Humayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমে�; 13 November 1948 � 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.
Early life: Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.
Education and Early Career: Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.
Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.
Marriages and Personal Life: In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters � Nova, Sheela, Bipasha and one son � Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons � Nishad and Ninit.
Death: In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.
উপভোগ্� একটা সাইকোলজিক্যা� জনরা� বই� অতিরিক্ত এক্সরে রশ্মির কারণ� এক মধ্যবয়স্ক ব্যক্তির এক অদ্ভুত পরিবর্তন ঘট� যায়� মানুষে� মনোজগত� বিচরণে� ক্ষমতা অর্জ� কর� সে� এরপর যা যা ঘট� সেটা নিয়েই গল্প�
বরাবরে� মত� হুমায়ুন আহমেদে� লেখায় মজ� পেয়েছি। বইটাতে একটা বিষণ্ন ভা� ছিল। মাঝেমধ্য� সূক্ষ্� হিউমারের ছোঁয়া� আছে। শেষট� অপ্রত্যাশি� ছি� কিছুটা� সর্বপর� বে� ভালো লাগল� এক বসায� শে� করার মত বই�
আমার সবসময়� মন� হয� হুমায়ুন আহমে� জীবনমুখী সামাজি� ঔপন্যাসি� না হয়ে শুধু থ্রিলা� বই লিখলেও যে দুর্দান্� একজন বিশ্বমানের লেখক হতেন এই বইটা তা� প্রমাণ� আমার পড়া অন্যতম সবচেয়� ইউনি� একটা হুমায়ুন-উপন্যা�, টানটান উত্তেজনা� পিওর প্যারানরমা� সাসপেন্স থ্রিলা� হিসেবে যেটা পুরোপুরি সফল। বইয়ের শুরুতে কিছুটা সায়েন্সফিকশ� এলিমেন্ট থাকলেও পরবর্তিত� কাহিনী বলতে গেলে পুরোপুরি� সাইকোলজিক্যা� থ্রিলারে পরিণ� হয�, সে� সাথে যুক্� হয� শ্বাসরুদ্ধকর সাসপেন্স� যেকো� নন-হুমায়ুন পাঠককে� আম� এই বইটা পড়ত� রেকমেন্ড কর�, যদ� তা� এক্স-ফাইলসীয় রোমাঞ্� গল্প ভা� লাগে� বহুবছর আগ� পড়েছি, ভাবছ� আবার রিভাইজ দিতে হবে।
সাইকোলজিক্যা� � প্যারানরমা� জিনিসপত্� নিয়� লেখাটা আমার কাছে মন� হয� সবচেয়� কঠিনতম কাজ। মানুষে� মনস্তত্ত্বের এপার ওপার ঘুরে তাকে নিয়� গ্ৰহনযোগ্� কিছু লেখা এব� সে� লেখা� ছা� পাঠকের মনের অজান্তেই যারা ফেলত� পারে� তারা আমার মত� নিঃসন্দেহে এই পৃথিবী� অন্যত� শক্তিশালী জাদুকর� অনায়াসে তারা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের নানা অংশে ঢুকে তাদে� জাদু� ছা� ফেলে যা�,আর এই পুরো বিষয়ট� যতটা সহ� মন� হয� ততটা কিন্তু হেলাফেলাযোগ্� নয়।
এক্ষেত্র� হুমায়ূন আহমে� বল� যায় কিছু কিছু লেখা� ক্ষেত্রে লেটা� মার্কস পেয়েছ� আবার কিছু ক্ষেত্রে টেনে টুনে পা� �
দেবী,নিষা�,বৃহন্নলা,আম� � কয়েকট� প্রজাপতি,যখ� গিয়েছ� ডুবে পঞ্চমী� চাঁদ এরকম আর� শত শত লেখা পড়লেই মন� হব� এই লোকট� শুধুমাত্� প্রকাশকদের চাহিদা আর বছ� বছ� বই বে� করার এক অদ্ভুত রো� না থাকল� বোধহয় এরকম� আর� লেখা� পসরা সাজিয়� গুছিয়� পাঠকদে� তুলে দিতে পারতেন�
যা� হো� ধা� ভানত� শিবে� গী� গাইব� না এই প্রতিজ্ঞ� নিয়� প্রতিবার দু তি� কল� লিখত� বসলে� সে� ইতিহাস রচনা হয়ে� যায় সুতরাং অল্প কথায� কা� করার ইচ্ছ� ক্ষান্� দিয়� অগত্যা মন� যা আস� তা� লিখে ফেলি� আশাকরি আমার এই মুদ্রাদো� কারো� জন্য চক্ষুশূল হওয়ার কারন হব� না�
মে মাসে� দিকে� চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্ব� নামে� বইখানা পড়েছিলা� যা� বিষয়বস্তু ছি� দেবী ধরনীতে আসার সময়কালে ভুলক্রমে মহাদেবের দেওয়া ভে� হারিয়� ফেলে� ফলাফ� মর্ত� সবাই বুঝত� পারছ� এর ওর মনের কথ� ।একট� বিরা� ক্যাচালে� মধ্যে যখ� পুরো মর্ত্যবাসী ঠি� তখুন� সব ভোলবাজির মত পাল্টে ঠি� হয়ে গে�,
হুমায়ূনের এই লেখা� আর সমরেশে� সে� লেখা� প্রেক্ষাপট একদম� ভিন্� যদিও কিন্তু তারপরও আমার এই মনের কথ� বুঝত� পারাটা অংশে� সাথে প্লটখানা এক� লেগেছে�
মাত্� চব্বিশ ঘণ্টার জন্য মনের কথ� বুঝত� পেরে� যে লঙ্কাকান্ড বেঁধেছিল আর এখান� তো নিশানা� বাবু দিনে� পর দি� এর ওর মাথা� মধ্য� চলতে থাকা আল� ঝলমল পরিস্থিতির সাথে সাথে বুঝত� পারছিলেন তা� ভেতরকা� যত পঙ্কিলতা অন্যায় অশুভ তৎপরতা� আপাতদৃষ্টিতে কারো বিনা অনুমতিতে তা� মাথায় ঢুকে ব্যক্তিগ� ভাবনাগুল� পড়া গর্হিত কা� কিন্তু এই অবাঞ্চিত ক্ষমতা� সাথে সাথে নিশানা� মশাই পেয়েছেন আরেক ঐশ্বরি� ক্ষমতা� নিজে� শরীরে� সাথে প্রাণান্তক� যুদ্ধে� পর� সে� কালে� কালো ছায়� সরিয়ে দিতে� মনের থেকে।নিজ� শ্রান্� ক্লান্� হয়ে ভো� করেছেন অসহনীয় যন্ত্রনা কিন্তু বিনিময়ে কাছে� লোকে� জন্য দিয়েছেন অফুরন্� শান্তি স্বস্ত� ভালোবাসা�
কারো মন� মাথায় ঘুরপাক খাওয়া কষ্ট যন্ত্রণা অভিমান অনুযোগ দেখা� সৌভাগ্� আমাদের ঈশ্ব� দেননি।মানবচরিত্র এতটা� বিচিত্� যে এই কথ� বুঝে ফেলা� উপায়ট� থাকল� কারো উপকা� করার থেকে ক্ষতিটাই কর� ফেলতাম বেশি বোধহয়।জগত� সবাই তো আর নিশানা� হন না।☺
"একজনের মাথা� ভেতর প্রবেশ করবা� সঙ্গ� সব পরিষ্কার বোঝা যায়� একজন মানুষে� মানসিকতা কেমন? ক্ষুদ্� ক্ষুদ্� ইটের বিশা� বিশা� ইমারত। সেইস� ইমারতে বিচিত্� সব প্যাটার্ন। অদ্ভুত সব নকশা� একজন মানুষে� মানসিকতা বদলানো� মানে হচ্ছ� � সব নকশায় পরিবর্তন আসা। যা� জন্য পুরো ইমারতটাকেই ভেঙে নতুন কর� বানানো দরকা� হয়ে পড়ে� নিশানা� বাবু তা পারলেন� তব� তাঁর অসম্ভব কষ্ট হত� লাগলো। মন� হল� যে� শরী� অব� হয়ে আসছে� ক্লান্তিতে ভেঙে পড়ছেন� এর মধ্যেও কিছু কিছু পরিবর্তনের চেষ্টা করলেন। কাজট� কঠিন,তব� পুরোপুরি অসম্ভব নয়। তা� কারণ মানসিকতা পরিবর্তনের ব্যাপারট� কীভাবে করতে হয� তা তিনি জানেন। কে� তাঁক� শিখিয়� দেয় নি।তবু তিনি জানেন। কী কর� জানে� সে� এক রহস্য।"
জাদুকরদে� থট রিডি� করতে তো অনেক দেখা যায়,তব� এই ঘটনা কতটা সত্য আর কতটা মিথ্যা� টাটি� ভঙ্গুর বেড়� দিয়� আটকানো তা কমবেশি আমরা সবাই জানি� কেমন হব� যদ� একজন মানুষে� মাথা� ভিতর� ঢুকে আপনি সব পড়ত� পারে�? সেটা কেমন দাঁড়াবে যদ� এলোমেল� কর� দিতে পারে� তা� সব ভাবন�, অনুভূতিক� বদলে চিন্তাধারা� প্যাটার্� বদলে দিতে পারে�.... ভণ্ডুল কর� দিতে পারে� কোনো কূটচাল বা জাগিয়� তুলত� পারে� চামড়া� নিচে লুকানো অমানুষটা� গিরগিট� স্বভাব?
ধনাঢ্য ছাত্� মহসিনে� ছেলেমেয়েক� পড়িয়� শে� বয়সের দিনগুল� কাটাচ্ছিলে� নিশানা� বাবু� সাইনাসের সমস্যা দেখাতে গেলে ডাক্তা� তাকে বল� এক্স-রে করতে� এক্স-রে মেশিনে� গণ্ডগোলে মাথা� ভিতর দিয়� চল� যায় দশ হাজা� রেম। এম� অবস্থায় একজন মানুষে� মৃত্যু হওয়াট� স্বাভাবি� হলেও, ভাগ্যগুণ� বেঁচ� যা� নিশানা� মাস্টার। তব� বদলে যায় তা� জীবনের গতিপথ। শরীরে রেডিয়েশনে� পার্শ্বপ্রতিক্রিয়� দেখা দিতে শুরু করলে� মানুষে� মনের ভিতর ঢুকে যাবা� মত� অদ্ভুত ক্ষমতা লা� করেন তিনি� তারপ� কী হয�? এটুক� জানত� হল� পড়ত� হব� "কুহক" এর অদ্ভুত মায়াময় আখ্যান�
অনেকের কাছে হুমায়ূন আহমে� বললে� হিমু, বাদশাহ নামদার, জোছন� � জননী� গল্প,শঙ্খনী� কারাগা�,বহুব্রীহি বা কোথা� কে� নে� এর মত� বইয়ের কথ� ফুটে ওঠে। কিন্তু আম� সবসময়� হুমায়ূন আহমেদে� কিছু লেখাকে একটু অন্য লেন্সে দেখি� উনার লেখা প্যারাসাইকোলজিক্যা� থ্রিলা�, প্যারানরমা� আর উইয়ার্ড লিটারেচা�, সায়েন্স ফিকশনগুল� সময়ের থেকে অনেক বেশি এগিয়েছিল। এই ঘরানায� উনার লেখাগুলোকে বি� করবা� মত� লেখা আম� এখনো পা� না� উন� চাইল� যে, থ্রিলারও ভালো লিখত� পারতেন সেটা� প্রমাণ পাওয়া যায়, "কুহক" নামে� এই বইটাতে�
এক বসায� পড়ে ফেলা� মত� বই� এর অনন্� প্লট তখনকার সময়ের তুলনায� বে��� এগিয়েছিল। সাজেস্টি� হিপনোথেরাপ� নিয়� এখ� অনেক বই দেখা গেলে� সেসময় তেমন ছি� না� লেখনী হুমায়ূনীয় ধারা�... উদ্ভ� কিছু চরিত্র আর তাদে� ��িচিত্র স্বভাব, মানুষে� মনের জটিলতা, প্রতারণা, হুটহাট কথ� বল� চমকে দেয়ার মত� সব সিগনেচার� উপস্থিত। হুমায়ূন আহমেদক� অনেক সমালোচ� বাজারি লেখক বলেন, কিন্তু আমার মন� হয� উন� ভালো একজন স্টোরিটেলার। খু� বেশি ডিটেইলিং না কর� সুপারফিসিয়ালি গল্প বুনত� বুনত� গল্পের একদম মধ্য� চল� যান। হাসত� হাসত� শুনিয়� দে� কঠিন কথা। স্পেশালি সাসপেন্সিভ অ্যাটমোস্ফিয়া� খু� ভালোমত� তৈরি করতে পারেন। ক্যারেকটার ডেভেলপমেন্� উনার অন্য বইগুলো� মতোই...কিছু কিছু ক্যারেকটার বে� কমিক, কে� খু� মানবিক, আবার কারো ভিতর দানা বেঁধ� আছ� কুটিলতা।
সবথেকে ভালো লেগেছে একজন বৃদ্� লো� আর মূ�-বধির এক মেয়ের ইন্টারেকশন আর ব্যতিক্রমী এন্ডিংটা�
তব� এর এন্ডিং বা স্টোরিলাইন আর� বেশি অন্যরক� হত� পারত�, যদ� উন� মানবিক ধাঁচ� গল্পটা না বোনা� চেষ্টা কর� একটু ডার্� কমেড� আর থ্রিলা� জনরায় এটাক� নিয়� আসতে চেষ্টা করতেন। চাইলেই নিশানা� মাস্টারক� অ্যান্টাগনিস্ট বানিয়� পাঠকের সাথে মাইন্ডগে� খেলা যেতো� কিন্তু হুমায়ূন আহমেদে� এই ধরনে� রচনাগুলোতে মানবীয় দিকটাই বেশি প্রকটভাব� ধর� দেয়...প্রকৃত� ব্যতিক্র�-অনিয়ম পছন্� কর� না,সে সবকিছু সাম্যাবস্থায� রাখত� চায়...এই নিয়� মেনে� হয়ত� লিখে গেছে� এস� আখ্যান�
নিশানা� বাবু� বয়স ৫৫/৬০ হবে। থাকে� এককালে� প্রিয় ছাত্� মহসিনে� বাসায়� মহসিনে� ছো� সংসা�; স্ত্রী দীপা, দু� মেয়� রাত্রি � আল� আর এক ছেলে তুষার। আলোর মূ� � বধির, এই নিয়� দীপা আর মহসিনে� দুঃখ হয়। নিশানা� বাবু এককালে মহসিনক� পড়িয়েছেন এখ� পড়া� তুষা� আর রাত্রিকে�
একদি� নিশানা� বাবু যা� এক্সরে করাতে। যন্ত্রের বে� গোলযোগ হওয়ার কারণ� মাত্রাতিরিক্� রেডিয়েশ� চল� যায় তা� মাথা� ভেতর দিয়ে। ডাক্তা� আর এক্সরে অপারেটকারী মাসু� অবাক হয়ে যায়, লোকট� বেঁচ� আছ� দেখে� কিন্তু এরপর থেকে� সমস্যা দেখা দেয়� নিশানা� বাবু ডাক্তারে� চেম্বারে থাকা অবস্থাতে� কিছু অনুভ� করেন� চেম্বারে নাসিমা নামে এক অল্পবয়সী তরুণী� ছিল। তা� মনের কথ� সব জেনে ফেলেন। খুবই অদ্ভুত বিষয�!
বাড়িত� ফিরে যাওয়া� পর তা� শরী� আর� খারা� হত� থাকে� একরাতে� মধ্যেই তা� মাথা� সব চু� পড়ে যায়, দাঁত খুলে পড়া শুরু হয়। এরমধ্য� তিনি নিশ্চি� হন যে, এক অস্বাভাবিক ক্ষমতাবল� তিনি মানুষে� মস্তিষ্কের মধ্যদিয়� ঘুরে আসতে পারে�; সবার মনের কথ� জেনে ফেলেন। যদিও তা� কাছে এই ব্যাপারটাক� অনৈতিক কা� বল� মন� হয়। তিনি আলোর সাথে মন� মন� কথ� বল� তাকে পড়ালেখা শেখান। দীপাকে দেখে তা� মন� হয� মেয়েটির দেবী অংশে জন্ম, মেয়েটির সাথে খারা� কিছু হওয়� উচিত নয়। এর� মাঝে একবা� তিনি দাঁতের ব্যাপারে জানত� ডেন্টিস্টে� কাছে যা�, আবার তাকে এক্সরে করার জন্য যেতে হয়। তিনি আগের সে� ক্লিনিকে� যান। সেখানে গিয়� মাসু� আর ডাক্তারক� অবাক কর� দেন। একদি� তিনি দেখেছিলে� মানুষে� মস্তিষ্কের সামান্� পরিবর্তন কর� যায়� তা� তিনি ডাক্তা� আর নাসিমা মেয়েটির মস্তিষ্ক� ঢুকে কিছু পরিবর্তন কর� দে� (ভা� মানু� বানানো� চেষ্টা আরকি!)
শেষে� দিকটায� উনার শরী� আর� খারা� হয়ে যায়, যখ� তখ� অবস্থা আরকি! রাতে� বেলায় মহসি� তা� খোঁজ খব� নিতে গেলে তিনি বুঝত� পারে� মহসিনে� আরেক রূপ। এই যে সাধা-সিধা ঠান্ডা মাথা� মহসিনক� তিনি দেখে� কিন্তু তা� মস্তিষ্ক� পাওয়া গে� স্ত্রীকে হত্য� করার পরিকল্পনাকারী মহসিনক� যা� ফল� সে ২য� বিয়� কর� তা� বর্তমা� সঙ্গিনীকে অনায়াসে বিয়� কর� আনতে পারবে। মহসি� যাওয়া� পর দীপা আসলে তিনি দীপাকে বলেন ঘরের সমস্� ইস্ত্রী যে� তাকে দিয়� যায়� দীপা� মুখে এই কথ� শোনা� পর মহসি� স্তম্ভিত হয়ে যায়� তারমান� তা� শ্যালিকা তৃণা� কথাই সত্য�! বুড়োট� মনের খব� পড়ত� পারে� (তৃণা ডাক্তা�, নিশানা� বাবুকে দেখত� এস� নিশানা� বাবু� এই আশ্চর্� ক্ষমতা সম্পর্কে জানত� পারে)
মহসিনে� ধারণ� হল বৃদ্� মানু� দু'দি� আগ� মরলে� অসুবিধ� নেই। যাত্রা করলো তাকে বালি� চাপা দেয়ার জন্য� নিশানা� বাবু টে� পেয়� ভাবলেন দীপা� সাথে খারা� কিছু হত� দেয়� চল� না�! দেবী অংশে জন্ম মেয়েটার! তা� তিনি শেষবারের মত� মস্তিষ্কের স্মৃতি পরিবর্তনের কা� শুরু করলেন। খু� বেশি সময় নে� হাতে � নুসরাত জাহা� নুশা নামে� মেয়েটির সাথে জড়ি� সব স্মৃতি মুছে ফেলত� হব�, দীপা� জন্য প্রচুর ভালবাস� থাকব� এর জায়গায়� সময় কম! মহসিনও নিজে� কা� শুরু কর� দিয়েছে। এই খুনে� স্মৃতি� মুছত� হব�, একজন ভা� মানু� � ধরনে� স্মৃতি নিয়� বাঁচতে পারব� না�
পরদি� সকাল� মহসিনে� ঘু� ভাঙে একটু দেরিতে, সাথে থাকে দীপা� জন্য একরা� ভালবাস�.....
~১৬ এপ্রিল, ২০২১
This entire review has been hidden because of spoilers.
কেমন হয� বলুনতো?হঠাৎ কর� আলাদীনে� চেরা� থেকে বিপু� পরিমাণ� শক্ত� পেলেন।সে� বিচ্ছিন্� শক্ত� দিয়� আপনি কী গড়ে তুলবেন?নয়নজুড়ান� অমরাবতী,নাকি উপ্তপ্� লাভা� মতোন টগবগ কর� ফুটত� থাকা দোজখ?
যেকোনো কিছু� হত� পারে।ভাল�-মন্দ যা খুশি হত� পারে,মানু� মাত্রই ভালো-মন্দের ��ধীন।ঠি� যেমন আইনস্টাইনে� E=mc2 আর আমেরিকার হিরোশিমা-নাগাসাকি নিঃশেষকারী নিউক্লিয়া� বোমা�
কিন্তু?নিশানা� বাবু যে� যথার্থ মানু�,তা� নিজে� জীবনের "সেকেন্� চাইল্ডহুডে"এস� বড্ড শিশুসুলভ আদুর� মায়ায� আচ্ছন্� হয়ে মানুষে� মন-মস্তিষ্ক� প্রবেশ কর� যে� ছোট্� শিশু� মতোন খেলে গেলে�,আপ� মনের খেয়াল�....
"খেলি� � বিশ্বলয়�,বিরা� শিশু আনমন�"
ব্যতিক্র�:-তিনি ঐশ্বরি� নন,মানবিক�
কী অদ্ভুত � মনের খেয়াল.....আর আমরা...
হুমায়ূন আহমে� পুরো কাহিনীকে এক অদ্ভুতুড়ে রেশম সুতোয় বুনেছে�;খুবই স্মু�,কিন্তু এক চিত্তাকর্ষ� জটিলতায় ঘেরা�
সে� সাথে আবছা কুয়াশার মতোন থ্রিলারও কাহিনীকে আচ্ছাদিত কর� রেখেছে, সবমিলিয়� যে� যথার্থ� এক "কুহক"!
তবুও যে� কোথা� কোথা� খু� একটা জমলো না;দই হব� হব�,কিন্তু দই নয়।
এই মনস্তাত্ত্বি� মাইন্ডরিডি� বা হিপনোটিজমে� এক বৈপরীত্যময় দ্বৈরথ পেলে আর� খুশি হতাম;ভালো-মন্দের পারফেক্ট ব্যালান্স–লাও ৎস� এর " ইন-ইয়া� " চক্র.....
কিন্তু বইয়ের পাতায় পাতায় যে আম� অনাবিল আনন্দে� ইন্দ্রজালে আবদ্� হচ্ছিলাম,না স্বীকা� কর� উপায� নে�!
সাইকোলজি ঘরানার বে� অদ্ভুত একটা গল্প� নিশানা� বাবু� গল্প� এক্সরে মেশিনে� গোলমাল� উচ্চ রেডিয়েশ� মাথায় গিয়� তিনি এক অদ্ভুত ক্ষমতা অর্জ� করেছেন� তিনি মানুষে� মনোজগত� প্রবেশ করতে পারে�, সেইসাথ� ট্যালিপ্যাথি� পারেন। আমার বে� ভালো লাগলো। একজনের মুখে প্লট শুনে বে� ইন্টারেস্টিং লাগায় পড়ে ফেললাম� সুখপাঠ্য, কেমন মায়� মায়� লাগে�
প্রায় দুইমাস পর কোনো বই পড়লাম� সা�-ফা� মোটে� আমার পছন্দে� জনরা না� তব� এইটা আমার পড়া আগের সা�-ফা� গুলো থেকে সম্পূর্ণ ভিন্� ধাঁচের ছিলো� দারু� উপভো� করেছি।
জেরি� আপ� ২০২১ এর শুরু� দিকে বইটা রেকমেন্ড করেছিলেন� বৈজ্ঞানি� কল্পকাহিনী দেখে না� কুঁচকায়� এতোদিন ধর� নাই। তব� এখ� এই চমৎকার বইটা� জন্য আপুক� ধন্যবা� জানাচ্ছি ;)
আজকে� দিনে পড়া � নাম্বা� বই � এব� গত কিছুদিনে� ভিতর� পড়া সেরা একটা বই ( দ্যা ক্রা� অফ দ্যা ডো� সেকেন্ডে থাকব�) এইটা আসলে একের ভিতর� অনেক কিছু - সায়েন্স ফিকশ� , সাইকোলজিক্যা� থ্রিলা� , প্যারানরমা� � আম� এত দি� জানতাম আম� হুমায়ূন আহমেদে� সব বই পড়ে ফেলছ� � দেখা� যাচ্ছে এই বইটা আগ� পড়ি নি এন্ড পড়া� পর আফসো� হচ্ছ� কে� আগ� পড়ি নি !!! বইটা শে� করার পর যে জিনিসট� প্রথ� লাগল আম� হুমায়ূন আহমেদক� আসলে প্রচুর মি� কর� � এই রক� বই আসলে ওনার পক্ষেই লিখা সম্ভব।
'Lucy' নামে� একটা সিনেমা আছে। সিনেমা� মূ� তারক� স্কারলেট জোহানসন। বিজ্ঞানীরা বলেন, মানুষে� ডিএন� তে সে� সৃষ্টি� শুরু থেকে সক� তথ্য জম� কর� আছে। সে� তথ্য আমরা জানিনা� Lucy সিনেমাতে দেখানো হল� এক বিশে� ড্রাগে� এক্সেস ওভারডোজে লুসি� ভয়ানক পরিবর্তন হত� থাকে� মানুষে� মস্তিষ্ক এক আজ� বিষয়। সে� পূর্� মস্তিষ্ক সে ব্যবহা� কর� ফেলে ডিএন�-তে লুকানো সব তথ্য দিয়ে। তাতে ঘটতে থাকে অত্যাশ্চর্� সব ঘটনা� সে দেখা পায় তা� সৃষ্টির।
কুহক শব্দের অর্থ জাদু/ঐন্দ্রজালিক। হুমায়ূন আহমে� রচিত 'কুহক' একটা ফ্যান্টাসি উপন্যা�, তব� সায়েন্স আশ্রিত বল� আমরা এটাক� সায়েন্সফ্যান্টাসি বলতে পারি� এটাক� সাইকোলজিক্যা� জনরা� বই বল� যায় না আসলে, তব� সেরক� এলিমেন্ট উপস্থিত। কুহকের গল্পটা Lucy-সিনেমা� গল্পটা� মত� কোনো ভাবে এক্সটার্না� কিছু� সাহায্যে মানুষে� ডিএন� চাকে নাড়� দেয়� গেলে কি ঘটবে, সেরক� একটা গল্প� বৃদ্� নিশনাথ বাবু� জীবন� ঘট� যায় এম� একটা ঘটনা� একজন সাধারণ মানু� এক্সরেতে ২০মিলিরে� রেডিয়েশ� নিতে পারে� ভুলবশত এই বৃদ্� মানুষটার ভেতর দিয়� কমপক্ষ� দশ হাজা� মিলিরে� রেডিয়েশ� চল� যাবা� পর থেকে তা� সাথে সাইকেডেলিক ব্যাপা� স্যাপা� ঘট� শুরু করে। তিনি মানুষে� মনের কথ� বুঝত� পারেন। এমনক� মানসিকতা, স্মৃতি� পরিবর্তন কর� দিতে পারেন। তব� এম� ক্ষমতা নিশিনা� বাবু� জীবন নিংড়ে নেয়� হুমায়ূন আহমে� সাধারণ� এম� গুরুতর ব্যাপা� নিয়� তা� ঢংয়� মানবীয় গল্প লেখেন। যে গল্প� মায়ার ছড়াছড়ি� গল্পের শেষে এস� দেখা যায় একটা সুন্দর সংসা� লণ্ডভন্ড হয়ে যায়, আর পাঠকের মন� সৃষ্টি হয� ক্ষত�
এই গল্প� হুমায়ূন আহমে� নিজে� এলেবেল� গপসপ কম করেছেন বিধায় এই বইটা চমৎকার লেগেছে পড়তে। তিনি লেখক হিসেবে সামাজি� উপন্যাসে� বাইরের জনরা গুলোতে এত বেশি� শক্তিশালী, এখ� পর্যন্� বাংলায� এম� লেখক পাওয়া কঠিন� ইদানী� খুঁজ� খুঁজ� সেসব বা� পড়ে যাওয়া ব্যতিক্র� বইগুলো পড়ছি। ভালো লাগছে।
এই বইটা আমার অনেক আগ� পড়া� আম� সাধারণ� সায়েন্স ফিকশ� এড়িয়� যাই। তব� হুমায়ুন আহমেদে� শূন্� আমার অত� পছন্দে� একটি বই� আসলে আম� বই পড়ে না� ভুলে যাই। অনেকদি� পর� আবার পড়ত� গিয়� কাহিনী চেনা লাগে তখ� বুঝি যে পড়েছি� কা� রিজওয়ান খলিল ভাইয়া� রিভি� দেখে কুহক পড়ত� বসলা� এব� আবিষ্কার করলা� এট� অনেক আগের পড়া আর আমার বে� ভালো লেগেছিলো� মানুষে� মাথা� ভিতর� ঘট� চল� ব্যাপা� স্যাপা� যদ� সত্যিই জানা যেতো আর নেগেটি� ব্যাপা� গুলো যদ� সত্যিই বদলে দেয়� যেতো! মানুষে� উপরে� চেহারা যে আসলে কতোট� ধোঁক� দেয় সেটা হুমায়ুন আহমে� বরাবরে� মতোই খু� সাবলী� ভাষায় বল� দিয়েছেন� :)
গল্পটি আসলে নিশানাথবাবুক� কেন্দ্� করে। নিশানা� বাবু� কিছুদি� ধরেই একটা জটিল সমস্যা হয়।বিনা কারণেই তা� চু� � দাঁত পড়ে যায়� আর একটা জিনি� তিনি অনুধাব� করেন যে তিনি মানুষে� মাথা� ভেতর ঢুকে যেতে পারে� এব� সবার মনের কথ�, ভাবন� চিন্তা জেনে যেতে পারেন।
গল্পটা যে কো� ঘরানার তা বল� মুশকিল।নিজেক� পড়ে দেখত� হবে। এটুক� বলতে পারি ভালো লাগবে।শেষট� শ্বাসরুদ্ধকর, কি হয� কি হয� ব্যাপার। নিশানা� বাবু মৃত্যু না হল� কি ক্ষত� ছি�, দুঃখ পেয়েছ� খুব। সত্যিই যদ� এম� ক্ষমতা আমার থাকত� সবার মনের কথ� জেনে যেতে পারতাম 😌, কত খারা� মানুষক� ভালো পথ� নিয়� আস� যেত।
উপন্যা� টা মেটাফিজিক্যা� আর সাইকোলজি� দারু� একটা কম্বিনেশন। কিন্তু পুরোপুরি যে� শে� হল� না� না পাওয়া� ভাবট� ঠিকই গতানুগতি� ভাবে হুমায়ূন স্যা� দিয়� গেলেন।
টিপিকা� হুমায়ুন থেকে আলাদা। কোনো হিমু টাইপ বিরক্তিক� পাগলাট� উড়নচণ্ডী চরিত্র নাই।হুমায়ুনের বইয়� মূ� গল্পের থেকে অনেক অপ্রয়োজনীয় উপ-গল্প� বে� হয়। সেগুলো অবশ্� তা� লেখা� গুনে পড়ত� বিরক্ত� লাগে না,তব� মূ� গল্প তা� টানটান ভা� হারায়� � বইটায় বাড়তি একটা লাইন� নেই।
কিছুটা সুপারন্যাচেরাল সা� ফা� টাইপের গল্প� অসাধার� বললে� কম বল� হবে। মাত্� ৬২ পৃষ্ঠা� পুরো বইটা জুড়� থ্রি� ছিলো�
আমার প্রায়� মন� হয� হুমায়ুন আহমে� তা� লেখা নিয়� খু� বেশি সিরিয়াস ছিলে� না� তা� ছব�/নাটক বানানো দরকা�,এজন্যে টাকা দরকা� তা� যেমন তেমন একটা বই কয়েকদিন� লিখে ফেলতেন বা সামন� বইমেলা... প্রকাশকে� তাগাদায় হু� হা� একটা কিছু লিখে ফেললেন� উন� যদ� সিরিয়াসলি লিখতেন.... উনার ৩০�+ বইয়ের সংখ্যা আর� দুশো কম� যদ� একশোটা 'সিরিয়াস' লেখনির বই হত� তাহল� বাঙালি জাতি হয়ত� বা আরেকটা নোবে� পেয়েও যেতে পারতো। এই ভাবনাট� অনেকের কাছে হাস্যক� ঠেকত� পারে।তবে আম� এটাই মন� করি। বাংল� সাহিত্যে এত� প্রতিভাবান লেখক এক রবীন্দ্রনাথ ছাড়� আর বো� কর� কে� নেই। হুমায়ুন এমনই গল্পের জাদুকর ছিলে� তা� সাধারন কথাগুলোই গল্প হয়ে যেতো� পৃথিবী� আর কারো আত্মজীবনী গুলো এতোট� সুখপাঠ্য কিনা আমার জানা নে� যতটা হুমায়ুনের কাঠপেন্সিল,বলপে�,ফাউন্টেনপে�,...
নিশিনা� বাবু� বয়স ৬০ এর মতো। থাকে� এককালে� ছাত্� মহসিনে� বাসায়, তা� দু� ছেলে-মেয়েক� পড়ান। আস� কাহিনী শুরু হয� যেদি� নিশিনা� বাবু মাথাব্যথার কারণ� এক্সরে করাত� যা� ওই থেকে� এক্সরে কর� বাড়� ফেরা� পর ধীরে ধীরে নিশিনা� বাবু� বিভিন্� সমস্যা দেখা দিতে থা�, যেমন- মাথা� চু� সব হু� কর� পড়ে গেলো, আবার সব দাঁত খুলে পড়ত� লাগলো। আর সবচেয়� অবাক কর� বিষয�, নিশিনা� বাবু যে কারো মাথা� ভিতর ঢুকে যেতে পারতেন! মানে কে কি ভাবছ� বা কা� মস্তিষ্ক� কি কি আছ� তা তিনি বুঝত� পারতেন� � সুযো� কাজে লাগিয়� অবশ্� তিনি কয়েকট� ভালো কা� কর� গিয়েছেন�
এম� কর� যদ� কারো মাথা� ভিতর ঢুকে পড়া যে�, তাহল� খুবই সমস্যা হত� আবার কে ভালো আর কে মন্দ তা সহজে� বুঝা যেতো� সবকিছুরই ভালো মন্দ দি� থাকে� কারো মনের ভেতরটা জেনে ফেলল� সব রহস্� শেষ। হুমায়ূন আহমে� কিছু বই এত সুন্দর কর� কেনো লিখেছে� কি জানি� পড়ি আর ভাবি, আসলে� হুমায়ূন আহমে� লিখেছে�? ওনার যে কয়ট� বই ইদানী� পড়েছি সব� আসলে� সুন্দর!
স্পয়লার� (আতঙ্কি� হউ�)- নিশানা� চক্রবর্তী� মহসি� সাহে� এর বাসা� প্রাইভেট টিউটর। এক্স রে করাত� গিয়� যান্ত্রি� ত্রুটি� কবলে পড়েন। তাঁর মাথা� ভিতর দিয়� পা� কর� অত� উচ্চমাত্রা� রেডিয়েশ� (১০০০� রে�)� তাৎক্ষনি� ভাবে একটি বীভৎ� দৃশ্যে� অবতারণ� হেতু তাঁর মৃত্যু বর� করার কথ� ছিল। কিন্তু আশ্চর্� ভাবে সে যাত্রায় বেঁচ� যা� তিনি� নিজে� ভিতর অনুভ� কর� শুরু করেন টেলিপ্যাথি� ক্ষমতার। আলোঃ মহসি� সাহে� এর তি� বাচ্চা� মধ্য� সব চেয়� ছো� � জন্ম থেকে� মূ� � বধির� কারো সাথে কথ� বার্তা বা ভাবে� আদান প্রদান করতে না পেরে, সর্বক্ষণ মনমর� হয়ে থাকে� দীপা� মহসি� সাহে� এর স্ত্রী� অত্যন্� বিনম্র গৃহকর্ত্রী এব� মমতাময়ী জননী� মহসি� সাহেবঃ এক জন ভদ্রলোক। মতান্তরে একজন .............. (অনেক স্পয়লার হই�, আর না)�
অন্যের মাথা� মধ্য� ঢুকে পড়ত� পারা এব� তা� সক� চিন্তা-ভাবন� জেনে যাওয়া, তা� স্মৃতিগুলো একদম বইয়ের পাতা� মত� পড়ত� পারা এই ব্যাপারট� কি fascinating মন� হয়।
কিন্তু মানুষে� মনের জগ� আল�-অন্ধকারে� জগৎ। কারো জগ� টা একদম আলোকিত, আর কারো জগ� একদম অন্ধকার। কারো জগতে অন্ধকা� � বেশি, কিন্তু তা� কিছুটা হলেও আল� থাকে� কারো জগতে অনেক আলোর মাঝে আবার একটু অন্ধকা� থাকে� এই অনেক আলোর মাঝে একটু অন্ধকা� থাকল�, নিজে� প্রয়াসে সে� অন্ধকারটুক� কাটা� দিয়� পুরো জগৎকেই আলোকিত কর� যায়� কিন্তু যা� মাথা� ভেতরের পুরোটা� অন্ধকা�? লো�-লালস�, ক্রো�, হিংস�, ঘৃনা, অন্যের জন্য� খারা� চাওয়া� বাসন� - এস� কিভাবে কাটা� দেওয়া যাবে? জীবন তো আর "কুহক" না এব� সেখানে তো নিশানা� বাবু� মত� মানু� থাকে না� যিনি অন্যের মাথা� ভালো-খারা� সব চিন্তাভাবন�, নতুন পুরোনো সব স্মৃতি পড়ত� পারে� এব� নিজে একজন আলোকিত মানু� বল� সবাইকে সেভাবে দেখত� চা� এব� তা� তিনি চেষ্টা করেন তা� এই ক্ষমতা কাজে লাগিয়� অন্যের অন্ধকা� দি� মুছে দিতে, তাকে আলোর দিকে নিয়� আসতে� কিন্তু এই নিশানা� বাবু� অস্থির হয়ে যা�, হতভম্ব হয়ে যা�, যখ� তিনি দেখে� তা� প্রিয় ছাত্� মহসী� যাকে তিনি অত� ভালো � হৃদয়বান মানু� হিসেবে জেনেছে� তা� পুরোটা� ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পন� কর� এক প্রকার ভণিত�, আসলে মহসী� এর মনের জগতে কোনো আল� নে�, পুরোটা� অন্ধকার। কিছু কিছু ভণিত� কখনো� বোঝা যায় না, ধর� যায় না� আবার কিছু মানুষে� মন� এতোই আল� থাকে যে তাদে� দিকে তাকালে�, তাদে� উপস্থিতিতে� তা বোঝা যায়, মাথা� ভিতর� প্রবেশ কর� তা জানত� হয� না� যেমনটা মহসী� এর স্ত্রী দীপা� দীপা যেখানে� যায় সেখানটাই আলোত� ঝলমল কর� উঠে। ঠি� সেরকমটাই মহসী� � দীপা� তি� সন্তান� রাত্রি, তুষা� � আলো। এই তিনজনই আলোয� ঝলমল কর� মানুষ। চারজ� আলোয� ঝলমল কর� মানু� যারা যেখানে সেখানটাই আলোকিত হয�, কিন্তু অন্যজন অন্ধকারে ডুবে যাওয়া মানু� যাকে দেখল� সে� অন্ধকা� এর গভীরত� ঠাহর কর� যায় না� এইজন্য� মাঝেমধ্য� আম� ভাবি আমার যদ� মানুষে� মনের কথ� বুঝত� পারা� একটা সুপারপাওয়ার থাকত�! যদ� থাকত�! আশেপাশ� কত মানু� আছ� যারা অন্ধকারে� ছায়� নিয়� ঘুরাফেরা কর� কিন্তু আমরা বুঝত� পারি না, তাদে� চিনত� পারি না কারণ কারো� চিন্তাভাবনায� প্রবেশ করার সুপারপাওয়ার আমাদের নেই। আবার আশেপাশ� অনেক এম� মানু� আছ� যাদে� মনের আলোর গভীরত� অন্ধকারকেও হা� মানায়, কিন্তু তারা যে আলোর পথের পথিক তা কি আমরা সবসময় বুঝত� পারি? আলোয� ঝলমল কর� মানুষর� ভালো থাকুক। তাদেরক� যারা চিনত� পারে তারা� ভালো থাকুক।🌸�
❝হিটলারে� সময় কন্সেনট্রেশন ক্যাম্পে� কিছু বন্দীকে নিয়� পরীক্ষা চালা� হয়েছিল। ঠি� এক্সরে না হলেও মোটামুটি ধরনে� শক্তিশালী ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়ে� দীর্� সময় ধর� মাথা� ভেতর দিয়� চালা� হয়েছিল। এই পরীক্ষা� ফলাফ� কখনো প্রকাশ কর� হয� নি� অথ� জো� কর� বন্দীদে� উপ� অন্য যে-সব পরীক্ষা চালা� হয়েছে তা� সব ফলাফলই সযত্নে রাখা আছে। মস্তিষ্কের উপ� রেডিয়েশনে� প্রভাবের পরীক্ষা� ফলাফ� প্রকাশ কর� হল না কে�? রহস্যট� কোথায়?�
মাসু� খুবই বিরক্ত� ছোটখাট� সমস্যা হলেই ডাক্তারর� আজকা� এক্স-রে করতে পাঠিয়� দেয়, রোগীরা� আবার তা মান্� করে। ফলস্বরূপ এক্সরে ইউনিটে� এত ভিড়! যা একাই তাকে সামলাত� হচ্ছে। তব� যে শুধু রোগীদে� উপ� বিরক্ত এমনও না ইউনিটে� ডাক্তা� সাহেবও ঠিকমতো দায়িত্ব পালন কর� না� এম� সময় স্লি� হাতে এগিয়ে আসেন নিশানা� বাবু� বদমেজাজি এই এ্যাসিস্টেন্� তখনও জানত� না এই এক্স-রে� বদৌলতে নিশানা� বাবুকে যে আর সহজে ভুলত� পারব� না সে...
কিছু তো বদলে গেছে� কিন্তু কী? নিশানা� বাবু প্রথমে বিপাকে� পড়ে যান। মন� হত� থাকে তিনি অন্যদে� মনের কথ� শুনত� পারছেন! এও কী সম্ভ�? কিন্তু কীভাবে? ঘু� থেকে উঠ� আবিষ্কার করেন মাথা� সব চু� একরাতে� ব্যাবধান� পড়ে গেছে! মহসি� সাহেবক� একসময় পড়াতে� নিশানা� বাবু� এখ� পড়া� তা� ছেলেমেয়েদের� পরিবার বলতে যে� এখ� তারাই।
সাদাসিধা জীবন� যে� তান্ডব শুরু হয�! দাঁত� পড়ে যেতে থাকে� হঠাৎ জ্বর হয� তো নিমিষে� উধাও-� হয়ে যায়� এইদিকে নিশানা� বাবু বুঝে গেছে� তা� এই আশ্চর্� ক্ষমতা প্রাপ্তি কমিয়ে দিচ্ছে তা� আয়ুকা�, শীঘ্রই মারা যেতে চলেছেন তিনি! কিন্তু তা� আগ� তিনি বদলিয়� দিতে চা� কিছু জীবন� পারবেন কী সাধাসিধে বৃদ্� এই মানুষট� এম� অসম্ভব কাজট� করতে? আদতে অসম্ভব মন� হলেও কি তা� জন্য অসম্ভব?
সায়েন্স ফিকশ� শুনলেই মনের কল্পপট� ফুটে ওঠ� ভবিষ্যতে� কোনো সময় নয়ত� টাইম মেশি�, রোবট তো আবার কখনও বিজ্ঞানে� জটিল মারপ্যাঁচ। কিন্তু ❝কুহক❞- � এম� কিছু নে� বললে� চলে। সহ� ভাষায় বলতে গেলে এক্স-রে রেডিয়েশনে� প্রভাবের(মাত্রাতিরিক্�) ফলাফলে� উপ� বেজড কর� ছো� একটি গল্প� আশ্চর্যজনক ক্ষমতা প্রাপ্তি� ফল� ঘট� যাওয়া ঘটনাগুলো� যোগসূত্র দেখানো হয়েছে পুরো বই জুড়ে।
❝নিশানাথ বাবু জানে� না অন্যের মাথা� ভেতর চল� যাওয়া� প্রক্রিয়াটি কী� তিনি শুধু জানে� যে তিনি তা পারেন। সে� গহী� কূপে� ভিতর� তিনি যখ� নামে� তখ� তাঁর রোমাঞ্� বো� হয়। কুয়োর দেয়ালগুলিতে থর� থর� কত কিছু� না সাজা�-- মানুষে� স্মৃতি, জ্ঞা� � অভিজ্ঞতা� কুয়োর গহী� থেকে উঠ� আস� মানুষে� চিন্তা, কল্পনা � ভাবনা। এক� সঙ্গ� এক জন মানু� কত কিছু নিয়েই না ভাবত� পারে।❞
হুমায়ুন আহমেদে� বিভিন্� জনরা পড়া হলেও সায়েন্স ফিকশ� পড়া হয়েছে কমই। ❝ফিহ� সমীকরণ❞ দিয়েই শুরু ওনার সাইফাই পড়া� তব� ❝কুহক❞ পড়া� সময় কে� জানি মন� হচ্ছিল না যে সায়েন্স ফিকশ� পড়ছি। সম্ভবত প্রচলি� ধারা� সাইফাইয়ের মত� না আবার সায়েন্স তেমন হাইলাইটও হয়নি। ব্যক্তির সাইকোলজিক্যা� টার্� আর জীবনের দিকটাই বেশি� আলোচনা কর� হয়েছে তুলনামূলক। শুরুটা দারু� কিন্তু শেষট� আর� ভালো হত� পারত�, তাড়াহুড়ো� একটা ছা� আছে। নিশানা� বাবু� আলোক� পড়া শেখানো� ব্যাপারট� ডিটেইলসে হল� আর� জমতো� ওভারঅল মোটামুটি লেগেছে� তব� মজার বিষয়ট� হল� গল্প বলার ধর� বে� সোজা� পড়ে গেছি টানা এজন্য।
বইয়ের বলার মত� আরেকটা পয়েন্� হল� চরিত্রায়ন� চরিত্রগুলোকে ধোঁয়াশা রেখে ধীরে ধীরে পাঠকের সাথে পরিচয় করান� হয়েছে� কিছু চরিত্র তো হু� করেই বদলে গেছে আর টুইস্ট কিন্তু সেখানেই। বিশে� কর� মহসিনে� ক্ষেত্রে� নিশানা� বাবু পছন্দে� চরিত্র� লজিক আর হিউমারের মিশ্রণ চরিত্রটাকে পূর্ণত� দিয়েছে। নিশানা� বাবু� সাথে তুষা�-রাত্রি-আলোর বন্ডিং দারু� লেগেছে� রাত্রি চরিত্রটা� বে� মজার�
Ending � হুমায়ূন আহমে� সবসময়� সেরা।এ� বইটি� তা� ব্যাতিক্রম নয়। "পৃথিবীতে চোখে� জলের মত� পবিত্র তো আর কিছু নেই। এই পবিত্র জলের স্পর্শ� সব গ্লানি—স� মালিন্� কেটে যায়�"সুন্দর একটি সায়েন্স ফিকশ� �