Sakib A. Jami's Reviews > অনামিক� চু�
অনামিক� চু�
by
by

আপনি যখ� তানজী� রহমানে� বই পড়া� সিদ্ধান্� নিয়েছেন, তখ� মাথায় থাকা প্রয়োজন তিনি স্বাভাবি� কোনো গল্প বলবে� না� তা� প্রতিট� লেখা হয� পরীক্ষামূলক� আর এই পরীক্ষায় ভিন্নধর্মী স্বা� পাঠকদে� পাইয়ে দিতে কার্পণ্য করেন না�
“অনামিকা চুপ� বইটি তেমন� এক গল্প� এই গল্পের মূ� কুশীলব তিনজন। স্বামী, স্ত্রী � তাদে� একমাত্� সন্তান� মঞ্চস্� হওয়� দৃশ্যে আর� অনেকেই আস�, নিজেদে� গুরুত্� বোঝাতে সচেষ্ট হয়। কাহিনি� প্রয়োজন মিটিয়� আবার মঞ্চ থেকে বিদায় নেয়� কে� আবার শে� মুহুর্তে মঞ্চ� আবির্ভূত হয়ে সক� আল� কেড়� নেয়�
মূ� কুশীলবের প্রধান যে, সে একজন কব� � চিত্রশিল্পী� একটি বিজ্ঞাপন সংস্থায় কা� করে। স্ত্রী � সন্তানকে নিয়� স্বাভাবি� বসবা� তার। কিন্তু সমস্যা বাঁধায� তা� বাড়িওয়ালা। ঢাকা� বাড়িওয়াল� � তাদে� সন্তানদে� বেখেয়াল� চরিত্র ভাড়াটিয়াদে� যাবতীয় কষ্টের কারণ� এই যেমন গল্পের মূ� চরিত্রকে হু� করেই তা� বাড়িওয়াল� বাসা ছেড়� দিতে বলে। কারণ হিসেবে দেখায়, তা� মেয়� বিড়ালের ব্যবসা করবে� বিদে� থেকে বিড়াল আমদানি করার পর এখানেই রাখবে। ফল� তাদে� জায়গা ছেড়� দিতে হব�
কী আর করার! অগত্যা বাসা খুঁজতে যাওয়া� এই বিলাসবহু� শহরে কম খরচে ভালো বাসা ভাড়� পাওয়া যুদ্� জয়ে� শামিল। সে� যুদ্ধই যে� হু� কর� জিতে নিলো প্রধান চরিত্র� একটা বাড়ির সন্ধান পাওয়া গিয়েছ�, যা� বাসা ভাড়� অত্যন্� কম� কিন্তু সমস্যা অন্যখানে� সে� বাসাতে কে� টিকত� পারে না� ভূ�, প্রে�, জী� � কিছু একটা আছ� সেখানে� যাদে� সাথে বা� করতে চাইল� কিছু শার্� মানত� হবে।
কোনো মানুষক� যদ� আপনি কথ� বলতে দিতে না চা�, তাহল� কেমন হব�? সঙ্গী� সাথে কথ� না বল� কে� থাকত� পারে? কিন্তু ওই বাসায় থাকত� গেলে ৮০ ডেসিবলের বেশি শব্দ কর� যাবে না� করলে� সমূহ বিপদ� এই সমস্যা সমাধানের একটি উপায� ঠিকই পাওয়া গেল। স্বামী, স্ত্রী বা সন্তান� কে� কারো সাথে কথ� বল� না� যোগাযোগে� মাধ্যম? মোবাইল� মেসেজিং।
কিন্তু কতকা�? কোনো একসময় তো ভু� হতেই পারে! আর এই ভুলে� মাশু� দিতে হল� বীভৎ� কিছু ঘটনা� মধ্য দিয়ে। শিরদাঁড়� বেয়� ভয়ে� শীতল স্রো� নেমে আসে। কিন্তু যে অতিপ্রাকৃত শক্তির কবলে ওর� পড়েছে সেখা� থেকে পরিত্রাণের উপায� কী?
একের পর এক ভয়ে� ঘটনা ঘট� শুরু করেছ�, যা বীভৎসও বট�! কিন্তু সেখা� থেকে বাঁচবে কীভাবে? উপায� একটা পাওয়া গে� অবশেষে� তালি� শা নামে� এক ব্যক্তিক� খুঁজ� পে� ওরা। কিন্তু শেষে যখ� তা� পরিচয় জানা যায়, বিশ্বা� কর� না কর� একান্ত� নিজস্ব� যেখানে বাস্তবতা � অবিশ্বাসের এক দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। যে দ্বন্দ্ব� ভৌতি� বা অতিপ্রাকৃত বিষয়ক� থামিয়� দেওয়া� উপায� কতটা জোরালো হব�?
শেষে� কথাট� আগ� বলি। “অনামিকা চুপ� বইটি� শেষট� এত বেশি চমকপ্র�, অবাক করার মত� যে লেখকের তারি� এখান� না করলে অপরা� হবে। এমনভাব� ভাবা যায়, সেটা হয়ত� কারো মাথাতে� আসবে না� লেখক সে� কাজট� অত্যন্� দক্ষতা� সাথে করেছেন� বিচ্ছিন্� কিছু ঘটনা � রহস্যে� মাঝে যে প্রশ্ন ছি�, মিসি� পাজল ছি�; সবকিছু� যোগসূত্র মিলিয়েছেন শেষে এসে। ফল� বইয়ের মা� অংশে যে মিশ্� অনুভূত� ছি�, সেটা বইটি শে� করার পর তৃপ্তিদায়� অনুভূতিত� ছেয়� গিয়েছে।
তানজী� রহমানে� লেখনশৈলী অত্যন্� চমৎকার� সাবলী� বর্ণনাভঙ্গি। তিনি যেহেতু পরীক্ষামূলক একটি লেখা পাঠকের সামন� তুলে ধরতে চেয়েছেন, সেহেতু গল্প বলার ধরনে ভিন্নত� আছে। উপন্যাসিকা� প্রধান চরিত্র এখান� নিজে� গল্প বলে। নিজে� গল্প, স্ত্রী� গল্প, সন্তানের গল্প, অন্য সবার গল্প� পরিস্থিত� নিজে� দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যম� তুলে ধরে। যেহেতু উত্ত� পুরুষে বর্ণিত � লেখা, সেহেতু আমরা যেভাবে কোনো ঘটনা বর্ণনা কর� লেখক সেভাবে� লিখেছেন। সংলাপে� পরিমাণ খুবই কম� অবশ্� নিজে� কথ� লেখাতে সংলা� নির্ভর লেখা� লেখক লিখত� চানন� বোধহয়� আর এই বিষয়ট� আমার ভীষন পছন্� হয়েছে�
বই পড়ত� পড়ত� অনেক জায়গায় মন� হব�, আর� বিস্তারি� হয়ত� হত� পারত� অনেক অংশে মন� হব� এই প্রশ্নের তো উত্ত� পাওয়া গে� না� তব� ব্যক্তিগতভাব� আম� মন� কর� ছো� এই ধরনে� উপন্যাসিকায় কিছু বিষয� পাঠকের ভাবনার উপ� ছেড়� দেওয়া যৌক্তিক। এত� এক ধরনে� ঘোরলাগ� কা� করে। সমাপ্তির পর� এর রে� থেকে যায়� প্রশ্নগুলো মাথা� মধ্য� ঘুরপাক খায়�
বইটিতে এম� অসংখ্য বাক্� আছ�, যেগুলো কোটেশন হিসেবে ব্যবহা� কর� যায়� লেখকের লেখা� ভাবনাটাই এমন। এছাড়া বইতে এম� অসংখ্য দর্শ� আছ�, যেগুলো ভাবনার পরিস্থিত� তৈরি করবে� দে� � দেশে� বাইরের পরিস্থিতিক� গল্পের মধ্য� দিয়� লেখক দারুণভাব� ফুটিয়� তুলেছেন। বে� কিছু সিনেমা, চরিত্র, চিত্রে� রেফারেন্সে� পাশাপশ� লেখক নিজস্ব ব্যাখ্যা দিয়েছেন, সেসব বইটিকে অন্য মাত্রা দিয়েছে। সিরিয়াস মুহূর্তে লেখকের হিউমারের প্রশংস� করতে� হয়। বইয়� ভিন্নত� আনতে, আকর্ষণীয় কর� তুলত� এগুল� বে� জরুরি।
সে� সাথে মানুষে� মনস্তত্ত্বের এক অন্যরক� দি� লেখক উন্মোচ� করেছেন শেষাংশে। এখান� কাউক� অতিমান� দেখানো হয়নি। এম� পরিস্থিত� যে ক্ষতির কারণ হত� পারে বইটি তা� চাক্ষু� দৃষ্টান্� উপস্থাপন করেছে। আর শেষট� নিয়� তো বললামই! এম� ব্যতিক্র� সমাপ্তির পর আর কোনো অপূর্ণতা থাকে না�
সম্পাদনা বা ছাপা� ভু� বইটিতে ছি� না বললে� চলে। আমার চোখে অন্ত� পড়েনি� তব� সেটআপে� ক্ষেত্রে চারিপাশে বে� জায়গা ছেড়� দেওয়া আর ফন্ট বৃদ্ধি ঠি� পছন্� হয়নি। বইটি� সবচেয়� ইউনি� বিষয� প্রচ্ছদ। সিম্পল, তারপরও অসাধারণ। কে� অসাধার�, সেটা বলতে পারব না� কিন্তু দেখত� ভালো লাগে� বুকস্ট্রিটের বাঁধাই এমনিতে� দুর্দান্ত। � নিয়� বেশি কিছু বলার প্রয়োজন নেই।
পরিশেষ�, একজন লেখকের সার্থকতা কোথায় জানে�? তিনি একটি ভয়ে� দৃশ্� পাঠকের সামন� উপস্থাপন করবেন। সেটা পাঠক� অনুভ� করছে� আর এই অনুভূতিত� গা শিরশির করছে� কী হব�, সেটা জানা� তীব্� কৌতূহলের পাশাপাশি ভয� ধরান� অনুভূত� হয়। কোনো অঘটন ঘটবে না তো? মূ� চরিত্রগুলোকে নিরাপদ� রাখা� আকাঙ্ক্ষ� মনকে ঘিরে ধরে। কিন্তু পৃষ্ঠা� এপাশ� থাকা পাঠকের কী-� বা করার আছ�? সবকিছু তো কেবল লেখকের হাতে�
◾ব� : অনামিক� চু�
� লেখক : তানজী� রহমা�
◾প্রকাশনী : বুকস্ট্রিট
◾ব্যক্তিগত রেটি� : �.�/�
“অনামিকা চুপ� বইটি তেমন� এক গল্প� এই গল্পের মূ� কুশীলব তিনজন। স্বামী, স্ত্রী � তাদে� একমাত্� সন্তান� মঞ্চস্� হওয়� দৃশ্যে আর� অনেকেই আস�, নিজেদে� গুরুত্� বোঝাতে সচেষ্ট হয়। কাহিনি� প্রয়োজন মিটিয়� আবার মঞ্চ থেকে বিদায় নেয়� কে� আবার শে� মুহুর্তে মঞ্চ� আবির্ভূত হয়ে সক� আল� কেড়� নেয়�
মূ� কুশীলবের প্রধান যে, সে একজন কব� � চিত্রশিল্পী� একটি বিজ্ঞাপন সংস্থায় কা� করে। স্ত্রী � সন্তানকে নিয়� স্বাভাবি� বসবা� তার। কিন্তু সমস্যা বাঁধায� তা� বাড়িওয়ালা। ঢাকা� বাড়িওয়াল� � তাদে� সন্তানদে� বেখেয়াল� চরিত্র ভাড়াটিয়াদে� যাবতীয় কষ্টের কারণ� এই যেমন গল্পের মূ� চরিত্রকে হু� করেই তা� বাড়িওয়াল� বাসা ছেড়� দিতে বলে। কারণ হিসেবে দেখায়, তা� মেয়� বিড়ালের ব্যবসা করবে� বিদে� থেকে বিড়াল আমদানি করার পর এখানেই রাখবে। ফল� তাদে� জায়গা ছেড়� দিতে হব�
কী আর করার! অগত্যা বাসা খুঁজতে যাওয়া� এই বিলাসবহু� শহরে কম খরচে ভালো বাসা ভাড়� পাওয়া যুদ্� জয়ে� শামিল। সে� যুদ্ধই যে� হু� কর� জিতে নিলো প্রধান চরিত্র� একটা বাড়ির সন্ধান পাওয়া গিয়েছ�, যা� বাসা ভাড়� অত্যন্� কম� কিন্তু সমস্যা অন্যখানে� সে� বাসাতে কে� টিকত� পারে না� ভূ�, প্রে�, জী� � কিছু একটা আছ� সেখানে� যাদে� সাথে বা� করতে চাইল� কিছু শার্� মানত� হবে।
কোনো মানুষক� যদ� আপনি কথ� বলতে দিতে না চা�, তাহল� কেমন হব�? সঙ্গী� সাথে কথ� না বল� কে� থাকত� পারে? কিন্তু ওই বাসায় থাকত� গেলে ৮০ ডেসিবলের বেশি শব্দ কর� যাবে না� করলে� সমূহ বিপদ� এই সমস্যা সমাধানের একটি উপায� ঠিকই পাওয়া গেল। স্বামী, স্ত্রী বা সন্তান� কে� কারো সাথে কথ� বল� না� যোগাযোগে� মাধ্যম? মোবাইল� মেসেজিং।
কিন্তু কতকা�? কোনো একসময় তো ভু� হতেই পারে! আর এই ভুলে� মাশু� দিতে হল� বীভৎ� কিছু ঘটনা� মধ্য দিয়ে। শিরদাঁড়� বেয়� ভয়ে� শীতল স্রো� নেমে আসে। কিন্তু যে অতিপ্রাকৃত শক্তির কবলে ওর� পড়েছে সেখা� থেকে পরিত্রাণের উপায� কী?
একের পর এক ভয়ে� ঘটনা ঘট� শুরু করেছ�, যা বীভৎসও বট�! কিন্তু সেখা� থেকে বাঁচবে কীভাবে? উপায� একটা পাওয়া গে� অবশেষে� তালি� শা নামে� এক ব্যক্তিক� খুঁজ� পে� ওরা। কিন্তু শেষে যখ� তা� পরিচয় জানা যায়, বিশ্বা� কর� না কর� একান্ত� নিজস্ব� যেখানে বাস্তবতা � অবিশ্বাসের এক দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। যে দ্বন্দ্ব� ভৌতি� বা অতিপ্রাকৃত বিষয়ক� থামিয়� দেওয়া� উপায� কতটা জোরালো হব�?
শেষে� কথাট� আগ� বলি। “অনামিকা চুপ� বইটি� শেষট� এত বেশি চমকপ্র�, অবাক করার মত� যে লেখকের তারি� এখান� না করলে অপরা� হবে। এমনভাব� ভাবা যায়, সেটা হয়ত� কারো মাথাতে� আসবে না� লেখক সে� কাজট� অত্যন্� দক্ষতা� সাথে করেছেন� বিচ্ছিন্� কিছু ঘটনা � রহস্যে� মাঝে যে প্রশ্ন ছি�, মিসি� পাজল ছি�; সবকিছু� যোগসূত্র মিলিয়েছেন শেষে এসে। ফল� বইয়ের মা� অংশে যে মিশ্� অনুভূত� ছি�, সেটা বইটি শে� করার পর তৃপ্তিদায়� অনুভূতিত� ছেয়� গিয়েছে।
তানজী� রহমানে� লেখনশৈলী অত্যন্� চমৎকার� সাবলী� বর্ণনাভঙ্গি। তিনি যেহেতু পরীক্ষামূলক একটি লেখা পাঠকের সামন� তুলে ধরতে চেয়েছেন, সেহেতু গল্প বলার ধরনে ভিন্নত� আছে। উপন্যাসিকা� প্রধান চরিত্র এখান� নিজে� গল্প বলে। নিজে� গল্প, স্ত্রী� গল্প, সন্তানের গল্প, অন্য সবার গল্প� পরিস্থিত� নিজে� দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যম� তুলে ধরে। যেহেতু উত্ত� পুরুষে বর্ণিত � লেখা, সেহেতু আমরা যেভাবে কোনো ঘটনা বর্ণনা কর� লেখক সেভাবে� লিখেছেন। সংলাপে� পরিমাণ খুবই কম� অবশ্� নিজে� কথ� লেখাতে সংলা� নির্ভর লেখা� লেখক লিখত� চানন� বোধহয়� আর এই বিষয়ট� আমার ভীষন পছন্� হয়েছে�
বই পড়ত� পড়ত� অনেক জায়গায় মন� হব�, আর� বিস্তারি� হয়ত� হত� পারত� অনেক অংশে মন� হব� এই প্রশ্নের তো উত্ত� পাওয়া গে� না� তব� ব্যক্তিগতভাব� আম� মন� কর� ছো� এই ধরনে� উপন্যাসিকায় কিছু বিষয� পাঠকের ভাবনার উপ� ছেড়� দেওয়া যৌক্তিক। এত� এক ধরনে� ঘোরলাগ� কা� করে। সমাপ্তির পর� এর রে� থেকে যায়� প্রশ্নগুলো মাথা� মধ্য� ঘুরপাক খায়�
বইটিতে এম� অসংখ্য বাক্� আছ�, যেগুলো কোটেশন হিসেবে ব্যবহা� কর� যায়� লেখকের লেখা� ভাবনাটাই এমন। এছাড়া বইতে এম� অসংখ্য দর্শ� আছ�, যেগুলো ভাবনার পরিস্থিত� তৈরি করবে� দে� � দেশে� বাইরের পরিস্থিতিক� গল্পের মধ্য� দিয়� লেখক দারুণভাব� ফুটিয়� তুলেছেন। বে� কিছু সিনেমা, চরিত্র, চিত্রে� রেফারেন্সে� পাশাপশ� লেখক নিজস্ব ব্যাখ্যা দিয়েছেন, সেসব বইটিকে অন্য মাত্রা দিয়েছে। সিরিয়াস মুহূর্তে লেখকের হিউমারের প্রশংস� করতে� হয়। বইয়� ভিন্নত� আনতে, আকর্ষণীয় কর� তুলত� এগুল� বে� জরুরি।
সে� সাথে মানুষে� মনস্তত্ত্বের এক অন্যরক� দি� লেখক উন্মোচ� করেছেন শেষাংশে। এখান� কাউক� অতিমান� দেখানো হয়নি। এম� পরিস্থিত� যে ক্ষতির কারণ হত� পারে বইটি তা� চাক্ষু� দৃষ্টান্� উপস্থাপন করেছে। আর শেষট� নিয়� তো বললামই! এম� ব্যতিক্র� সমাপ্তির পর আর কোনো অপূর্ণতা থাকে না�
সম্পাদনা বা ছাপা� ভু� বইটিতে ছি� না বললে� চলে। আমার চোখে অন্ত� পড়েনি� তব� সেটআপে� ক্ষেত্রে চারিপাশে বে� জায়গা ছেড়� দেওয়া আর ফন্ট বৃদ্ধি ঠি� পছন্� হয়নি। বইটি� সবচেয়� ইউনি� বিষয� প্রচ্ছদ। সিম্পল, তারপরও অসাধারণ। কে� অসাধার�, সেটা বলতে পারব না� কিন্তু দেখত� ভালো লাগে� বুকস্ট্রিটের বাঁধাই এমনিতে� দুর্দান্ত। � নিয়� বেশি কিছু বলার প্রয়োজন নেই।
পরিশেষ�, একজন লেখকের সার্থকতা কোথায় জানে�? তিনি একটি ভয়ে� দৃশ্� পাঠকের সামন� উপস্থাপন করবেন। সেটা পাঠক� অনুভ� করছে� আর এই অনুভূতিত� গা শিরশির করছে� কী হব�, সেটা জানা� তীব্� কৌতূহলের পাশাপাশি ভয� ধরান� অনুভূত� হয়। কোনো অঘটন ঘটবে না তো? মূ� চরিত্রগুলোকে নিরাপদ� রাখা� আকাঙ্ক্ষ� মনকে ঘিরে ধরে। কিন্তু পৃষ্ঠা� এপাশ� থাকা পাঠকের কী-� বা করার আছ�? সবকিছু তো কেবল লেখকের হাতে�
◾ব� : অনামিক� চু�
� লেখক : তানজী� রহমা�
◾প্রকাশনী : বুকস্ট্রিট
◾ব্যক্তিগত রেটি� : �.�/�
Sign into ŷ to see if any of your friends have read
অনামিক� চু�.
Sign In »
Reading Progress
December 30, 2024
–
Started Reading
December 30, 2024
– Shelved
January 1, 2025
–
Finished Reading