চো� বন্ধ কর� নিয়� নিলাম। বই হাতে পাওয়া� কয়েকদিন পর অল� এক সকালবেলায়, বইটা খুলে বসলাম। পড়ত� পড়ত� মন� হল�, এই বই আমার জন্যেই লেখা � নিকেতনের সে� বাড়ি—যেখান� নীরবতা আই�, শব্দ এক প্রকার অপরাধ—এমন একটা জায়গা� তো আমার স্বপ্ন� উচ্চ শব্দ আমার একদম� পছন্� না, চট কর� ট্রিগারড হই, আর সে� কারণ� ভূতে� আনাগোন� বা� দিলে এই বাড়িট� আমার পারফেক্ট ঠিকানা হত� পারত�
গল্পটা শুরু হয� ঢাকা� পরিচিত বাসা ভাড়� সংকট দিয়ে। ১০ দিনে� নোটিশে বাসা ছাড়ার তাড়�, আর এর মধ্যেই এক কলিগের মাধ্যম� কম ভাড়ায� একটা "ভূতুড়� বাড়�"� সন্ধান� পরিবারের সঙ্গ� সেখানে ওঠার পর শুরু হয� নীরবতা� মাঝে জম� থাকা গা ছমছম� এক অভিজ্ঞতা� লেখকের লেখা বরাবরে� মতোই একটা ধোঁয়াশা তৈরি করে। এট� কি আসলে� হর�, নাকি কমেডির ঢঙ� মিশে থাকা জীবনের গল্প? “ভাড়া কম কে�? ভূ� কি ভাড়ার কিছু অং� দেয়?”—এমন সব প্রশ্ন হাসায়, কিন্তু হাসি� পরেও একটা ঠাণ্ডা শিহর� টে� পাই।
তানজী� ভাইয়ে� লেখা� যে বিষয়ট� আমাক� বরাব� মুগ্� কর�, তা হল� তা� গল্প� থাকা ডিটেইলিং� তা� কল্পনা� ভেতর� আপনি ঢুকবেন, আর বেরোতে চাইবেন না� এই গল্পেও এক� জাদু� কিন্তু গল্প যত এগোয�, তত� হাসি� খোলসটা খুলে পড়ে� শেষে� মোচড�? চু� হয়ে যেতে বাধ্� করবে�
শামসুল সাহে� আর অনামিকার চরিত্র নিয়� আর� গভীরতায� যাওয়া যেত। অনামিকার চুলচের� বিশ্লেষণ আর অস্বাভাবিক পরিস্থিতিগুলোক� বাস্তবতা� চোখে দেখা� ক্ষমতা অসাধার�, কিন্তু তাকে যে� আর� একটু সময় দেওয়া� দরকা� ছিল।
লেখা� গো�, বড� হর� আর মিউটিলেশ� অংশগুল� চমকপ্র� হলেও হর� এলিমেন্ট এত ঘনঘন এসেছ� যে কোথা� কোথা� একটু জো� কর� চাপিয়� দেওয়া মন� হয়েছে�
আরেকটা জিনি� হল� শেষে� দিকে যে দুটো পার্শ্� চরিত্র আস�, তাদে� পরিচয়টা ধোঁয়াশা� এদের একটা ব্যাকস্টোর� পাওয়া গেলে, গল্পটা হয়ত� আর� মুখরোচ� মন� হতো।
তবুও, এট� তানজী� ভাইয়ে� লেখা� লেপে� তলায� শুয়� শুয়�, ট্রাফি� জ্যামে আটকা পড়ে, কিংব� রিডার্� ব্লক কাটানো� জন্য এম� বই খোঁজ� হয়। এই তি� ক্যাটাগরির কোনটায� আপনি থাকল� পড়ে ফেলত� পারে� ঝটপট� আর হ্যা�, সবসময় মন� রাখবেন, কথায� বিপদ, নীরবতায় নিরাপদ!
ভয� পাবো নাকি হাসব�? তানজিম রহমা� এর লেখা আমার বরাবরই ভা� লাগা� কারণ তা� এক্সপেরিমেন্� করা। আর এক্সিকিউশন টা সুন্দর হওয়ার কারণ� বই খু� উপাদেয� হয়ে যায়� ফেলুদা� ভাষায় আনপুটডাউনেবল�
ভৌতি� গল্পের সবচে দূর্বল দি� হলোঃ লেখক জো� কর� পাঠক কে ভয� দেয়ার জন্য ঘনঘন উদ্ভ�, বিকৃ� ঘটনা� বিবর� প্রত� চা� - পাঁচ লাইন শেষে এন� হাজি� কর�, এখানেও এক� ব্যপার ঘটেছে। তব� বিরক্তির দি� থেকে "নিরকুণ" কে পরাস্ত করতে না পারায় লেখক কে ধন্যবাদ।
হর� সিনেমা� একটা কম� ব্যাপা� সবাই জানেন। স্বামী, স্ত্রী, সন্তান নতুন বাসায় উঠবে� এরপর সেখানে অস্বাভাবিক কিছু ঘটবে� কিন্তু তারা সেটাকে ড্যা� কেয়ার কর� সেখানে� বা� করবে� এরপর ঘটনা আর� খারাপে� দিকে যাবে� ধীরে ধীরে টন� নড়ব� কিন্তু ততক্ষণ� ক্ষত� যা হওয়ার হয়ে যায়� এই দুনিয়ায� কত ধরনে� শক্ত� আছ� আমরা যা স্বচক্ষে দেখি না� সত্য মিথ্যা� মাঝে সূক্ষ্� এক দেয়াল আছ� যেখানে আমাদের প্রবেশ নেই। তব� মাঝেমধ্য� সে� সূক্ষ্� দেয়ালের সাথে আমাদের মোলাকা� হয়ে� যায়� কব� সাহে� তা� স্ত্রী অনামিক� আর পুত্� উইলিকে নিয়� ভালো� দি� কাটাচ্ছিল। হু� করেই উপদ্রব এলো। বাড়ীওয়ালা� লাডল� নতুন শখ করেছ� বিড়ালের ব্যবসা করবে� এজন্� জায়গা লাগব� বিধায় কব� পরিবারকে এই মাথা গোজা� স্থানট� ছেড়� দিতে হবে। কী কর� আর? অগত্যা এই বাসা ছাড়তে� হবে। কিন্তু ঢাকা শহরে এম� নোটিশে বাসা মেলা এত� সহ� না� কিন্তু কাকতালীয়ভাবে সে� কাজটাই কবির জন্য সহ� হয়ে গেলো� কম ভাড়ায� একটা বাসা পেয়� গেলেন। কারণ? বাসায় কিছু দো� আছে। সে� বাসায় থাকত� মেনে চলতে হব� চারট� শর্ত� অন্যতম শর্ত অবশ্যই ৬০ ডেসিবলের উপরে শব্দ কর� যাবে না� বাসায় থাকা অদৃশ্য তেনা� শব্দ পছন্� নয়। এই ক্ষেত্রে স্বাভাবি� মানু� বাসা ভাড়� না নিয়� আবার খোঁজ চালাতো� কিন্তু কব� হর� সিনেমা� চরিত্রদে� মতোই বাসাটা ভাড়� নিলেন। অদ্ভুত হয়ে গেলো তাদে� জীবন� একত্রে আছ� কিন্তু তারা জোরে কথ� বল� না� কথ� হয� মেসেজে, শব্দ কত হয� সেজন্য শব্দ মাপা� অ্যা� ব্যবহা� করে। কাহাতক সহ্য হয� এড�? একদি� ভু� ক্রমেই নিয়মে� ব্যতিক্র� হল� আর যা হওয়ার তা� হলো। তিনি চট� গেলেন। তারা ভয়ানক, ব্যাখ্যাহী� সব ঘটনা� সম্মুখী� হত��� লাগলো। বাড়� থেকে বেরিয়েও তা� নিস্তা� হচ্ছিল� না� এমতাবস্থায� তারা এর সমাধানের চেষ্টা করে। এরমধ্যেই তাদে� একমাত্� সন্তান উইলি হারিয়েছ� এক চোখ। তালি� শা নামক একজনকে খুঁজ� পায়� যাকে দেখল� জ্বি� পলায� যায়� সে এস� তেলেসমাত� সব কথ� বলতে লাগলেন� শুরু হল� অদৃশ্য সে� দানবকে ধরার কাজ। সে� সাথে তাদে� সামন� হাজি� হল� এম� এক সত্য যা� প্রতিক্রিয়া দেখানো� কোনো উপায� নেই। এও সম্ভ�? আসলে� কি এমনট� সত্য? কিছু� বলার নেই। কারণ, ❛অনামিকা চু�!�
পা� প্রতিক্রিয়া:
❝অনামিকা চুপ❞ তানজী� রহমানে� লেখা অতিপ্রাকৃত ভৌতি� বই� লেখকের বই সংগ্রহ� থাকলেও ভয়ে পড়িনি� ❛অক্টারিন❜ বইটা থাকলেও শুনেছি এট� নাকি অনেক ভয়ের। সঙ্গ� কারণেই বেশি ভয়ে� বই এড়িয়� চলি। এই বইটা প্রচ্ছ� দেখে ভালো লেগেছে বিধায় পড়া� আগ্র� তৈরি হয়েছিল। বইটা পড়া� আগ� কী বিষয� আশয় বইয়ের সেটা নিয়� বিন্দুমাত্� ধারন� ছি� না� থাকল� রা� বিরাতে বইটা ভুলে� পড়তাম না� লেখক বে� ভিন্� ধাঁচের লেখা লেখেন। এই বইটা� তেমন� গল্পটা শুরুতে একঘেঁয়ে লাগছিল� গতানুগতি� ভৌতি� বইয়ের মতোই লাগছিল� এরপর যখ� গল্প তা� পরিধ� বড়ো করলো তখ� বে� আগ্র� নিয়� পড়ছিলাম� উত্ত� পুরুষে বর্ণিত গল্প� লেখক মূ� চরিত্র কব� সাহেবক� দিয়েই সব কিছু বলিয়েছেন। তা� অভিজ্ঞতা, আচরণ আর আশপাশে কথ� বর্ণনা হয়েছে� ভালো লেগেছে ধরন। গল্প যত� এগিয়ে যাচ্ছিলো আম� ভাবছিলাম এট� হয়ত� শেষে বাইরের জগতে� কিছু দিয়� সমাপ্ত� হবে। এম� আশ� নিয়েই পড়ে গেছি� লেখকের বর্ণনাভঙ্গ� প্রশংস� করার মত� এব� একইসাথ� শিউর� ওঠার মতো। শেষে� দিকে� বর্ণনাগুলোতে আম� যারপরনাই ভয� পেয়েছি। দৃশ্যগুল� কল্পনা করার মত� সাহস করিনি। মধ্যরাতে এই বই পড়ত� গিয়� মানসিক চা� পেয়েছি। রাতে না পড়ল� অবশ্� এম� লাগত� না হয়তো। বইটা ভয়ে� অনুভূতির পাশাপশ� বে� কিছু গভী� শিক্ষা� দেয়� গল্পের আদলে লেখক দার্শনিক জাতীয় কিছু উক্ত� দিয়েছেন� যা� সাথে আসলে� বাস্তবের মি� আছে। কিছু জায়গায় বে� মজার বর্ণনা� করেছেন� যেগুলো হাসি� উদ্রেক করেছে। ওখান� তিনজ� (অথবা চা�) লেখকের রূপক না� ব্যবহা� করেছেন� তাদে� দিয়� তৈরি গল্পের প্লট গুলো বে� লেগেছে� লেখকের লেখায় কমার কম ব্যবহা� পড়ে মন� হয� তা� থেকে তিনি ❛আর❜ শব্দের ব্যবহারে বেশি আরাম পান। বাক্যে� মধ্য� এই শব্দের বহুল ব্যবহা� পড়ত� কিছুটা বিরক্ত� লাগছিল� শেষট� অবশ্যই হতবা� করেছে। শেষে� দৃশ্� এম� হব� যা� সাথে হেলায় আস� কিছু চরিত্রের কথার সংযো� থাকব� এমনট� ভাবিনি� শেষে এস� মু� হা হয়ে যাওয়া অনুভূতিই হয়েছে� আসলে� কি তা�? পুরো গল্পের চুম্বক অং� শেষটাই� ভয� পেলে� গল্পটা বেশ। আমার মন� হয� শেষট� এম� না হল� পুরো বইটা পড়া� অভিজ্ঞতা আমার খু� একটা ভালো হত� না� তব� সমাপ্ত� যে হল� গল্পের ঘটনায় সেটা� কি শে� নাকি ভারিক্কি ভাষায় বললে, ❛begining of the end!�
প্রচ্ছ�, প্রোডাকশ�:
প্রচ্ছদক� এক বাক্যে বলতে গেলে বলতে হব� ❛সিম্পলে� মধ্য� গর্জিয়াস❜� বইটা ১২� পৃষ্ঠা� হলেও মন� হয়েছে লাইন, স্পে�, ফন্ট ঠিকমতো দিলে আর� কম হতো। এক্ষেত্র� এক� মোটাদাগে উপন্যা� বল� যাচ্ছে না�
❛প্রকৃতিতে যা ঘট� তা� সবকিছু� ব্যাখ্যা থাকে না� খালি চোখে যা দেখা যায় তা� ভেতরের রহস্� কখনো জাগতিক বিষয� বদলে দিতে পারে� সমাধান অনেক সময় সমস্যা বয়ে আনে। দেখা গেলো জ্বলন্� উনুন থেকে ফুটন্ত কড়াইয়ে গিয়� পতিত হত� হয়েছে!�
রিডি� ব্লক যাচ্ছে� তা� ওপরে এই জনরা� বই পড়া� অভ্যাস নেই। কিন্তু প্রচ্ছ� দেখে এত� ভালো লাগল যে অর্ডার দিয়� ফেললাম� আজকে হাতে পেয়� আজকে� পড়ে ফেললাম� ফল�: এট� বোঝা� যাচ্ছে বইটা পড়ে আরাম পেয়েছি। হর� গল্পের সে� আপ যেমন থাকা� কথ�, একটা বাড়�, বাড়িক� ঘিরে রহস্�, একটা পরিবার গল্পটা তেমনই। আমার যেটা ভালো লেগেছে সবচেয়� লেখকের গল্প বলার নির্লিপ্� স্টাইল� অনেক বড� ঘটনা ঘট� যাচ্ছে কিন্� কথ� নির্লিপ্ত। নামে� সাথে যায় বটে।
কিন্তু প্রকাশ� যেটা করেছেন প্রচুর স্পে� দিয়েছেন� বইয়ের পাতা বেড়েছ�, দা� বেড়েছে। এই ধরনে� মেকাপে� কারণটা ঠি� ধরতে পারলাম না�
নিকেতনের ভিতর� এই বাসাটা� ভাড়� খুবই কম� বাড়তি কোনো ঝামেলা� নেই। শুধু একটা� শর্ত বাসায় কোনো শব্দ কর� যাবে না� শব্দ করলে আসতে পারে ভয়ানক কিছু�
উইয়ার্ড ফিকশ� এর আগেও পড়া হয়েছে� এস� বইয়� আগামাথ� থাকে না, স্রে� উপভো� কর� যেতে হয়। তানজী� রহমানে� অনামিক� চু� তেমন� একটা উইয়ার্ড ফিকশ� বল� যায়� মোটাদাগে বইটা হরর। না� শুনে তেমনটা মন� হয� না, তা� না? বইটা� নামকরণের স্বার্থকতা খুঁজতে গেলে গোটা বইটা পড়ত� হবে। এব� তারপরে� আপনি সেইট� খুঁজ� পাবে� না 🥴!
গল্পকথকে� পয়েন্� অফ ভি� থেকে উদ্ভ� সব ঘটনাবলী দিয়� বইয়ের কাহিনি এগিয়ে গিয়েছে। দশ দিনে� নোটিশে বাড়� বদলাতে বাধ্� হয়ে কম দামে পেয়� স্ত্রী এব� একমাত্� ছেলে সহকারে এক ভূতে� বাড়িত� গিয়� উঠ� গল্পকথক। ছেলে� না�? উইলি!! আর স্ত্রী'� না� অনামিকা। এরপর কীভাবে একের পর এক ভয়াবহ ঘটনা ঘট� তাদে� সাথে, সেটা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া� উপায� খুঁজতে গিয়� তারা কোথায় কোথায় যায় এস� টিপিক্যা� কাহিনি, কিছু মেটাফো� আর কিছু ট্রিবিউট দিয়� বইটা সাজানো�
বইটা পিচ্চি, এট� নিয়� বলার মতোও বেশিকিছু নাই। কারণ বললে আর পড়ে মজ� পাবে� না� আমার কেমন লাগছ� সেইট� বর� বলি। এক কথায� ভাল্লাগছে। বইটা� মজাট� এর লিখনশৈলীতে� তানজী� রহমানে� উপ� হঠাৎ করেই যে� জাহি� হোসে� ভর করেছিলেন!! অনেকটা সেরকমই ক্ষ্যাপাটে লেখা� মন� হব� যে� একটা মাথা আউলে যাওয়া লো� এলোমেল� কিসব ঘটনা শুনিয়� যাচ্ছে আমাদেরকে!! তব� পাশাপাশি তানজী� রহমানে� নিজস্ব কাব্যি� স্বকীয়তা� রয়েছে� গল্প� যেসব ভৌতি� সিকুয়েন্স এসেছ� সব�'টা� বে� ডিটেইল�, কিছুক্ষেত্রে আনকম� এব� অত� অবশ্যই ভয়ংকর� কিছু হাস্যক� এলিমেন্ট� আছ�, যা� বেশিরভাগটা� বইয়ের শুরু� দিকে� আছ� গোয়েন্দার মত� এখান থেকে ওখান� ছুটে বেড়ানো। মোদ্দাকথ� পড়ত� গিয়� উদ্ভ� লেগেছে, আউলা-ঝাউল� লেগেছে, কিন্তু বিরক্ত লাগেনি�
তব�, ভয়াবহ সব ঘটনা ঘট� চলেছ� অথ� চরিত্রদে� মাঝে কোনো হেলদোল না�, কেমন যে� নিস্পৃ� ভা�! এমনকিছ� আমরা পড়ে অভ্যস্� নই� কারেক্টারাইজেশ� ধরতে গেলে তা� বেখাপ্পা লাগত� পারে কারো কাছে� ব্যক্তিগতভাব� আমার আক্ষেপটা হল� বইয়ের ব্যপ্ত� নিয়ে। বইটা আর� বড� পরিসরে হল� ভালো হতো। হর� সিকুয়েন্সগুলা ভয়ানক নিঃসন্দেহে, কিন্তু সেগুলা চল� এসেছ� একেবারেই হু� করে। আর� ভালোভাবে একটা ভূতুরে পরিবেশ তৈরি কর� এরপর ঘটনাগুলো ঘটলে, পাঠক হিসেবে আরেকটু চমকে যেতা� বা অনুভ� করতে পারতাম� একমাত্� উইলি� নানা� বাড়ির খাটে� নিচে� অংশটাই কিঞ্চি� ঘাবড়ে দিতে পেরেছে আমাকে।
তব� বইটা� এন্ডিং ভাল্লাগছে। কারো কাছে সেটা� উদ্ভ� লাগত� পারে� কিন্তু তালি� শা এর পরিচয় দিয়� বে� একটা চম� দিয়েছেন লেখক� আর হ্যা, এই বইতে দেখি নসিব পঞ্চ� জিহাদী� মত� নি� সার্কেলে� কয়েকজ� লেখকের নামধাম কিঞ্চি� বদলে দিয়� একটা মদ বিনিময� সভ� রেখেছে� তানজী� রহমানও� বিষয়ট� একটু বেশি কম� হয়ে যাচ্ছে�
ব্যক্তিগ� রেটি�: ০৭/১০ (সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ সিরিয়াস মু� এব� সিরিয়াস মাইন্ড নিয়� এই বই পড়ত� বস� নিষিদ্�)
প্রোডাকশ�: বইয়ের প্রোডাকশ� দারুণ। তব� বাড়তি স্পে� আর মার্জি� দিয়� পেইজ সংখ্যা বাড়ানোর ব্যাপারট� ভাল্লাগে নাই। প্রচ্ছদট� আনকম� এব� বে� ভালো লেগেছে� বানা� ভু� তেমন চোখে পড়ে নাই। আর হ্যা বইয়ের দামটাও কিছুটা বেশি মন� হয়েছে�
প্রবাদটি� মর্ম হাড়� হাড়� টে� পেলাম। 'অনামিক� চু�' বইটা কিনেছিলা� প্রচ্ছ� দেখে� প্রচ্ছদট� এতোই ইউনি� লেগেছিলো যে সাতপাঁ� কিছু না ভেবে� কিনে ফেলেছিলাম। কিন্তু, এই গভী� রাতে বইটা শে� করার পর� আম� রীতিমত� বিরক্ত�
বইটা� গল্প হচ্ছ�, এক দম্পতি তাদে� ছেলেকে নিয়� নতুন একটা বাড়িত� উঠে। যে বাড়িত� জ্বি� ভূতে� উপদ্রব রয়েছে� মডার্ন ফ্যামিলি হওয়ায� জেনেশুনে� তারা এই বাড়িত� উঠ� যায়� সমস্যাটা শুরু হয� তারপ� থেকেই। জ্বি� ভূতে� উপদ্রব� তাদে� জীবন একদম� ওষ্ঠাগত। এরপর তারা খুঁজ� চল� এই জ্বিনে� হাতে� থেকে মুক্তি পাবা� উপায়।
গল্পটা শুনে হয়ত� ভালো লাগত� পারে� তব�, আসলে আমার কাছে নিরে� অখাদ্যের কাছাকাছি� মন� হয়েছে� কিছু জায়গা ভালো লেগেছিলো তা� একদম পুরোপুরি অখাদ্য বলছি না� তব�, নিরে� অখাদ্যের খুবই কাছাকাছি� জাম্পস্কেয়া� টাইপ জিনিসপাত� হলেই চলবে টাইপ মানুষে� কাছে এই বই ভালো লাগত� পারে� আম� বে� কষ্টেই শে� করেছি।
সবমিলিয়�, বইটা পড়া� পর� আমার মেজা� ভালো� খিঁচড়� গেছে� এত� রাতে এরকম বই পড়ে ঘুমাতে যাওয়া আসলে� বিরক্তিকর। এই বইয়ের ব্যাপারে আর কিছু বলতে� ইচ্ছ� করছে না� 'অনামিক� চু�'-এর মত� আমার� চু� হয়ে যাওয়াটা� বেটার। শুভরাত্র�!
কখনো কখনো এম� কিছু বই আস�, যা পড়ত� পড়ত� গা শিউর� ওঠ�, আবার হাসতেও হয়। অনামিক� চু� ঠি� তেমন� এক বই� গল্পটা এক অদ্ভুত বাড়িক� কেন্দ্� কর�, যেখানে বাসিন্দাদে� চুপচাপ থাকত� হয়। শব্দ করলে� ভয়ংকর কিছু ঘট� যায়� সে� ‘কিছু� কী?, সেটা যে ভয়াবহ, সেটা� প্রমাণ পাওয়া যায় একের পর এক ঘটনা� ভেতর দিয়ে। লেখক এক অজান� আতঙ্কক� পাঠকের মনের মধ্য� ঢুকিয়� দে�, যে আতঙ্� ঠি� চোখে দেখা যায় না, কিন্তু অনুভ� কর� যায়�
বইটা নিছক হর� নয�, এর মধ্য� একটা বিচিত্� রসবো� আছ�, যা পুরো অভিজ্ঞতাকে আর� অসাধার� কর� তোলে� এত অন্ধকারাচ্ছন্ন এক গল্পের মধ্য� থেকে� লেখকের হিউমার সেন্� দারু�! জায়গায় জায়গায় এম� সব সংলা� আছ�, যা পড়ত� পড়ত� শিউর� উঠলে� হেসে ফেলত� হয়। মন� হয� যে� ভয� আর রসিকতা পাশাপাশি হা� ধর� চলেছে।
আর একটা দারু� ব্যাপা� হল�, বইয়ের মধ্য� বিভিন্� পরিচিত লেখকের না� ‘ইস্টা� এগ� হিসেবে ঢুকিয়� দেওয়া হয়েছে! এর মধ্য� সবচেয়� মজার ছি� ওয়াফি হামি� চরিত্রটি, যিনি একাধার� ডাক্তা�, লেখক এব� চায়ের পাঁড� ভক্ত� যদ� পরিচিত লাগে, সেটা স্বাভাবিক—কার� তিনি আসলে লেখক ওয়াসি আহমেদে� এক কাল্পনিক সংস্কর�! লেখকের এই সূক্ষ্� রেফারেন্সগুল� বইটাকে আর� প্রাণবন্� কর� তুলেছে�
আর হ্যা�, একটা ব্যাপা� সত্য� চম� লাগিয়েছ� � জুজুতস� কাইসেন এনিমের উল্লেখ! এম� একটা থমথম� গল্পের মধ্য� কোথায় যে হু� কর� পপ কালচার ঢুকে পড়ব�, কে জানত? প্রধান চরিত্রের ছেলে� জন্মদিনে� পার্টিতে বাচ্চারা যখ� একসঙ্গ� চিৎকার কর� বলছে, “জুজুতসু কাইসেন চালা�! নেটফ্লিক্স� মাইন্ডহান্টা� কে দেখত� চায়?�, তখ� মুহূর্তে� জন্য থমকে গিয়েছিলাম� লেখক এই ছো� ছো� বিষয়গুল� দিয়� বইয়ের বাস্তবতাকে আর� বিশ্বাসযোগ্য আর প্রাণবন্� কর� তুলেছেন।
সব মিলিয়�, অনামিক� চু� দারু� একটা বই� ভয�, রসিকতা আর রহস্� � সবকিছু� মিশেলে তৈরি এক অনন্� অভিজ্ঞতা� হররপ্রেমী পাঠকদে� জন্য অবশ্যপাঠ্য!
আম� সচরাচর বইয়ের রিভি� দেখে বই সংগ্রহ কর� অথবা পরিচিত কারো কা� থেকে বই সম্পর্কে সংক্ষিপ্� ধারণ� নিয়� বই সংগ্রহ করি। (দুইট� বই কিনে ধর� খাওয়া� পর শিক্ষা হয়েছে আর কি)
তব� অনামিক� চু� বইটা� ক্ষেত্রে আম� কারো রিভি� বা পরামর্� নিয়� সংগ্রহ কর� নি� সংগ্রহ করেছ� বইয়ের ব্লার্� দেখে� যা� কারণ� বইটি পড়া� আগ্ৰ� জাগে�
একটি বাড়� চারট� শর্ত একজন জিনিয়াস কয়েকজ� লেখক এর বেশি না বলাই ভালো কথায� বিপদ নীরবতায় নিরাপদ
সুন্দর না ব্লার্� টি? বইটি শুরু করার পর লেখকের লেখনী অসম্ভব ভালো লেগেছে� লেখক লিখেছে� এক লাইন কিন্তু লেখা� গভীরত� ছি� বেশ।
তব� কয়ে� পৃষ্ঠা পড়া� পর বুঝত� পেরেছি বইটি আমার জন্য নয়। আম� হর� জনরা� বই পড়ি না� আমার ভয� লাগে� তা� এই জনরা� বই সংগ্রহ কর� থেকে বিরত থাকি�
লেখকের বর্ননা এতোটাই সুন্দর ছি� যে আমার মন� হয়েছে সব কিছু আমার চোখে� সামন� ঘট� যাচ্ছে� মন� হয়েছে যে আমিও নিকেতন আছি। ভয়ংকর সব কাহিনী গুলো আমার চোখে� সামন� ঘট� যাচ্ছে� ভাগ্যি� রাতে বইটি পড়ত� বস� নি� তাহল� কি হত� আল্লাহ মালুম। তাছাড়� অনেক কিছু জানা হয়েছে বইটি পড়ে� যেগুলো এর আগ� জানা ছি� না�
যারা হর� জনরা� বই পড়ত� পছন্� করেন আশ� কর� তাদে� বইটি ভালো লাগবে।