� গল্প� বৃষ্টি আছ� এব� ভূ� আছে। একজন রিকশাচাল� আছেন যা� রিকশায� চড়ে মৃতদের আত্মার� অন্তিম গন্তব্যে যাত্রা করে। একজন ব্যবসায়ী আছেন যিনি বিশ্বজয় করতে চান। একজন অধ্যাপ� আছেন যিনি বেঁচ� থাকা� মূ� উদ্দেশ্য জানেন। � গল্প� আছ� খু� আর রহস্� আর মৃত্যু আর বিষাদ।
হর� একজন রিকশাওয়াল�....কো� কো� বৃষ্টি� রাতে তা� রিকশায� মর� যাওয়া মানুষে� প্রে� যাত্রী হয়ে উঠে। কো� একটা ঠিকানায় তারা যেতে চায়, হর� চুপচাপ ভালো মানুষে� মত� সে� ঠিকানায় তাদেরক� পৌঁছ� দেয়� এরপর যা হওয়ার তা � বাড়ির লোকে� হো�, হরুর জা� � বাঁচলো� এর মধ্য� এক প্রে� বায়না ধরলো সে আবার মানু� হবে। সে� ব্যবস্থা হরুক� করতে হব�, না হল� সে হরুক� ছাড়বে না� এর মধ্য� হরুর পরিচয় ঘট� নবী স্যারে� সাথে� তিনি� এই ভূতকাণ্ড� জড়িয়� যান। এরপর আস� অনেকগুলো যখের মালি� রমজা� আলী ভূঁইয়� ...কাহিনী আর� প্যাঁচ খায়�
নবী স্যারে� চরিত্রটা ইন্টারেস্টিং ছিল। তিনি মরার পরের জীবন নিয়� প্রেতে� সাথে আলাপ চালানো� চেষ্টা করেন� তিনি এতদি� ভাবতেন মরার পর সব নিভে যায় কিন্তু প্রে� দেখা� পর সে� থিওর� অকেজ� হয়ে পড়ে� তিনি নতুন কর� ভাবত� থাকেন। জীবন নিয়� প্রে� � নবী স্যারে� যৌ� ভাবনাগুল� বে� আগ্রহজাগানিয়া�
হর� কম� পড়া হয়। তব� তানজী� ভাইয়ে� হর� পড়ে আরাম পাই। ভয� ভয� লাগে ঠিকই তব� সেটা মাত্রা ছাড়ায� না� এট� লেখকের মুন্সিয়ানাই বলবো� লিমিটে থেকে পাঠককে ভয� দেখিয়� আনন্� দেন। বইটা পড়ে মজ� পেয়েছি। বইয়ের প্রচ্ছ� সুন্দর, বাঁধাই, কাগজ সব� চমৎকার� শুধু টাইপ� নিয়� ছোট্� একটা অভিযোগ থাকলো।
বইটা পড়ে বে� মজ� পেয়েছ� আসলে� তানজী� রহমানে� সিগনেচার হর�, যা সাধারণ হররে� থেকে ভিন্ন। কারণ উনার ভাবনার ধর� অন্যদে� থেকে আলাদা। রিকশ� � এক রিকশাওয়ালাক� নিয়� দারু� এক হর� গল্প পেতে ফেলেছে� লেখক� এর সাথে যুক্� হয়েছে হাস্যর�, দর্শন। ফল� বইটা আর সাধারণ হররে সীমাবদ্ধ থাকেনি� বরাবরে� মতোই লেখকের দর্শ� আমার পছন্দের। সাধারণ বিষয়ে� গভীরে সুন্দরভাবে প্রবেশ করেন উনি। তব� এবার সেইসাথ� হিউমারগুলো� ভালো লেগেছে� অনেকবা� হেসে উঠেছি। মাঝেমধ্য� মাঝরাত� পড়া� সময় যখ নিয়� ভাবত� গিয়� অস্বস্তি� হয়েছে� তব� নিঃসন্দে� হর� � নবী স্যারে� জুটি দারু� ছিল। সবমিলিয়� বে� মজার একটা বই পড়লাম� হর� প্রেমীদে� ভালো লাগা� কথ� বইটা� সেইসাথ� যারা জীবন, ভালোবাসা, বাস্তবতা, মৃত্যু� পরের জীবনের দর্শ� নিয়� আগ্রহী তাদেরও�
তানজী� রহমানে� অতিপ্রাকৃত উপন্যাসগুল� নেশা� মত, এক বসায� পড়া হয়ে যায়, পুরো বইতে� টানটান উত্তেজনা� সেরা চরিত্র রিকশাওয়াল� হারু� শুরু� ঢাকা� বর্ণনাটা ক্লাসিক। যখের অংশগুল� সেরা� প্রেতগুল� যতটা ভয� দেখায় বা অস্বস্তি তৈরি কর� তা� চেয়� বেশি মায়� তৈরি করে।
যেকো� যানবাহনে� চালকের সাথে ভৌতি� ঘটনা� সংযোগট� ঠি� কোথায়? বইয়ের না� দেখে� বুঝা যায় এখান� রিকশ� বুঝানো হচ্ছে। রিকশাওয়াল� হর� প্রে� দেখত� পায়� উপন্যাসে� আর� কিছু চরিত্রের � ক্ষমতা আছে। কিন্তু হরুর কা� সে� ভূ�-প্রেতদের একটা নির্দিষ্� সীমা পা� করিয়ে দেয়া।
গ্রি� � নর্স পুরাণে মৃত্যু� পর পথ দেখানো চালকের উদাহরণ তো আছে। হর� কি জেনে না জেনে সে� দায়িত্ব পেয়� গেছে? হরুক� সাহায্� করতে ঘটনাচক্র� এগিয়ে আসেন নবী স্যার। দর্শনে� এই পন্ডিত জীবনের উদ্দেশ্য নিয়� সারাজীবন গবেষণা কর� বেরিয়েছেন� ঘোরত� নাস্তি� সৈয়� নুরুন্নবী হামজ� মৃত্যু পরবর্ত� এম� এক অবস্থা� সাথে হরুর মাধ্যম� পরিচিত হন যা তীব্� যন্ত্রনা, বিভ্রান্তি � বিষাদে� ভারে ভারাক্রান্ত।
'বৃষ্টি� দি� ভাড়� বেশি'� আছেন একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী ব্যবসায়ী� না� তাঁর রমজা� আলী ভূঁইয়া। লিট্যারালি যা� আছ� 'যখের ধন'� রমজা� শুধুমাত্� ধনসম্পদে� সমৃদ্ধ� নয�, চা� একজন মুসলমা� হিসেবে বিশ্বজয় করতে� মেয়ের জামা� ফায়েককে নিয়� এক ভয়ঙ্ক� খেলায় মেতে ওঠেন রমজা� আলী�
উপন্যাসে আছেন মাসলম্যা� 'মোস্তাকিমু� বারী'� পুরো উপন্যাসজুড়ে তাঁর না� ' ' বন্ধনী� মাঝে কে� আছ� সে� সাবটেক্স� সচেত� পাঠক হয়ত� ধর� ফেলবেন� একদিকে ক্ষমতা-অর্থের জন্য যেমন নারকীয় এক খেলা� প্রস্তুত� চলছে, অন্যদিকে হর�, নবী স্যারে� মত� মানুষেরা চা� মৃতদের গভী� যাতন� থেকে মুক্তি দিতে�
'বৃষ্টি� দি� ভাড়� বেশি' একটু বেশিই গতিশীল। আম� এক বসায� পড়ে শে� করেছি। তানজী� রহমানে� কো� বই সচরাচর আম� মি� কর� না� লেখকের প্রতিনিয়ত নিজেকে ভেঙে নিরীক্ষামূলক আখ্যান রচনা কর� যাওয়া, হররে� সাথে দর্শনে� যে ব্লেন্ডিংট� তাঁর চমৎকার কল্পনাশক্তির সাথে যেভাবে গল্পকথনে ফুটিয়� তুলে� তা আসলে পাঠককে ধর� রাখত� সক্ষম।
আমার মন� হয়েছে কলেবরে � উপন্যা� আরেকটু বড� হল� ভালো হতো। লেখক কথার ফাঁকের কথায� কি আমাদের সমসাময়ি� কিছু বিপদজন� প্রবণত� তুলে ধরেছেন? তানজী� সাধারণ� সাবটেক্স� দিতে পছন্� করেন বেশি� তাঁর পাঠকেরাও সেটা পছন্� করেন� ইন্ট্যারেস্টিং চরিত্র সৃজন� লেখকের হা� বরাবরে� মতোই ভালো� শেষে� দিকট� আমার কাছে অর্থবহ লেগেছে�
তানজী� রহমা� যা লিখে� তা শুধুমাত্� হর� নয়। হররে� মোড়কে লেখক এম� কিছু দর্শ� হাজি� করেন, তাঁর সূক্ষ্� পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা� মাধ্যম� এম� কিছু বল� ফেলে� যা হয়ত� শুনত� কিংব� বলতে আমরা অস্বস্তিবো� করি।� নাকি ভয� পা�?
তানজিম রহমা� এর হর� মানে�, এম� গ্রাউন্ডেড একটা সেটা�, যেখানে মন� হয� পাশে� রাস্তাটাতে� ভু� আছে। এই ভাইবটা মিসি� ছিলো "অক্টারিন �" তে, যেটা আবার "বৃষ্টি� দি��� ভাড়� বেশি" তে ব্যা� করেছে।
"একজন রিকশাচাল� আছেন যা� রিকশায� চড়ে মৃতদের আত্মার� অন্তিম গন্তব্যে যাত্রা করে। একজন ব্যবসায়ী আছেন যিনি বিশ্বজয় করতে চান। একজন অধ্যাপ� আছেন যিনি বেঁচ� থাকা� মূ� উদ্দেশ্য জানেন।"
"অনামিক� চু�" এখনও পড়া হয� না�, হর� দিয়� একটু ব্রে� নিব। তারপ� আবার পড়ব� হয়তো। এই বইটা এক বসায� শে� কর� যাবে, কো� জায়গায় মন� হয� না�, টো� ব্রে� হয়েছে বা রেখে দেই। এখানেও ভুতে� ডিস্ক্রিপশ� গুলা একটু রি� বা গ্রাজে� মত ছিলো বা� তাদেরক� ঢাকা� বনানী বা মগবাজারে� রাস্তায় চিন্তা করাটাই মেইন কারিশ্মা� বে� নস্টালজি� একটা স্যা� স্যাতে ফিলি� আছ� গল্পটায়, ২০১৮ এর অক্টারিন পড়া� ফি� দেয়� ক্যারেক্টা� গুলা� বে� গ্রাউন্ডেড, একজন রিকশ� ওয়ালা, একজন প্রফেস�, একজন ব্যবসায়ী আর তা� ক্লু লে� মেয়ের জামা�, আর ক্রেজি একটা পেত্নি� সবার বিল্� আপ এব� কনক্লিউশনই আমার কাছে ভালো লেগেছে� লাস্টে� মার্ডা� মিস্ট্রি � ভাইবটা� খারা� নয়।
তানজিম ভাইয়ে� লেখা� সে� পুরন� ম্যাজিকট� অনেকটা� ফিরে এসেছ�, কিন্তু তা� জানি না কে� � একটা অদৃশ্য শূন্যত� থেকে যায়�
“বৃষ্টির দি� ভাড়� বেশি� � কিছু কিছু বইয়ের না� এম� আগ্র� জাগানিয়� হয�, কোনো কিছু না জেনে� নিয়� পড়ে ফেলত� ইচ্ছ� হয়।
“বৃষ্টির দি� ভাড়� বেশি� তেমন� একটা বই� তব� এই বিষয� নিয়� তর্ক হতেই পারে � কাহিনি� সাথে বইয়ের নামে� সামঞ্জস্যত� ঠি� কোনখান�?
সে যা� হো�, বইয়ের গল্প� ফেরা যাক। এই গল্প� একজন রিকশাওয়াল� আছ�, না� হরু। যা� পারিবারি� জীবন তেমন সুখে� না� এই রিকশাতেই তা� ভরসা� এম� একদি� ঝু� বৃষ্টি নেমেছিল। রাতও হয়েছি� বেশ। হর� ভেবেছি� এই রাতে আর যাত্রী নিবে না� তখনই সে অনুভ� কর�, তা� রিকশাত� কে� একজন উঠেছে।
সে� অদ্ভুত যাত্রী� কন্ঠ সে শুনত� পায়� তাকে পেছন� তাকাতে বারণ কর� হয়। ভয� নিয়েই যাত্রী� বল� গন্তব্যে সে চলতে থাকে� সেদিনই হর� জানত� পারে, এই শহরে থাকা অশরীরী, অতৃপ্ত আত্মাক� হর� দেখত� পায়, শুনত� পায়�
আরেকদিনে� ঘটনা� এমনই এক রাতে আরেক আত্ম� হরুর রিকশায� যাত্রী হয়ে ওঠে। সেদি� থেকে� গল্পের মোড় বদলে যেতে থাকে� সে� মেয়�, যা� আত্ম� হরুর রিকশায� ওঠ�, সে এম� একজনকে খুঁজ� দিতে বল�, যাকে পেলে মেয়েট� বেঁচ� ফিরত� পারবে। কিন্তু প্রশ্ন হল�, একবা� মারা গেলে কি বেঁচ� ফেরা যায়?
নুরুন্নবী স্যা� পেশায় একজন অধ্যাপ� ছিলেন। অনেকদি� আগ� রিটায়ার্ড করেছেন� এখ� তিনি নিজস্ব দর্শ� নিয়� গবেষণা করেন� প্রচুর বই, জার্না� পড়ে নিজে� দর্শ� লিপিবদ্ধ করেছেন� তিনি মন� করেন, তা� এই দর্শ� প্রকাশ পেলে সবাই তা বিশ্বা� করতে শুরু করবে� অনেক কিছু� বদলে যাবে� তা� তিনি চা� না � প্রকাশ পান।
তা� সাথে পরিবারের কারও সম্পর্� ভালো না� হয়ত� তা� ব্যক্তিগ� দর্শনে� কারণেই � দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে� একদি� স্যারে� সাথে দেখা মেলে হরুর� হরুর বিপদের কথ� জানত� পারে নবী স্যার। মৃত্যু� পরের জীবন বল� আসলে� কিছু আছ�? � ব্যাপারে বিশ্বা� ছি� না স্যারের। তিনি যখ� এখান� রহস্যে� গন্ধ পা�, তখ� পিছন� যাবে� কে�? মৃত্যু� পরের জীবন সম্পর্কে, মৃত্যু� পর� এক আত্মার কষ্ট সম্পর্কে তা� জানা� তব� আগ্র� তাকে এই অশরীরী খেলায় জড়িয়� ধরে।
রমজা� আলী ভূঁইয়� একজন শিল্পপতি� তিনি ধার্মিক। যা� পিছন� এক নিগূঢ় রহস্� আছে। ধানমন্ডি� এক নিস্তব্ধ বাড়িত� � রহস্� জমা। তা� কথাত� মেয়ের জামা� ফায়েক খুঁজ� বেড়াচ্ছ� গোপা� নামে� একজনকে� যে কি না মৃ� মানুষক� ফিরিয়� আনতে পারে�
ধানমন্ডি� বাড়িত� মিলেছে সবাই� যেখানে চিত্রি� হচ্ছ� এক অতিপ্রাকৃত ঘটনা! যে ঘটনা অনেক প্রশ্নের উত্ত� দিবে� কোনট� সত্য� আর কোনট� বিভ্রম, তা উত্ত� মিলব� তো?
তানজী� রহমানে� আর� একটি ব্যতিক্রমধর্মী লেখা “বৃষ্টির দি� ভাড়� বেশি”। লেখক নিরীক্ষাধর্মী লেখা লিখত� পছন্� করেন� তারই ধারাবাহিকতায� এই বইটি মিশ্� এক প্রতিক্রিয়া দিয়� গেল। ভালো লাগা� উপাদান থাকলেও সংক্ষিপ্� পরিসরে লেখা� কারণ� ঠি� মন মত� হল� না� ফল� পাঠক সমাজ বইটা নিয়� দ্বিধা বিভক্ত হয়ে যেতে পারে�
মন� হচ্ছিল এই লেখা আর� ব্যাখ্যা� দাবি রাখে� চরিত্রগুলো� গভীরে পৌঁছানোর প্রয়োজন ছি� বল� মন� হয়েছে� যদিও বইটিতে চরিত্রের সংখ্যা ছি� সীমিত। প্রতিট� চরিত্রকে� লেখক স্বল্প পরিসরে বে� ভালো মতোই উপস্থাপন করেছেন� তারপরও মন� হয়েছে একটি বিস্তারি� বর্ণনা বইটিকে প্রাণবন্� করতে পারত�
লেখকের লেখা গতিশী� নয�, আবার খু� বেশি ধীরও নয়। পড়ত� গেলে কিছুটা বাধাপ্রাপ্� হত� হয়। হয়ত� লেখকের লেখা� ধরনে� জন্য� লেখক স্বল্প পরিসরে প্রচুর পরিমাণ� দর্শনে� প্রবেশ ঘটান� যা হয়ত� জীবনের সাথে এক ধরনে� সামঞ্জস্যপূর্ণ, মন থেকে অনুধাব� কর� যায়� সে কারণেই তা� লেখা� এই ধর� বে� ভালো লেগেছে� বইটি� যেটুকু ভালো লেগেছে, তা� মূ� কারণ এই অতিপ্রাকৃত ঘটনা� সাথে দর্শনে� সংমিশ্রণ�
আগেই বলেছ�, লেখক খু� সংক্ষিপ্� পরিসরে ঘটনাগুলো লিখেছেন। ব্যাখ্যা� পরিমাণ কম ছিল। ফল� শুরু� দিকে ঘটনাপ্রবাহের অনেক কিছু� বুঝত� অসুবিধ� হচ্ছিল� এক কাহিনি থেকে আরেক কাহিনিতে খু� দ্রু� চরিত্রগুলো জাম্� করছিল। যদিও সময়ের সাথে সাথে অভ্যাস হয়ে গিয়েছিল� তবুও ৯৬ পৃষ্ঠা� বইতে কাহিনি� গতিপ� আর কতটা ধর� যায়!
উপন্যাসিকা� প্রতিট� অধ্যায়ে� শুরুটা আকর্ষণীয়� শুরুতে কাব্যি� তি�-চা� বাক্যে লেখক অধ্যায়ে কী ঘটতে যাচ্ছে তা� একটা আভাস দিয়� দিয়েছেন� দারু� লেগেছে বিষয়টা। পাঠক আগ� জানব� কী হচ্ছ�, তারপ� কীভাবে হচ্ছ� জানা� জন্য পুরো বইটা পড়বে।
গল্পের মূ� চরিত্র� একজন নাস্তি� আছ�, আরেকজন ধার্মি� আছে। নাস্তি� যেমন বিশ্বা� কর� মৃত্যু� পরের জীবন বলতে কিছু নে�, কিন্তু এম� কোনো ঘটনা� তা� দ্বিধাদ্বন্দ্ব মন� এই বিশ্বা� চল� আসে। ধার্মি� ব্যক্ত� হয়ত� মনের অজান্তেই এম� কি��� ভু� কর�, যা ধর্ম বিরোধী� ধর্ম� তাকে কুফরী বা শিরক বল� হত� পারে�
মানুষে� সহজা� প্রবৃত্তিত� এম� এক বিষয� আছ�, সে ভু� করলে� তাকে ভু� মানত� চায় না� নিজেকে সঠিক প্রমাণ� নানা� যুক্তি খুঁজ� বে� করে। আর সেভাবে� নিজে� শুদ্ধতার বয়া� দেয়�
উপন্যাসিকাকে হর� বল� হলেও ভয়ে� ছা� তেমন ছি� না� পাঠকের মন� ভয়ে� সঞ্চার করতে লেখক এদিক দিয়� ব্যর্থ বল� যায়� লেখক মন� হয� ভয়ে� চেয়� লেখা� মধ্য দিয়� কিছু বার্তা পাঠককে দেওয়া� চেষ্টা করেছেন�
তা� মধ্য� একটি হল�, সম্পর্কে� বন্ধন। যে� মেয়েটিক� নিয়� এই কাহিনি, তা� পারিবারি� বিষয� এখান��� গুরুত্� পেয়েছে। পরিবার যত� আপ� হো� না কে�, আমরা কি পরিবারের সবাইকে বুঝত� পারি? নিজেদে� চাওয়া-পাওয়া দিয়েই এক� অন্যকে বিচা� করি। সমস্যা� সমাধান দিয়েই কা� সারত� চাই। সমস্যা� মূ� বা পাশে থেকে অনুপ্রেরণা দেওয়া� মত� কা� কতজন কর�?
ফল� আমরা খু� কাছে থেকে� পরিবারের সদস্যদের থেকে দূরে চল� যাই। মনের দি� দিয়� এই দূরত্ব হয়ত� ঘুঁচ� না� তারপরও যে অদৃশ্য বন্ধ� পরিবার জড়িয়� রাখে, মা জড়িয়� রাখে � তাকে এড়িয়� যাওয়া� উপায� কি আদ� আছ�?
“বৃষ্টির দি� ভাড়� বেশি� নামটার সাথে উপন্যাসিকা� কিঞ্চি� মি� পেলাম। নামট� যৌক্তি� মন� হয়ন� পুরোটা শে� করে।
আফসা� ব্রাদার্�-এর সম্পাদনা, বাঁধাই নিয়� অভিযোগ থাকলেও এই বইয়� বানা� ভু� ছি� না বললে� চলে। বাঁধাই ভালো হয়েছে� সম্পাদনা ঠিকঠাক� আর রিকশ� আর্টের এই প্রচ্ছ� আমার ভীষন ভালো লেগেছে� কিন্তু এখানেও গল্পের সাথে মি� সামান্যই�
◾পরিশেষে, মৃত্যু মানবজীবন� অবধারি� সত্য� এরপর কী হয�? পরিবারের মায়� ছেড়� আত্ম� কি চল� যেতে পারে? না-কি খুঁজ� বেড়ায� সে� সংযো�? হয়ত� যে বিষা� জম� হয� মৃত্যু� পর, তা� টানে� বারবার ফিরে ফিরে আস�! কিন্তু, ফিরে পাওয়া যায় কি সে� দি�?
সবার এত ভা� ভা� রিভিউয়ে� মাঝে আমার হতাশাজনক রিভিউ। গল্পের চরিত্র, তাদে� ব্যাপারে এক্সপ্লেনেশন, আমার কাছে প্লটের মধ্য� অপ্রয়োজনীয় মন� হয়েছে� কানেক্� করতে পারিনি কত� জায়গায়� একটা ছোট্� বই, সেখানে� যদ� একেকটা চরিত্রের বিবর� প্লটের অপ্রয়োজনীয়তা মন� হয�, তাহল� আর কি বলার আছ�! কে� এম� মন� হয়েছে জানিনা!!!!!
কাহিনী সংক্ষে� বা রিভি� কোনোটি� লেখা সম্ভ� না� বইয়ের জনরা� ঠি� স্পষ্ট করতে পারব না� তব�, তানজী� ভাইয়ে� লেখা� সাথে আগ� থেকে পরিচিত থাকায় জানি যে জনরা যা� হো� না কে� লেখায় ফিলোসফিকাল পিওভ� থাকবে। এটাই মূলত আমার আগ্রহে� জায়গা ছিল। জীবনের উদ্দেশ্য, পরপা�, মৃত্যু, পুনরীজ্জব� � তা� বাহন মোটা দাগে এই বিষয়গুলোক� কেন্দ্� কর� গল্প ঘুরপাক খেয়েছ� এক পরাবাস্ত� প্রেক্ষাপটে। সাথে লেখকের নিজস্ব দর্শ� পুরো গল্প� একটা ভিন্নমাত্র� যো� করেছে। আমার কাছে গল্পটা বে� ভালো লেগেছে� ভাবনার খোড়াক � গল্পপাঠে� আনন্� দুটো� পেয়েছ� সমান্তরালে� তব� আমার যেটা মন� হয়েছে, তানজী� রহমা� আসলে যে গল্পটা বলতে চেয়েছেন বা যেভাবে বলতে চেয়েছেন তা আরেকটু বড� ক্যানভাস� বললে হয়ত� আর� স্পষ্ট হতো। মাত্� ছিয়ানব্বই পৃষ্ঠায় এই গল্পটা বলায� মন� হয়েছে যে� একটা আঁটোসাটো গল্প� যতগুলো প্লট ছি� তাতে গল্পটাকে আরেকটু মুক্� করার সুযো� অবশ্যই ছিল। এক� সাথে ফিলসফিকা� পয়েন্টগুল� নিয়� আরেকটু বিস্তারি� কথাবার্তার প্রয়োজনীয়তা� ফি� করেছি। বইয়ের প্রচ্ছদট� দুর্দান্ত। প্রচ্ছ� করেছেন মুহাম্মদ লাকী� উর রশী� শ্রাবণ� বইটি প্রকাশিত হয়েছে আফসা� ব্রাদার্� থেকে� এখান�-সেখানে মিলিয়� বে� কিছু দৃষ্টিকট� টাইপ� ছি�, আশ� কর� প্রকাশনী তা পরবর্তী মুদ্রণ� ঠি� কর� ফেলবে।
হুমায়ুন আহমে� হর� কমেড� লিখল� বোধহয় অনেকটা এমনই হতো।
গল্পের মূ� চরিত্র হারু� সে হঠাৎ আবিষ্কার কর� সে মৃতদের দেখত� পারে� তা� দায়িত্ব এই মৃতদের নির্দিষ্� গন্তব্যে পৌঁছ� দেওয়া� একদি� এক মৃতা এস� তা� কাছে আজ� এক আবদা� জানায়� এই আবদা� পূরণ না করলে মৃতা হারু� পিছু ছাড়বে না� হারু� মাথায় যে� আকাশ ভেঙ্গে পড়ে� সে� আবদা� পূরণ নিয়েই পুরো গল্পটা আবর্তী� হয়।
গল্পের সেটা�, পরিধ� ভালো লেগেছে� বইয়ের সাইজ ১০� পেজে� কম হলেও এর মাঝে� �-� টা ক্যারেক্টা� খু� সুন্দর ভাবে বিল্� করেছেন�
বৃষ্টি� দি� ভাড়� বেশি� পড়ে শে� করলা� এক বসাতেই� এর আগ� লেখকের অনামিক� চুপে যে নির্লিপ্� একটা টো� পেয়েছিলাম, এই নভেলেও তা� আছ� এব� এটাই আমার সবচেয়� ভালো লাগা� জায়গা লেখকের পড়া দুটো উপন্যা� থেকে� অতিপ্রাকৃত জনরা� সাথে ফিলোসফ� ব্লেন্� করতে চাওয়া� যে ইচ্ছ� নবী স্যারে� চরিত্রের মাধ্যম� এসেছ� সেটা� উপভো� করেছি। এই ধরনে� গল্প পড়া� অভ্যাস আমার খু� নেই। তব� যেভাবে ঘটনা� পর ঘটনা কোনো বিরা� না দিয়� ঘট� সেটা বে� অস্বস্তি� উদ্রেক করে। এছাড়া অভিজ্ঞতা ভালো�
#পাঠচক্Ѣরিভিউয়ার্� ২০২৫ রিভি� বিষয�: বই রিভি�: ২৭ বই: বৃষ্টি� দি� ভাড়� বেশি লেখক: তানজী� রহমা� প্রকাশনী: আফসা� ব্রাদার্�
ধরেন, আপনি বাসায় একা। হঠাৎ কর� একটা কালো ছায়� কে সরতে দেখলেন, কেমন লাগব�? এরকম কিন্তু আমার সাথে হয়েছে� অধিকাং� মানুষে� সাথে� কো� না কো� ভাবে কিছু আধ� ভৌতি� ঘটনা ঘট� বলেই আমার বিশ্বাস। হর� একজন রিকশ� চালক� এক ঘেয়� জীবন তার। সে� রিকশ� টানো� দিনে� টাকা দিনে উঠাও, মালিকক� জম� দা� আর বস্তিত� নিজে� ঘর� ফেরো� এক চাচাতো ভা� আছ� তার। তা� সাথে “ঝাক্কি”র মা� চুরি� ধান্দা� কর�, মাঝে সাঝে� একদি�, একঘেয়� এই জীবন� আস� আমূল পরিবর্তন� কোত্থেকে উড়ে এস� জুড়� বস� অতিপ্রাকৃত কিছু� তাদে� শে� গন্তব্যে পৌঁছ� দিতে হয� হারুকে� তারা কে� জীবন্ত মানু�, তারা আসলে কী সে প্রশ্ন থেকে যায়� এক মেয়েক� পৌঁছ� দেয়ার কথ� তা� শে� গন্তব্যে কিন্তু সে এক অদ্ভুত দাবী কর� বসে। গোপা�, পেশায় একজন এ্যাম্বুলেন্� চালক, লাশবাহী গাড়ির চালক� এক বৃদ্ধা� লা� বহ� করতে গিয়� সে এক দুর্ঘটনা� শিকার। সে� দি� সে আবিষ্কার কর� বস� অন্য রক� এক তথ্য� পথ পেয়� যায় টাকা কামাবার। কিন্তু এই কাজে� জন্য তাকে নিতে হব� অনেক সাহসী পদক্ষেপ। আদ� � কাজে সফলত� আসবে তো? নবী একজন শিক্ষক, অবসর� গিয়েছেন� পাঢ় নাস্তিক। বিশ্বা� অবিশ্বাস বল� কিছু আছ� কিনা কে� জানে না� বিশা� বপুর এই ব্যক্ত� আসলে কী চা� বা কী জানে� তা বোধহয় নিজে� জানে� না� তা� এই বিশা� দেহে� জন্য রিকশায� কে� তাকে নিতে চায় না� কিন্তু হর� তাকে নেয়, আর সেদিনই বদলে যেতে থাকে তা� জীবন� রমজা� আলী ভূঁইয়�, বিশা� বড়লোক, পরকালে, ইহকালে� বিশ্বাসী� একজন গাড়িচাল� হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলে�, এখ� সে বিস্তর সম্পদে� মালিক। তা� ইচ্ছ� আর� বেশি� সাম্রাজ্� চায় সে, আর তা� সঙ্গী কর� নেয়, তা� মেয়ের জামাইকে। সাথে আছ� আর� এক জন� জ্যোতি� সদ্য যৌবণা। কিছু ঘটনা� প্রেক্ষিতে সে বাড়� ছেড়� বেরিয়� চল� আসে। রা� � টে পর্যন্� গুলশান লেকে বস��� থাকে� একদি� সে হরুক� অনুরোধ কর� তাকে তা� গন্তব্যে পৌঁছ� দেবা� জন্য� হর� রাজী � হয়। রিকশ� চালক সে, যত খ্যা� তত আয়। কিন্তু সব যাত্রী গন্তব্যে যায় কী??
বই এর উপাদানের সাথে নামে� এব� প্রচ্ছদে� মি� তেমন নেই। বই এর প্রচ্ছ� দারুন। নামও বে� সুন্দর� বই এর কাহিনী অত� দ্রু� এগিয়েছে� সময়কা� হিসে� কর� বে� শক্ত� আসলে, এই ঘটনা দু’দিন না দু’মাস, সেটা বোঝা তেমন শক্ত না, আবার সহ� � না� গল্পের প্রতিট� চরিত্রকে, এক� অপরে� সাথে যেভাবে সুন্দর কর� জুড়েছেন, সেটা দারুন। আধুনিক সময়�, চিরায়িত কিছু অতিপ্রাকৃত ব্যাপা� নিয়� আসার এই ক্ষেত্রটাও বে� সুন্দর লেগেছে�
অতী�-বর্তমা�-রহস্�-বিজ্ঞা�-ধর্মের মিশেলে বে� ভালোই। গল্পটা অত� দ্রু� এগিয়েছে, সেটাকে আর� সময় দেয়� গেলে ভালো হত� এক্সপেরিমেন্� হিসেবে ভালো গল্প, কিন্তু অত� দ্রু� না এগিয়ে কিছুটা সময় দেয়� দরকা� ছিল। গল্প এত দ্রু� এগিয়েছে, তা� মেলাতে গিয়� খে� হারাতে হয়। গল্পের প্লট, চরিত্র, সময় সব ছি�, কিন্তু কাহিনীতে সময় দেয়াট� খু� দরকা� ছিল। না�-প্রচ্ছ�-প্লট খু� একটা মিলব� না, প্রচ্ছ� আর যা� বল� না কে�, ২৫� এর মেলা� মধ্য� সেরা�
বই � সামান্� কিছু বানা� ভু� ছিল। আর এক জনের নামে� ক্ষেত্রে, বা� বা� � � � ব্যবহা� করার কারণ বুঝিনি� শে� পেইজ পর্যন্� এর ব্যাখ্যা খুঁজেছিলাম� ভেবেছিলা�, এর মধ্যেও রহস্� কিছু আছে।
ছোটখাট�, রহস্� উপন্যা� যাদে� ভালো লাগে, তারা পড়ে ফেলত� পারে�, সময় খারা� কাটব� না�
তানজী� রহমানে� "বৃষ্টি� দি� ভাড়� বেশি" এম� একটি বই যেখানে রয়েছে এক অদ্ভুত রকমে� যাত্রাপথের কাহিনী! এক রহস্যময় শহরে রাতে� বেলায় বিষাদময় বৃষ্টি� আবহে� সাথে রহস্যময় ঘটনাবলী� মিশেলে গড়ে তোলা এই বইটি পড়ত� পড়ত� আপনি অতিপ্রাকৃত এব� বাস্তব দুনিয়ার সংমিশ্রণ� সৃষ্� এক ভিন্নধর্মী গল্পের জগ� থেকে ঘুরে আসার অভিজ্ঞতা লা� করতে পারবেন�
কাহিনী সংক্ষে�: গল্পটি গড়ে উঠেছ� হর� নামক এক দরিদ্র কিন্তু বিশে� ক্ষমতাসম্পন্� রিক্সাওয়ালা� জীবন� ঘট� কিছু অতিপ্রাকৃত ঘটনাবলীকে কেন্দ্� করে। তা� রিকশায� এম� কিছু যাত্রী উঠ�, যারা পৃথিবী� বেশিরভাগ মানুষে� কাছে� অদৃশ্য হলেও হর� তা� সে� বিশে� ক্ষমতা� কারণ� সেসব যাত্রীকে দেখত� পায়� হরুর রিকশাত� চড়ে� তারা তাদে� অন্তিম গন্তব্যে যাত্রা করে। এমনই এক যাত্রী� যাত্রা পথের সঙ্গী হত� গিয়� হর� অনিচ্ছাকৃতভাবে এম� কিছু জটিল পরিস্থিতির সম্মুখী� হয�, যেখানে তা� পাশাপাশি একজন অবসরপ্রাপ্� প্রফেস�, একজন ব্যবসায়ী এব� আর� কিছু সহচরিত্রের আবির্ভাব ঘট� এই গল্পে। শে� পর্যন্� কি হয়েছি� সে� যাত্রী� সাথে? সে কি তা� অন্তিম গন্তব্� পর্যন্� পৌঁছাত� পেরেছি�? হরুর সাথে� বা শে� পর্যন্� কি ঘটেছিল? সেটি জানত� পড়ে ফেলত� হব� "বৃষ্টি� দি� ভাড়� বেশি" নামক এই ভিন্নধর্মী বইটি�
ব্যক্তিগ� অভিম�: আমার পড়া থ্রিলারধর্মী বইগুলো� মধ্য� এই বইটি যথেষ্ট ভিন্নধর্মী ছিল। এখান� রহস্যময়তা বা অতিপ্রাকৃত ঘটনা� চেয়� মানুষে� মানবিক বৈশিষ্ট্যগুল� বেশি প্রাধান্� পেয়েছে। মানবতা, সহানুভূত�, ক্ষমতা� লো�, কৌতুহলী মানসিকতা, অসহায়তা প্রভৃত� মানবিক গুণগুল� লেখক অত্যন্� সুনিপুণভাব� ফুটিয়� তুলেছে� গল্প� থাকা বিভিন্� চরিত্রের মধ্য দিয়ে। গল্পের শুরুতে কাহিনী� ধারাবাহিকত� বুঝত� একটু বে� পেতে হলেও ধীরে ধীরে ঘটনাক্রমের সাথে খা� খাইয়ে নিতে পেরেছি� অন্যান্য চরিত্রদে� তুলনায� "জ্যোতি"- � চরিত্রটি আমাক� বেশি আকৃষ্ট করেছে। লেখকের লেখা� ভাষা ছি� সহ� এব� সাবলীল। গল্পের পরিস� অত� ক্ষুদ্� হলেও গল্প� যে কয়েকট� চরিত্র ছি�, সীমি� পরিসরে হলেও লেখক সে� সব চরিত্রের� একটি পরিমিত বর্ণনা দিতে সক্ষ� হয়েছেন। মাত্� ৯৬ পৃষ্ঠা� এই বইটি যেকোনো পাঠক কেবল এক বসাতেই শে� কর� ফেলত� পারবেন� আরেকটি কথ� যেটি না বললে� নয� সেটি হল� বইটি� ইউনি� প্রচ্ছদ। প্রচ্ছদট� এতটা� দারু� হয়েছে যে যেকোনো পাঠক একবারে� জন্য হলেও বইটি� প্রত� আকৃষ্ট হবেন�
এই বইটা যখ� বে� হয� তখ� থেকে� এই সুন্দর প্রচ্ছদে মন আটকে গিয়েছিল, মন� হয়েছে এই বইটা যে� আমার লাগবেই লাগবে। ভিতর থেকে মন যে� বলছি� যে গল্পটা ভালো হবে। আসলে� সুন্দর একটা গল্প তব� খুবই অসাধারণ। আম� সাধারন� ভৌতি� উপন্যা� কম পড়ি কারণ পড়ত� গেলে ভয� লাগেনা� কিন্তু এটাক� আসলে ভৌতি� বল� যায়না, অলৌকিক উপন্যা� বল� যায় যেমনটা বই � লেখা আছে। বই পড়ে মন� হতেই পারে বাস্তব� এম� হয়না। হ্যা�,আসলে তো হয়ন�, কিন্তু সেখানে� লেখকের স্বার্থকতা যে লেখক নিজে� কল্পনা শক্ত� দিয়� এম� একটা প্লট তৈরি করেছেন, মন� হব� যে� বাস্তবেই এম� হয়। তা� সাথে আছ� ঢাকা� বিভিন্� চেনা জানা স্থানে� উপস্থিতি যা আপনাকে গল্পের সাথে যোগসূত্র স্থাপন করতে সাহায্� করবে�
রিকশাচাল� হর� একদি� রাতে আবিষ্কার কর� � আসলে মৃ� আত্ম� দেখত� পায়, এরপর থেকে প্রায় প্রতিদিন রাতে� সে আত্মাদেরকে তা� রিকশায� কর� গন্তব্� স্থানে পৌঁছ� দিত। তব� একদি� ঘো� বিপদ� পড়ল যখ� এক মেয়ের আত্ম� তা� কাছে এম� এক সাহায্� কর� বস�, যা সমাধান করার সাধ্� তা� নেই। কিন্তু তাকে সাহায্� না করলে হর� মুক্তি পাবেনা সে� মেয়ের আত্ম� থেকে� এর মধ্যেই তা� দেখা হয� নবী স্যারে� সাথে যিনি আসলে দুনিয়ার আদর্� দিয়� জীবন চালা� না� তা� নিজস্ব আদর্� আর ধর্ম রয়েছে� নবী স্যারে� মাধ্যম� এই গল্প মোড় নেয় এক অন্যদিকে যেখানে এক� এক� আর� অনেক চরিত্র যুক্� হয়েছে�
এই গল্পের একটা দি� হল� আপনি মানুষক� সামন� থেকে দেখে যেমন ভাববেন, তিনি ভিতর� তেমন না� হত� পারেন। হত� পারে তিনি অত� ভয়ানক কে� যে তা� লা� চরিতার্থ করার জন্য ভালো মানুষে� মুখোশে� আড়ালে থাকে� তাদে� এক ক্ষমতা থাকে মানুষক� নিজে� মুঠোয় এন� কা� করানোর� তারা এম� সব চিন্তায় মগ্ন থেকে উন্নতি করতে চায় যেটা সামগ্রিকভাবে অন্যকারো ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়� লেখক চমৎকার ভাবে এই মেসেজট� এই গল্পের মাধ্যম� দিয়� দিয়েছেন� সবমিলিয়� আমার বইটি পড়ে ভীষণ ভালো লেগেছে� খু� সহজভাব� লেখা ছো� একটি উপন্যা� যা এক বসায� শে� কর� গেলে� আমার ব্যস্ততা� কারণ� দুইদিন লেগেছে�
ছো� কর� বললে, এই বইটা অত্যন্� ভালো লেগেছে� ৯৬ পাতা� ছো� একটা উপন্যাস। এত� ভূ� আছ� তব� গল্পটা কম ভৌতি�, বেশি মানবিক�
আমার বইটা পড়ত� কম-বেশি আড়া� ঘণ্ট� সময় লেগেছে� কিছুক্ষণ পর পর ফো� হাতে না নিলে বা খ্যা� খ্যা� কর� হাসি� ব্রে� না নিলে আরেকটু কম সময় লাগত�
‘বৃষ্টির দি� ভাড়� বেশি� এক রিকশাচাল�, একটি মৃ� তরুণী, � একজন প্রফেসরে� পরিচয় ঘটায়। এত� একজন ব্যবসায়ী� যুক্� হন� এমনিতে ভীতু� ডি� হলেও বইটা পর� তেমন ভয� পাইনি। সম্ভবত ‘অনামিকা চুপ’এ� পর যথেষ্ট প্রস্তুত� ছিল।
এই বইয়ের চরিত্রগুলো খুবই ইন্টারেস্টিং� মোটামুটি সকলে� ভাবু� প্রকৃতির� বিশেষত, নবী স্যার। তিনি অবশ্� একজন ফিলোসফার।৫� বছরে তাঁর পড়া বইয়ের সংখ্যা ১২ হাজারে� বেশি� তাঁর সম্পর্কে পড়া একটা আনন্দে� ব্যাপার। দুঃখের ব্যাপা� আর কোনো বইতে হয়ত� তাঁর সাথে দেখা হব� না�
এদিক� হর� হালদারের সাথে আম� নিজে� যথেষ্ট মি� খুঁজ� পেলাম। বিশেষত রাস্তায় দাঁড়িয়� বাগা�-বিলা� ফুলে� দিকে তাকিয়� থাকা এব� অধিক কল্পনাপ্রব� হওয়ার দরুণ ঝগড়�-বিবা� এড়িয়� চলার ব্যাপারগুলো। তব� হরুর মত� আমার� জানে� ভয� থাকায় ডেইল� অটোরিকশাওয়ালাদে� সাথে বেপরোয়া গত� নিয়� বিবা� ঘট� যায়�
এই বইয়� ছড়িয়� ছিটিয়� আছ� ঢাকা শহ�, চাকর�-অর্থ, জীবন � মৃত্যু নিয়� ফিলোসফিকাল আলোচনা� এছাড়া লো�, নিজে� প্রয়োজন� বানোয়াট নীতিকথ� কাজে লাগানো আর বিষণ্ণতা নিয়� ডিসকোর্স� � নিয়� আর� অনেক চিন্তা কর� বুঝতেই পারছি। চেনা পরিচিত পথঘাটে আবর্তি� গল্পটা� শেষে মন ভারী হয়ে গেল।
বইয়ের না�: বৃষ্টি� দি� ভাড়� বেশি লেখক : তানজী� রহমা�
এক বসায� সেহরির অপেক্ষ� করতে করতে বইটা পড়ে ফেললাম�
Astral Projection নিয়� পড়া বাংল� বই এটাই প্রথম। এই থিমে একটা সিরি� দেখেছিলা� "Behind her eyes"� আমার কাছে এই জনরাটা খু� অসাধার� লাগে� এট� নিয়� আম� বে� কয়েকবার ঘাটাঘাটি� করেছি।
ছোট্� এই ৯৬ পেইজের বইয়� অনেক বিষয়ই উঠ� এসেছে। রিডি� ব্লক কাটাবে ১০� তে ১০�! Astral projection এর কথ� তো বললামই� আবার জীবন � মৃত্যু বিষয়ক ফিলোসোফি, ডিপ্রেশন ইত্যাদ� ইত্যাদি।
এট� আমার জন্য সুখপাঠ্য ছিলো� যারা body horror পড়ত� পারে না এট� তাদে� জন্য না� আমার কাছে বে� লেগেছে� লেখকের গত বছরে প্রকাশিত " তি� জন" বইটা� বে� unique ছিলো� এম� টপিক গুলো নিয়� বাংলাদেশের খু� কম লেখক এক্সপ্লো� করেন� আশ� করছি এম� লেখা আরোও পাবো�
আর তা� বইগুলো পড়ে মন� হয� লেখকের A24 এর হর� জনরা� মুভি গুলো পছন্� করেন।তার লেখা� সাথে রিলে� করতে পারি কারণ আমার খু� পছন্�, হররে� সাথে সাথে মানুষে� সাইকোলজি এক্সপ্লো� কর� হয� মুভি গুলোতে�
কিছুক্ষণ আগেই শে� করলা� তানজী� ভাইয়া� বৃষ্টি� দিনে ভাড়� বেশি উপন্যা� টা� মূলত গল্প বা ঘটনা� দিকে না এগিয়ে আম� নিজে� ব্যক্তিগ� মতাম� দিতে� এসেছি। হর� জনরা কমবেশি আমাদের সবার� খু� পছন্দে� আর সে� হিসেবে� মূলত বইটা নেওয়া তব� যতোটুক� এক্সপেক্� করেছিলাম ততোট� পাইন� বই থেকে।প্ল� দুর্বল লেগেছে� � ঘটনা সাজানো গুছানো ছিলো কিন্তু বইয়ের কিছু পে� পড়া� পর আর আগ্র� পাইন� তবুও শে� অব্দ� জানা� ইচ্ছ� থাকায় পড়া� ৭৯ পেইজ থেকে বইয়ের বর্ণনা গুলো খুবই কাঁচ� লেগেছে তব� সবচেয়� ভালো লেগেছে নর্স � গ্রী� মিথলজি রিলেটে� ব্যাপারগুল� জানত� পেরে।কিছ� জায়গায় ডিটেইলিং ভালো ছিলো� আর ঘটনা যে স্তর� স্তর� সাজানো হয়েছে তা� বেশি কনফিউশান লাগেনি� পাঠক হিসেবে বইটা নিয়� যা অনুভ� করেছ� তা� মূলত আলোচনা করলাম। আশ� করবো লেখক আরেকটু সহ� বাক্যবিন্যাস করবে� এব� বেশি ব্যাখ্যা সহিত বই লিখবেন😅
This writer has potential. He is well read and improving as a writer. Some of this recent books lacked cohesion. He seems to have good ideas but they mostly do not result in compelling stories. This book to me is his best work till date. World creation was good. I hope he would focus on developing more compelling characters. He loves sharing philosophical ideas but that doesn’t always work as at times it feels imposed and takes me away from the story.
I will look forward to the growth of this writer with intense interest.
স্টোরি টা খারা� না, কিন্তু প্রবলে� হচ্ছ� writing �. অনেক খাপছাড়া খাপছাড়া ছি� লেখা� ধর�. টাইপিং এর� � ছি� কয়েকট�. মাঝে মাঝে out of context কিছু কথ� লেগেছে. কিছু লাইন কয়েকবার পড়ত� হয়েছে বোঝা� জন্য�.
অক্টারিন - জগ� সবুজ আর বিরূপকথা, এই দু� বই পড়ে খুবই হতাশ হয়েছিলাম। আর্ক� বা অরিজিনাল অক্টারিন� যেমন প্রত� পাতাতে� লেখক মনোযোগ ধর� রেখেছিলে� সে� কোয়ালিট� হারিয়� গিয়েছ� মন� হয়েছিল। এই বইটি আবার পুরোনো লেখাগুলো মন� করিয়ে দিল।
এক বসায� পড়ে ফেলা� মত একটা বই� খুবই ফাস্ট। একের পর এক ঘটনা ঘটতে� থাকে� অনামিক� চু� এব� তিনজনে� মত� এক� স্টাইল� বর্ণনা� মাধ্যম� লেখক গল্পের শাখা ছড়াতে থাকেন। ভৌতি� অংশটুক� বে� অস্বস্তিকর� পরকালে� একটা ভাবন� মাথায় চলতে থাকে�
Its my first reading of this author. I found the character developments very diversified and unique. The writing style amazed me the most, including words selection. Really enjoyed it.