Farjana's Updates en-US Tue, 01 Apr 2025 00:44:50 -0700 60 Farjana's Updates 144 41 /images/layout/goodreads_logo_144.jpg Review7452772809 Tue, 01 Apr 2025 00:44:50 -0700 <![CDATA[Farjana added 'জীবনের ইন্দ্রধন�']]> /review/show/7452772809 জীবনের ইন্দ্রধনু by Dhritikanta Lahiri Chowdhury Farjana gave 4 stars to জীবনের ইন্দ্রধন� (Hardcover) by Dhritikanta Lahiri Chowdhury
বই: জীবনের ইন্দ্রধন�
লেখক: ধৃতিকান্� লাহিড়ী চৌধুরী
ধর�: আাত্মজীবনী
প্রকাশনী: আনন্� পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটে�
মূল্�: ৩৫� রূপী�

ধৃতিকান্� লাহিড়ী চৌধুরী জমিদারনন্দন। পিতা ধীরেন্দ্রকান্ত চৌধুরী বিশিষ্� রাজনীতিবিদ। মাতা রেণুকা দেবী চৌধুরাণী� তিনি� অসাধরন ব্যক্তিত্বের অধিকারী� প্রেসিডেন্সী কলেজ থেকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যে এম.� করেন ধৃতিকান্� লাহিড়ী চৌধুরী� লিডস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পি-এই�.ডি�

১৯৭৭ থেকে আন্তর্জাতি� প্রকৃত� সংরক্ষ� সংস্থা� (IUCN) হস্তী বিশেষজ্ঞ গোষ্ঠী� � পশ্চিমবঙ্গ বন্যপ্রাণী উপদেষ্টা পরিষদে� সদস্য। বিশ্� বন্যপ্রাণী সংস্থা� (WWF-International) পক্ষ� সহযোগীদে� নিয়� উত্ত�-পূর্� ভারত� বুনো হাতি� অবস্থা� সমীক্ষা করেন� শুরু থেকে� আন্তর্জাতি� হস্তী বিশেষজ্ঞ সংস্থা� পত্রিক� 'গজ'-� সম্পাদ� মণ্ডলী� সদস্� ছিলেন। আন্তর্জাতি� পত্র পত্রিকায� প্রকাশিত হয়েছে বহ� রচনা� 'হাতি� বই'-এর জন্য পেয়েছেন আনন্� পুরস্কার (১৪১৩)�
ধৃতিকান্� লাহিড়ী চৌধুরী� 'হাতি� বই' পড়া� আগ্র� থেকে� "জীবনের ইন্দ্রধন�" পড়া� আত্মজীবনী তো এমনি� প্রিয়� তা�

"হাতি� বই" পড়া� পূর্বে ওয়ার্�-আপ হিসাবে জীবনের ইন্দ্রধন� পড়ে নেয়া। যদিও পড়ত� যেয়� বুঝি এখান� জঙ্গ� এব� হাতি বিষয়ক খু� কম কথাই উঠ� এসেছে। যা আছ� - ওয়ার্�-আপ হিসাবে একদম মন্দ না�

শৈশব, কৈশো�, কলেজ, কর্মজীবন পেরিয়� এই স্মৃতিকথায� আছ� পরবা� জুঁড়ে তা� জীবন পরিক্রমা� সর� পরিবেশন। সাথে মূলব্যান বে� কিছু ছবি। বিদেশী সংস্কৃতি� নানা সাময়ি� অসুবিধার কথ� উঠ� এসেছ� স্মৃতিকথায়। বইটি� মধ্যমভাগ
স্মৃতিকথার ট্যা� এড়িয়� অনায়াসে ভ্রম� কাহিনী হিসাবে� চিহ্নি� কর� যায়�

লিডস� থাকাকালী� পরিচয় শীলা� সাথে� পরবর্তীতে দেশে ফিরে শীলা� সাথে� বিবা� বন্ধনে আবদ্ধ। মিউনিখ, অস্ট্রিয়া� ভিয়েন�, তেহরান ভ্রম�-লিপি, সেখানকার সংক্ষিপ্� ইতিহাস এব� নানা স্থাপত্য সম্পর্কে বর্ণনা এই স্মৃতিকথার অন্যতম আকর্ষনীয় অংশ। তা� সাথে ইউরো� ভ্রমণে� টুকিটাকি তো আছেই�

অধিকাং� আত্মজীবনী বা স্মৃতিকথ� অল্প-বিস্তর রিপিটেশন� সিক্� থাকে� অবাক করার বিষয�, ধৃতিকান্� লাহিড়ী চৌধুরী� "জীবনের ইন্দ্রধন�" এই রিপিটেশন থেকে মুক্ত। গতিময়, সর� এব� গভী� লেখনী যেমন বইটি পড়ত� আনন্� দেবে, তেমন� কৌতুককরভাব� উঠ� আস� নানা বিষয়ে� অবতারনাও বাড়তি পাওন� হিসাবে থাকব� পাঠকের ঝুলিতে� শুরুতে� বলেছ� জমিদারনন্দন। অগাধ প্রাচুর্� ছি� শৈশব থেকেই। তা� খু� কষ্টের শৈশব না, বর� জমিদার-ঘরনা� এব� অগাধ প্রাচুর্� বেড়� ওঠ� একজনের স্মৃতিকথাও আলাদাভাব� নতুন লাগব� পাঠকের� অগাধ প্রাচুর্� নিয়� বড� হলেও ভেসে যানন� সে� স্রোতে - সেটা তা� কর্মজীবন এব� গবেষণা-কর্মেই স্পষ্ট�

ময়মনসিংহে যে বাড়িত� জন্মেছিলেন, সেখানে� তাদে� হাতি� সংখ্যা ছি� ১৫� জঙ্গ� এব� হাতি ছি� ধৃতিকান্� লাহিড়ী চৌধুরী� ধ্যা�-জ্ঞা� � জীবন� যদিও আগেই বলেছ�, জঙ্গ�, সেখানে শিকা� বা হাতি� কথ� এই স্মৃতিকথায� কম� এসেছে।

শুধু চঞ্চলপিয়ারী কথ� পাবে� ধৃতিকান্� লাহিড়ী চৌধুরী� "জীবনের ইন্দ্রধন�" স্মৃতিকথায়। অসম্ভব ভালোলাগা� না হলেও একবা� অবশ্যই পড়ে দেখা� বই� সংগ্রহ� রাখা� মতোই বই�




]]>
Review7338700787 Thu, 20 Feb 2025 04:30:19 -0800 <![CDATA[Farjana added 'অরিগামির গোলকধাঁধায�']]> /review/show/7338700787 অরিগামির গোলকধাঁধায় by Mahrin Ferdous Farjana gave 4 stars to অরিগামির গোলকধাঁধায� (Hardcover) by Mahrin Ferdous
বই: অরিগামির গোলকধাঁধায�
লেখক: মাহরী� ফেরদৌস
ধর�: ছোটগল্� সংকল�
প্রকাশনী: কথাপ্রকা�
মূল্�: ২০� টাকা�

এক.

গল্প-সংকলনে� আলোচনায় নিজে� কিবোর্� চালানো আমার জন্য� বরাবরই ক্লান্তিকর� প্রথমত আম� ধা� ভানত� শীবে� গী� গা� বেশি এব� তা� ফল� সংকলনে একাধিক গল্প থাকায় আমার মগজে গেঁথ� থাকা ভাবনার� অর্নবে� "হারিয়� গিয়েছ� এইতো জরুরী খব�" এর ট্যা� ঝুলিয়� কংকালে� হাসি হয়ে ঝুলত� থাকে বিলবোর্ডে। তা� কিছু গল্প নিয়� হয়ত� অধিক বলবো, কিছু গল্প� নিতান্তই ভালো লাগা � মন্দ লাগা� অভিব্যক্তিতে� দায় সারবো। আর কিছু গল্প� ধা� � ভানব�, শীবে� গীতও গাইবো।

পাঠকের নির্দিষ্� কিছু চাওয়া-পাওয়া তো থাকে� তা� পা�-প্রসেসে। গল্পটা কি তা� থেকে� আমার কাছে মূথ্� হয়ে দাঁড়ায় গল্পটা কিভাবে বল� হয়েছে� গল্পের সমাপ্ত� নিয়� দ্বিমত থাকতেই পরে। মানুষে� ভিন্� ভিন্� বয়স � ভাবনার কারন� ভিন্� ভিন্� পার্সপেক্টিভ তৈরী হয়। গল্পের ইন্টারপ্রিটেশনটা� হয়ে ওঠ� আলাদা। গল্প� আম� খুঁজ� শব্দের পর শব্দের কুয়াশ� ঠেলে সামন� আস� গল্পের ঘরটা কতটা সংবেশি� হয়ে উঠলো�

মাহরী� ফেরদৌসের "অরিগামির গোলকধাঁধায�" গল্প সংকল� কতটা সংবেশি� হয়ে উঠ� পাঠকের মস্তিস্ক�?

দু�.

বইয়ের প্রথ� গল্প "মথ"� পরাবাস্ত� আর বাস্তবের মিশেলে গল্পটা শুরুতে� লেখকের ভাষাগত সৌন্দর্যের আভাসটুকু দিয়� রেখেছেন। মানে আপনি প্রথমবার একজন লেখকের বই ধর� সেটাকে বাতিলে� খাতায় ফেলে দিতে পারবেন না, বর� বে� সাবলীলভাবেই এগিয়ে যাবেন। "মথ" পড়ত� পড়ত� লীলা মজুমদারে� "পাকদন্ডী" থেকে মথ আর প্রজাপতি� একটা পার্থক্যের কথ� মন� পড়লো। ঠিকঠাক মন� নে�, তব� পার্থক্যটা এরূপ ছি� যে কোনট� ডানা� নিচে নকশা আর কোনটার ডানা� উপরে� গল্প� জেরি� আর গল্পের কথকে� জীবনের নকশাগুলো� কি কারওটা লাইমলাইটের নীচে হাইলাই� হওয়�, আর অন্য জনেরটা পারিপার্শ্বিকতার জ্যাকেটে আলোর আড়ালে ঢেকেঢুকে দেয়�?

মথের নিশাচর স্বভাবের জন্যেই কি জেরি� আল� থেকে সে� অন্ধকারে পরিত্যক্� বিল্ডিংয়ে গে� নাকি জীবনানন্দে� "আল�-অন্ধকারে যাই—মাথার ভিতর� স্বপ্ন নয�, কোন্ এক বো� কা� কর�" সূত্� অনুসরণ কর� এগিয়ে যায় সে� অন্ধকারে� দিকে? যে সেভাবে� যা�, পাঠকের সামন� (অথবা আমার) আয়ন� ধরিয়ে দিয়েছ� গল্পের শেষটা। পাঠক হিসেবে আম� কি আশ� করেছিলাম জেরি� লা� দিবে? গল্পের কথকে� জায়গায় দাঁড়িয়� আমরা কি করুন পরিনতি� দিকে� হিপনোটাইজড হয়ে পড়ি? মন� মন� তা� চা�? খু� ঘটনাবহুল কিছু ঘটুক আমাদের চারপাশ�? কমলকুমার মজুমদারে� "গৃহস্থিত চিনিপাতা জীবনের" মাঝে সে� ঘটনাবহূল বা অমোঘ পরিণতি কড়া লিকারে� স্বা� দিয়� যায়?
এই পার্সপেক্টিভগুলো� দিকে তাকিয়েই "মথ" হয়ে ওঠ� দারু� একটা গল্প�

"বৃষ্টিতে একাই ভিজত� হয�" গল্পটা মোটে� উপ� ভালো� আহমর� কিছু না� সি�-কার্ডে� অবছা টুইস্ট বর� গল্পটা� সমসাময়ি� জীবনের চিরচেন� কাহিনি� মসৃন সারফেসটুকুতে ক্ষত রেখে গেছে� সাদামাটা স্টাইলের গল্পেও একধরনে� ঘো� থাকে - এখান� সে� স্টাইলটুকু আছ�; ঘোরটুক� নেই।

তব� এক� ঘটনায় ভিন্� ভিন্� মানুষে� যে ভিন্� দৃষ্টি এব� প্রতিক্রিয়া� চিরায়� স্বভাব, তা দু� বোনে� স্বভাব� বে� ভালোভাবে� তুলে ধরেছেন মাহরী� ফেরদৌস�

তি�.

"প্যারাকজ�" নিঃসন্দেহে এই সংকলনে� সবচেয়� উজ্জ্ব� এব� দারু� গল্প� যদিও মৌনতার ঘর� যাওয়া সে� কথকে� ভিভি� ফ্যান্টাসি� শৈশব সম্পর্কে আমরা কিছু� জানি না� তা� এই ফ্যান্টসির স্বরূপ নির্ণয়ে� চেয়� ফ্যান্টাসি� সাইক্যাডেলিক ঘোরে আটকে থাকাটা� পাঠকের জন্য� দারু� এক তৃপ্তি�

আলোচনা� শুরুতে� আম� লিখেছিলা� যে, গল্প� আম� খুঁজ� শব্দের পর শব্দের কুয়াশ� ঠেলে সামন� আস� গল্পের ঘরটা কতটা সংবেশি� হয়ে উঠলো� "প্যারাকজ�" গল্পটায় বর� আমার কাছে উল্ট� লেগেছে� শব্দের পর শব্দের কুয়াশায� থাকতেই আমার ভাল্লাগছিল� ক্লান্তিহীনভাব� এম� পোয়েটিক মেটাফোরে� কাছে পাঠক আত্মসমর্পণ করতে পারেন। অন্ত� আম� পারি�

তা� গল্প কথকে� মানসিক অবস্থা জানা� জন্য অদম্� কৌতূহলটুকু কা� কর� না, বর� তা� সে� ইমাজিনার� ওয়ার্ল্ডে� সাথে সাথে নিজে� চিন্তা� � অনুভবে� ট্রানজিশ� ঘটতে থাকে� সেখা� থেকে আবার কথকে� সেল্� এলিয়েনেশন� দেখা দেয়� পাঠক হিসেবে আম� হয়ত� সে� সেল্� এলিয়েনেশন-এর পথ ধর� চেনা রিয়েলিটিত� ফিরে আসি। কিন্তু আমার কিন্তু সে� অবসেশনেই থাকত� ভালো লাগে� যা� সমূহ কারন মাহরী� ফেরদৌসের এই গল্পের পোয়েটিক মেটাফোর।

পাঠক হয়ত� একটু মনযোগী হলেই খেয়াল করবে�, কথকে� সে� সেল্� এলিয়েনেশনের ব্যপ্তিটুকুও সামান্য। ক্ষনিকের� মৌনতার বাড়ির সামনের পরিত্যক্� বাসায় যে আসলে কে� নে�, সে� ভয়ঙ্ক� রিয়েলিটির মুখোমুখি না হত� চাওয়া বা পালিয়� বেড়ানোও হত� পারে�

প্যারাকজমে� বী� মূলত শৈশবেই প্রোথি� হয়। আলোচনা� শুরুতে� বলেই যে, শৈশবের ব্যাপারে তেমন কো� ইঙ্গিত নেই। নাকি আছ�? এই যে ভিভি� ফ্যান্টাসি� আছ�-�-না� এর মাঝে দাঁড়িয়� গল্প কথ� (অথবা গল্পের প্রোটাগনিস্ট) - কোনট� বাস্তব আর অবাস্ত�? আমাদের এই বেঁচ� থাকা, এইযে গল্পটা নিয়� শীবে� গী� গাইছ� এটাও হয়ত� স্বপ্ন - বাস্তব না� সবটা� ঘোর।

চা�.

"চাঁদের গায়� ছায়�" নামক গল্পটি শুরু থেকে� আমাদের রূপকথা� আঁচে ওম দিতে থাকে� এব� সে� ওমেই আমরা মাঝে মাঝে টে� পা� বাস্তবতা� অন্য দিক। "�" এর কথ� ভাবত� যেয়� আমার মন� পড়ে "ইনসাইড আউ�" এনিমেটেড মুভি� কথা। রাইলির পারসনিফাইড ইমোশোনের কথা। "�" যে� সে� ৫ট� পারসনিফাইড ইমোশোনের একটি হয়ে ধর� দেয়� কনসা� অফ আস? হয়তো। তব� গল্পের শেষট� নিছক� যে� একটা "শুরু থাকল� শে� থাকব�" এই টানাপোড়েনের ফল� ঠি� ওখানেই গল্পটা ভালো লাগা� আবেশ থেকে ছিটক� পড়ে�

"মধ্যরা� শে� হত� কিছু সময় বাকি" চেনা সময়ের এব� পরিচিত গল্প� লেখক মাহরী� ফেরদৌস� লিরিক্যা� গদ্যভাষা� খু� একটা ছা� নে� যদিও এই গল্প�, এব� গল্পের থেকে বর� আমার কাছে কারও ডায়েরির এন্ট্র� হিসাবে� বে� মানায়� সংকলনে� অন্য গল্পের তুলনায� অনেক দুর্বল� তবুও গল্পটা থেকে উঠ� আস� অমোঘ এক প্রশ্ন - "এম� জীবন কি আমাদের কারও হবার কথ� ছি�?" এই চিরায়� প্রশ্নের জবাব হয়ত� কোনদিন� কে� দিতে পারব� না কখনও�

তব� এই গল্প প্রসঙ্গে লেখকের লেখা নিয়� সামান্� কিছু বল� যাক। লেখকের প্লট বা সমসাময়ি� ব্যাপারগুলোর যে উপস্থাপন� তাতে একটা কম� জিনি� থাকে যেটাকে বল� ক্রাইসিস� সংকট� সেটা হো� ব্যক্তিকেন্দ্র�, পরিবারকেন্দ্রি� অথবা সমাজকেন্দ্রি� - সে� ক্রাইসিসের ওমটুকু পাঠক টে� পা� ঠিকই, কিন্তু মাহরী� ফেরদৌস সেটাকে ডিফেন্� করার চেষ্টা কর� না� সে� যন্ত্রনাটুকু উপশম� লেখকের কল� গল্প� শক্তভাবে চেপে বস� না� মানে মেইড আপ কো� সিদ্ধান্� বা উপশম নিয়� তিনি গল্পের চরিত্রগুলোকে নিয়ন্ত্রক করেন না� তারা নিজে� নিয়মে� বহমান। গল্পের চরিত্রগুলো তাদে� সিচুয়েশনে� কাছে হা� মেনে বা জিতে যায় - লেখক শুধু তা� লিরিক্যা� গদ্যভাষা� ভারসম্� বজায� রেখে আবেগ � আস্থার ভরসায় এগিয়ে যান।

"রুবি তোমাকে চিনি" গল্প� এডভ্যারটাই� ফার্মে� একজন কর্ত্রী� কো� এক ব্যস্ত দিনে� মুহূর্তে� ঝাপি মেলে দিয়� শেষে স্মৃতি� পুরোনো মায়াপথে দাঁড়িয়� দেখে� অমসৃ� পথ� স্মৃতি� ঝঞ্ঝ� হাতড়িয়� টে� পা� চোখে� সামন� নিঘা� অন্ধকা�! এই শেষটায� এস� আমরা যদ� আবার একটু গল্পের শুরুতে চোখে দে� - সে� কর্ত্রী� দিনযাপনে এব� স্বপ্ন� - অনেক ভীড়ের মাঝে� আমরা দেখি আইসোলেটে� হয়ে� আছে। স্বপ্নেও এক� - স্মৃতিতে� একা। রুবি� চোখে� শূন্যতার মাঝে� ঝুলে আছ� যে� তা� পত� অথবা পরিনতি�

পাঁচ.

"এক কামরার ঘর" যে� এক কামরার ঘোর। কিছুটা যে� চেনা বাস্তব আবার কিছুটা পরাবাস্তবত�, এব� এই দুয়ের মাঝামাঝি দাঁড়িতে দেখা (পড়া) এব� অনুভবে� মধ্যবর্তী দূরত্বটুকু আঙ্গুল দিয়� মেপে দেখেছি - সেখানে কো� সংখ্যা ভাসে না� যা পা� তা� না� - শূন্যতাবোধ� এখান� গল্পের একটা লাইনের কিছু অং� তুলে ধর� প্রয়োজন:-
"আমাদের চারপাশটা হঠাৎ এক� সাথে হয়ে ওঠ� নীরব � সরব।"

মাহরী� ফেরদৌসের গল্প পড়ত� পড়ত� এই ব্যাপারট� বে� টে� পাওয়া যায়� আপনা কাছে মন� হব� আপনা� চারপাশটা কখনও নীরব, কখনও সর� আবার কখনও এক� সাথে এই দুয়ের সমষ্টি� গল্প পড়া শেষে অনুভূত� ছাপিয়� নতুন আবহে� উপস্থিতি যে� সে� মুহূর্তে� উজ্জ্ব� স্বাক্ষর� কখনও সেটা বিমর্ষতা�, কখনও বিষাদে� আবার মাঝে মাঝে শূন্যতাবোধ� হাহাকা� নে� সেখানে�

লেখকের অধিকাং� গল্প� নারীকেন্দ্রিক। মনোল� ফর উইমে�? বোধহয়� মনোলগে� ডানায় ভেসে ভেসে এগিয়ে চল� তা� গল্প, তা� সংলাপকেন্দ্রিক না� গা� গল্পের উপমা, উপমা� � উপমেয় তা� হয়ে ওঠ� আর� দুর্দান্ত। আম� ঠি� জানি না সংলা�-নির্ভর গল্প� এই ব্যাপারগুল� খু� স্ট্রং ভাবে তুলে ধর� যায় কিনা� পাঠক হিসাবে আমার এম� উপস্থাপন মনোল� নির্ভর লেখাতে� বর� বেশি ভালো লাগে� উপমায় আচ্ছাদিত বাক্� আর মনোলগে� ডানায় ভেসে যাওয়া গল্পগুলো যে� বিমূর্� ঘোরে� খোরা� নিয়� হাজি� হয়।

"বিস্কুটে� গুঁড়া� মত� বিকেলে" এই বইয়ের সবচেয়� ছো� এন্ট্রি। দেড় পে� বড� জোর। অনেকের কাছে� হয়ত� এট� ঠি� গল্প হয়ে উঠলো কিনা সে� আত্মজিজ্ঞাসা হানা দিয়� যাবে মনে। আমিও ঠি� জানি নি, তব� না হো�, গল্প আর কবিতার মাঝামাঝি বিচর� করতে� তো দারু� লাগে� বিশে� এই গল্পটা� জন্য� আম� দুটো শব্দ� বলবো - অ্যাস্ট্রা� প্রজেকশন� এম� অ্যাস্ট্রা� প্রজেকশন আম� নিজে� মধ্য� টে� পাই। "-'আম�-যা-দেখি-....-তুমি- তা - দেখো?' - এর মাঝে যে� অসম্ভব একটা নস্টালজি� হ্যংওভার ভর করে। নোনা-নোনা সামুদ্রি� বিকে�, বৃষ্টি শেষে ফুলা� রো�, অল� দুপুরে� বিষণ্ণ মফস্বল শহ�, অথবা নিজর� অস্তিত্বের শূন্যত� অনেক কিছু� উড়ে আস� সে� বিকেলে� পথ ধরে। নিশ্চি� কর� বলার উপায� নে�, তব� আমার অনুমান� সংকলনে� সবচেয়� ছো� এন্ট� হলেও হয়ত� এট� লিখত� লেখকের পরিশ্রমে� পাল্লাটা ভারী ছিল। অবশ্� না� হত� পারে� এরূপ লিরিক্যা� গদ্যভাষা� তো মেহরী� ফেরদৌসের ট্রেডমার্ক� হয়ত� খু� সহ� এব� সবলীলভাবেই তৈরী হয়েছে� আমার কাছে অন্ত� অন্যতম প্রিয় হয়ে থাকব� এটা। পোয়েটিক ফিলটুক� হৃদয়ে ছা� ফেলে দিয়� যায়�

"চক্র" দারু� এক গল্প� চক্র আমাদের দাঁড� করিয়ে দেয় আবার সে� ঘোরে� কোনট� বাস্তব আর কোনট� স্বপ্ন? অয়নের মা (?) উদ্বেগ আর ঘোরে� মাঝে বিচর� কর� বারবার ফিরে আস� এক ভয়ংকর বাস্তবতা� সামন� যে, অয়নের মা মানে গল্পের সে� কথ� বল� কে� নেই। সেভে�-� থেকে যখ� বে� হয� দুঃসংংবা� পেয়� সে� মুহূর্তট� বাস্তব নাকি গল্পের শেষে চাকা হাতে দাঁড়িয়� থাকা অচেন� অয়ন বাস্তব? এই যে "অরিগামির গোলকধাঁধায�" পড়ছ�, ঘু� ভেঙে দেখব� হয়ত� সেটা� স্বপ্ন� আমরা হয়ত� স্বপ্নের মধ্যেই বাস্তবতা� গভীরে অত� স্পর্শ করি।

"চেকলিস্ট" সংকলনে� অন্যতম দুর্দান্� গল্প� গল্প বলার ঢং, গল্পের শে� সব মিলিয়েই বিশে� একটা গল্প হয়ে থাকবে। OCD তে ভোগা গল্পের কথকে� সেল্�-এলিয়েশনের নিমিত্তে বেঁচ� থাকা� অবলম্ব� হয়ে ওঠ� চেকলিস্ট� লেখক একধরনে� মেলানকোলিক আবহে� সৃষ্টি করেছেন যাতে আমরা সে� OCD তে ভোগা গল্পের চরিত্রটিকে লোনা� বলতে পারি� হয়ত� ক্ষেত্�-বিশেষে আমাদের "আমির"-টুকর� কে মিলিয়� অনুভ� করতে পারি, চ্যালেঞ্জি� বিষয� হচ্ছ� বেঁচ� থাকা�

ছয�.

"ভুলে যাওয়া� গল্প" ভালো লেগেছে গল্পের শেষটার জন্যে। আমাদের এই যাপি� জীবন� হাসিমু�-ঘোমট� আড়া� থেকে উঁকি মারে বিষণ্ণতা� আনুগত্� আর নানা টানাপেড়নে� মাঝে ভুলে থাকা�, অভিমানের মহড়া।

"মনিন্দ্র অন্ধকারে" আমাদের আগ্রহোউদ্দীপক কর� তোলে ছব� আর কবিতার (ছবিত�-� বল�) আবেশ মিলিয়� বিষণ্ণ শহরে� হলুদ রঙ� দেয়ালের বাড়ির ঘর অথবা সে� আর্ট-গ্যালারি� প্রতি। ভ্যানগগে� আত্মজীবনী এখনও পড়িনি� পড়ব� সামনেই�

"সান্তা মনিক� স্টেশন পেরিয়�" গল্পের সমাপ্ত� আমাদের মধ্য� জাগিয়� তোলে কৌতূহল� সে� কৌতূহলের লাঠি ভর কর� জোসেফে� পিছু পিছু পাঠক� রওয়না দেয় এক� ঘরের দিকে� জানত� ইচ্ছ� কর�, সে� রহস্যময় হালক� মিষ্টি ঘ্রা� কি কিছুটা তীব্রত� নিয়� ফিরে আসবে? ঘরের এপাশ� নিবিড় ঘো�, ঘ্রাণে� তারতম্� যাচা� হো� না হো�, পাঠক হিসেবে আমার দরকা� পোয়েটিক ফিল। সে� ঘ্রাণটুক� বাড়িত� তোলে গল্পের সমাপ্তি।

"পৃথিবী� শে� গা�" গল্পের উপমা, উপমা� � উপমেয় আবার� আমাদ� আচ্ছন্� কর� রাখে� কিছুটা দুর্বোধ্� � লাগে� তব� এই দুর্বোধ্যত� আমার� অক্ষমতা। শুধু শব্দের পর শব্দ সাজিতে যে কাব্যি� যে ঢঙ� এই গল্প হাজি� হয়েছে - তা ভালোলাগা� অন্যতম কাঁচামাল হয়ে মর্ম� লাগে�

সা�.

মাহরী� ফেরদৌসের "অরিগামির গোলকধাঁধায�" ১৪ টি ছোটগল্পে� সংকলন। উপরে অনেক স্থানে� বলেছ�, লেখকের লিরিক্যা� গদ্যভাষা আমার মত� তা� সবচেয়� স্টং দিক। সমসাময়ি� লেখক বা ছোটগল্পে একটা বিষয� খু� স্পষ্ট অনেকের লেখায়� সেটা হচ্ছ� গল্পের ভিন্� ভিন্� ইন্টারপ্রিটেশন পূর্বে পাঠককে গল্পের চরিত্রগুলো� দিকে তাকাতে হয� সবিস্ময়ে। এই বিস্ময� চরিত্রের অতিমানবীয় গু� বিবর্জিত এব� অত�-দানবীয় বৈশিষ্ঠ্� বিবর্জিত বলে। মানে লেখক আলাদ� কো� বাড়তি সিমপ্যাথ� বা এমপ্যাথি আরোপ কর� সেটাকে পাঠকের সামন� উন্মোচ� করেন না�

মাহরী� ফেরদৌসের গল্পের চরিত্রগুলো� তা� পাঠকের চেনা� প্রতিদিন এই সক� চরিত্রের সাথে পাঠকদে� দেখা হয�, কথ� হয়। হয়ত� খু� খেয়াল কর� মন� রাখা হয� না� অচরিতার্� জীবনের হাহাকা� যেমন মিশে থাকে পোষাকে� মত� চরিত্রগুলো গায়�, তেমন� মৌলি� কল্পনা � লেখকের চিন্তাসূত্রও পোষাকে� বুকপকেটে সেফটিপিন-বিদ্� শোকে� কালো ব্যাজে� মত� দৃশ্যমান�

তা� লেখকের দেখানো গোলকধাঁধায� হাঁটতে হাঁটতে গল্পগুলো বুঝত� হয়ত� কিছুটা সময় লাগে, কিছু গল্প দুর্বোধ্যতার মোড়কে অধরা থেকে যায় - তব� নিঃশ্চিতভাবে� লেখকের গল্পের পয়েটি� মেটাফো�, তা� মনোল� সাথে সাথে আক্রমন কর� পাঠককে� আচ্ছন্� কর� রাখে� শব্দের সঠিক নির্বাচন আর উপযুক্� তুলি� আঁচড়ে� ক্যানভাসটা ভালোলাগা� অনুষঙ্� হয়ে ওঠে।

কথাপ্রকা� থেকে প্রকাশিত মাহরী� ফেরদৌসের "অরিগামির গোলকধাঁধায�" দারু� এক গল্প সংকল�, যা� অনেকগুলো গল্প� পাঠককে ভালোলাগা� হ্যংওভার� আচ্ছন্� রাখবে। ২০২২ এর প্রথমদিক� প্রকাশিত বইটি� প্রথ� মুদ্রণ এখ� চলমা� - যেটা দেখে অবাক� লাগলো।

প্রথ� মুদ্রণের কথ� আসায� এটুক� যো� কর�, "প্যারাকজ�" গল্পের শেষদিক� (৩৩ নং পৃষ্ঠা� একদম শে� প্যারা) গল্পের কথ� আর তা� বন্ধুর ফো� কনভারশেসনে� অংশে একটা লাইন-ব্রে� দেয়� উচিৎ� এক� লাইন� এস� গেছে� যা� ফল� পরবর্তী প্যারায় বক্তব্যটুক� কা� সেটা নির্নয়ে পাঠককে ক্ষুদ্� একটা সময়ের হেরফের� হোঁচ� খেতে হয়।

]]>
Review7332225331 Tue, 18 Feb 2025 03:17:11 -0800 <![CDATA[Farjana added 'ছোটোলোকে� জীবন']]> /review/show/7332225331 ছোটোলোকের জীবন by Malay Roy Choudhury Farjana gave 5 stars to ছোটোলোকে� জীবন (Hardcover) by Malay Roy Choudhury
বই: ছোটোলেকে� জীবন
লেখক: মলয় রায় চৌধুরী
ধর�: আত্মজীবনী
প্রকাশনী: প্রতিভাস
মূল্�: ৭০� রূপী

অধিকাং� স্মৃতিচারণ বা আত্মজীবনী অনেকটা গৃহে� ড্রইংরুমের মতো। যা� মাঝে কিছুটা আল�-আঁধারি থাকে, ঝাড়বাতি� ঝলসানো উজ্জ্বলত�, স্মৃতি� শোকেসে লেখকের প্রদর্শন কর� প্রিয় দৃশ্যে� স্ন্যাপশট। তা� স্মৃতিকথ� ভ্রান্� না অভ্রান্ত সে নিয়� দ্বিমত থেকে� যায়�

মলয় রায় চৌধুরী� বয়ানে -

"স্মৃতিচারণ মোটে� অন্তদর্শনে� শান্তিপূর্� উপদ্রবহী� কা� নয�, বা অতী� সম্পর্কে শান্� অনুচিন্ত� নয়। ব্যাপাটা আসলে মানসিক বেদনাদায়ক এক বহধাবর্ণিল স্মরণক্রিয়া, শতছিন্� অতীতক� আবার আগের চেহারায় ফিরিয়� এন� বর্তমানে� পীড়াক� অর্থময� কর� তোলা� চেষ্টা, স্বল্পভাষে পুনরুদ্ধারের বয়া�, অসম্ভব আর গোপন এলাকায� তল্লাশ� চালিয়� লুকিয়� রাখা মেলাপ্রাঙ্গণকে সবায়ে� জন্য� অবারিত করার সৎসাহস�"

সবার জন্য� জন্য� অবারিত করার সৎসাহসের নামই মলয় রায় চৌধুরী� "ছোটোলোকে� জীবন"� অসম্ভব আর গোপন এলাকায� তল্লাশ� চালিয়� লুকিয়� রাখা মেলাপ্রাঙ্গণকে উন্মেচিত করার যে প্রক্রিয়া, ঠি� সেখানে� অন্য সব আত্মজীবনী থেকে আলাদ� হয়ে আছ� "ছোটোলোকে� জীবন"� নির্মম সমালোচনা এব� একদম খোলামেলা ভাবে নিজে� জীবনের নানা স্তরের বয়া� এক স্পস্টভাবে অন্য কো� আত্মজীবনী� তুলে ধরেনি।

কো� রাখঢাক ছাড়াই মলয় রায় চৌধুরী বল� গিয়েছেন নিজে� কথ�, পরিবারের কথ�, আত্মীয়-স্বজ�, বন্ধ�-বান্ধব, সহকর্মী সকলে� কথাই অকপটে। এতটা খোলামেলা হয়ে বলাট� বোধহয় একমাত্� মলয় রায় চৌধুরীরর মত� লেখকের জন্যেই যথার্থ� "ছোটোলোকে� জীবন" বইটা অখন্� আকার� প্রকাশিত� আগের রচনাগুলো খন্ড আকার� প্রকাশিত হয়েছিল। ছোটোলোকে� জীবনের ৪ট� পার্�:

ছোটোলোকে� শৈশব
ছোটোলোকে� ছোটোবেলা
ছোটোলোকে� যুববেল�
ছোটোলোকে� শেষবেল�

স্মৃতিচারণ বইয়ের একটা ছো� অং� রিপিটেশনের দোষে দোষী থাকে কিছুটা� মলয় রায় চৌধুরী� "ছোটোলোকে� জীবন" বোধহয় সেক্ষেত্রে একটু বেশি� দোষী� একটানা না লিখে খন্ড খন্ড আকার� বিভিন্� সময় প্রকাশের কারন� অনেক কথাই রিপি� হয়েছে� বিশে� কর� শে� অংশট� যে� প্রথ� তিনট� পার্টে� স্ন্যাপশ� - তথাপ� সেটা� পড়ত� খারা� লাগেনি� একধরনে� রিভিশন টাইপ পড়া হয়ে গেছে� এক পাঠে দু� পাঠে� তৃপ্তি� তব� পাঠকদে� এই ব্যাপারট� কিছুটা বিরক্তির কারন� হত� পারে�

"ছোটোলোকে� জীবন" পড়ত� পড়ত� বইয়ের অনেক জায়গায়� থমকে যেতে হয়েছে� মনের মধ্য� প্রশ্ন জেগেছে যে এতটা খোলামেলা প্রকাশের সামন� পাঠক ঠিকভাব� দাঁড়াতে পাড়বে তো? অথবা কিছুটা অস্বাস্ত�! পড়ত� পড়ত� এতটা� বিভো� ছিলা� যে আম� ভুলে� গিয়েছিলাম উন� "দ্� কালাচারা� বা/ষ্টার্�" - হাংর� আন্দোলনে� জনক। সাহিত্যে� সনাত� ধারা অনুশাসনে� বিরুদ্ধাচারণ যা� লেখা� প্রধানতম বৈশিষ্ট। সুতরাং এই খোলামেলা, নিরপেক্ষ এব� নির্মম সামালোনা � আত্মসমালোচনা তো তাকে� মানায়�

হাংর� আন্দোলনে� জন্য� যেতে হয়েছে জেলে� এই হাংর� আন্দোলনে তখ� যো� দে� অসংখ্য কব�, লেখক � চিত্রশিল্পী� বুদ্ধদেব বসুর পর� তিনি� একমাত্� লেখক যিনি বোদলেয়ারে� সমগ্� কবিত� অনুবাদ করেছেন� কব� ওকতাভি� পা�, আরনেস্তো কার্দেনা�, অ্যালে� গিন্সবার্গ, ডেইজ� অ্যালডান প্রমুখ তা� সাথে সাক্ষা� এব� হাংর� আন্দোলনে� বিষয়ে আর� জানত� ভারত� এসেছিলেন� তা� লেখা সাহত্যিকর্� নিয়� অনেক গুণীজন পিএইচড� করছেন।

হাংর� আন্দোলনে� পক্ষ� যেমন ছিলে� অনেক�, তেমন� তা� বিরুদ্ধচারণও করেছেন বহুজন। সুনী� গঙ্গোপাধ্যায� তা� মধ্য� অন্যতম� পরবর্তীতে মলয় রায় চৌধুরী যখ� জেনে যা� তথ� মলয় রায় চৌধুরীকে এব� তা� ভা� সমী� রায় চৌধুরীকে অশ্লীলতার দায় থেকে বাঁচাত� সুনী� আদালতে তা� পক্ষ� যেয়� স্বাক্� দেন। সুনীলে� আত্মজীবনী 'অর্ধেক জীবন�' এই ঘটনা� উল্লেখ আছে। যদিও এর আগ� এব� এর পরের � গল্প আছে। যেটা সুনীলে� "অর্ধেক জীবন" নামে� মতোই তা� বইয়� অর্ধেক-সত্য হিসাবে আছে। এই বইয়� তা� পুরোটা আছে। যদিও ব্যাপারগুল� ক্রশ-চে� জরুরী� তা� জন্য� "হাংর� সাহিত্� আন্দোল�: তত্ব, তথ্য, ইতিহাস"- প্রণবকুমার চট্টোপাধ্যায� প্রণিত বইটি দারু� সহায়ক একটি বই� নানা রেফারেন্� এব� নথিপত্� মলয় রায় চৌধুরী� বয়ানকেই সাপোর্� করে। সে অন্য প্রসঙ্� - এখান� থাক।

"হাংর� আন্দোলনে� বিপক্ষ� থাকা� কারন� সুনী� গঙ্গোপাধ্যায়ে� রা� কো� কালে� কমেন� মলয়ের উপর। সে� কারন� "কৃত্তিবা�" পত্রিকার জন্য� কখনই মলয়ের কাছে কবিত� চাননি। সুনী� গঙ্গোপাধ্যায়ে� মৃত্যু� পর� ২০১৪ তে কৃত্তিবাসে� জন্য� কবিত� চেয়� বসেন সুনীলে� স্ত্রী স্বাতী গঙ্গোপাধ্যায়। কবিতাট� শেয়ার করার নিমিত্তে এই অংশটুকুর অবতারনা। নচেৎ এই আলাপের জন্য� অন্য কো� জায়গায় সেটা ডিটেইলসে করাই শ্রেয়� মলয় রায় চৌধুরী "আমার ঠাকুমাকে যে� বলবে� না" শিরোনামে স্বাতী গঙ্গোপাধ্যায়ক� একটি কবিত� পাঠিয়� দেন। যদিও স্বাতী গঙ্গোপাধ্যায� তা� আশেপাশের সহকর্মীদে� কারন� আজ� কবিতাট� ছাপত� পারেননি। কবিতার "ঠাকুমা" প্রসঙ্� আনার সঙ্গ� কারন ছি�, এখান� সে� আলোচনায় যা� না� আর� একটা উল্লেখযোগ্� ব্যাপা� ছি� যে, মলয় রায় চৌধুরী এই কবিতায� স্বাতী গঙ্গোপাধ্যায� কে "নীরা" বলেই সম্বোধ� করেছেন�

সুনীলে� নীরা� স্বরূপ এব� স্বাতী গঙ্গোপাধ্যায� - এর তুলনামূল� চিত্রে� যাচ্ছি না� কবিতাট� শেয়ারের লো� সংবর� কর� টাফ।

"আমার ঠাকুমাকে যে� বলবে� না"

উন� আমায� পছন্� করতে বারণ করেছিলেন
আপনি কে� পছন্� করছে�, নীরা?
আম� আজ� শুঁয়োপোকা-ঠাশা ঈশান মেঘে চিৎসাঁতা� দি�
উন� পঞ্চাশ বছ� আমার কাছে কবিত� চানন�
আপনি কে� চাইছেন, নীরা?
আম� আজ� জলের দশ-পা গভীরে বরফে� লাঠি চালা�
উন� আমার সাবজুডিস মামলায� সম্পাদকীয় লিখেছিলে�
আপনি সম্পাদ� হয়ে কে� লেখা চাইছেন, নীরা?

আম� আজ� স্মোকড পেংগুইনে� চর্বির পরোট� খেতে ভালোবাসি
উন� আমার কবিতার বইয়ের প্রকাশ� হয়ে� স্বীকা� করেননি
আপনি কে� স্বীকৃতি দিচ্ছে�, নীরা?
আম� আজ� দুপু� গেরস্থের হা�-মুখে সেঁদিয়ে ফ্যামিলি-প্যা� হা� তুলি
উন� আমার না� উচ্চার� করতে চাইতেন না
আপনি কে� তরুণদে� কাছে করছে�, নীরা?
আম� রক্তঘোলা জল� টাইগার শার্কদের সঙ্গ� বলিউডি নাচে গা� গা�
উন� বলেছিলেন ওর মধ্য� সত্যিকারের কোনো লেখকের ব্যাপা� নে�
আপনি কে� মন� করছে� আছ�, নীরা?
আম� ইমলিতলায� জানতুম কাঠকয়লা ছাড়� ইঁদু� পোড়ায� স্বা� হয� না
উন� বলেছিলেন ওর কোনো ক্রিয়েটিভ দি� নে�
আপনি কে� মন� করছে� আছ�, নীরা?
আম� অন্ত� পাঁচ হাজা� কোটি টাকা� ব্যাংকনো� পুড়িয়ে মড়া� গন্ধ পেয়েছ�
উন� বলেছিলেন ওর দ্বারা কোনোদি� কবিত� লেখা হব� না
আপনি কে� মন� করছে� হয়েছে, নীরা?
আম� অ্যামস্টারডমের খালপাড়ে হা�-কর� বুড়োদের লিরি� শুনেছি
উন� সেসময়� দুঃখ থেকে রা� আর রা� থেকে বিতৃষ্ণায় উঠেছেন
আপনি এত� উদার কে�, নীরা?

আমার ঠাকুমাকে যে� প্লি� বলবে� না�

মলয় রায় চৌধুরী� আত্মজীবনী "ছোটোলেকে� জীবন" আমার আত্মজীবনী পড়া� জার্নিতে অসম্ভব উজ্জ্ব� এব� উল্লেখযোগ্� হয়ে থাকব� নিঃসন্দেহে�
]]>
Review7213505452 Mon, 13 Jan 2025 23:19:36 -0800 <![CDATA[Farjana added 'হন্ত্র�']]> /review/show/7213505452 হন্ত্রক by Enamul Reza Farjana gave 4 stars to হন্ত্র� (Hardcover) by Enamul Reza
বই : হন্ত্র�
ধর�: ছোটগল্� সংকল�
লেখক : এনামুল রেজা
প্রথ� প্রকাশ : ডিসেম্বর ২০২৪
প্রকাশ� : চন্দ্রবিন্দু প্রকাশ�
প্রচ্ছ� : এনামুল রেজা

এক.

গল্প সংকল� নিয়� লিখত� গেলে মনের মধ্য� দ্বিবি� সংকট টে� পাই। কো� জায়গা থেকে শুরু করবো এব� সবগুলো মিশ্� ভাবে দিবো নাকি প্রতিট� গল্পের জন্য� আলাদ� আলাদ� আলোচনা, এহেন সংকট আমার চিরায়� আলসেমিকে আর� বেগবান করে। এনামুল রেজা� "হন্ত্র�" গল্পটা নিয়েই ফেঁদ� ফেলা যায় দীর্� একটা আলোচনা� সেটা করতে গেলে বাকি গল্পগুলো� আলাপটা হয়ে পড়ব� সংকীর্ণ। এই দুয়ের মাঝখান� দাঁড়িয়েই শুরু কর� যাক।

এই মাঝখান� দাঁড� করানোট� আম� দেখত� পা� "হন্ত্র�" গল্প-সংকলনে� প্রথ� গল্প হন্ত্রকে� গল্পকা� যখ� আমাক� (মানে পাঠককে) মিরপুর � এব� � এর মধ্যবর্তী মিরপুর আড়া� (মেইড-আপ) তে নামিয়� দেন। অথবা রূপচাঁদা� অল্টার ইমেজ "কালোচাঁদ�"� (ধর� নিচ্ছি বারবিকিউ এর রূ�) সামনে। অথবা এই মাঝামাঝি জায়গা লিফটের শূন্� স্পেসটায� দাঁড়িয়� দেখি�

"তুবা মিষ্টি কর� হাসল� আমার মন� হল�, এত কাছে দাঁড়িয়� আছ� মেয়েট�, অথ� ওর থেকে আমার দূরত্ব হয়ত� নয� কোটি আলোকবর্ষ�"

মায়ানগর� সামান্� হাসিটুকু� যে� চর� বিস্ময� হয়ে ধর� দেয়� স্বাভাবি� জীবন থেকে বিচ্ছিন্� কর� তোলে মানুষক� হন্ত্রকরা। কর� তোলে মানসিক বিকারগ্রস্ত। মৃত্যুচিন্তা মানুষক� বিচ্ছিন্নতাবোধ আচ্ছন্� কর� যে সামগ্রিক সমাজসংকটের কারন হয়ে উঠেছ� সেটা আমরা "তুবা" � "কথকে�" মাঝে দাঁড়িয়� টে� পাই। মৃত্যুচিন্তা মানুষক� যতটা নিঃসঙ্� কর� তোলে, মনোবিকারগ্রস্ত হয়ে পড়ে তা� আশেপাশের সবকিছু, সেখানে মানুষে� চিরায়� হাসিটুকু� হয়ে পড়ে এক্সট্রা-অর্ডিনারি।

শেষটায� এস� পাঠক হিসেবে আম� সে� দ্বিবি� সংকটের মুখোমুখি� দরজা� এপাশ� কথকে� বেঁচ� থাকা� ক্ষী� আশ� আর ওপাশ� হন্ত্রকদের (অথবা অজান� কারও) পায়ের শব্দ - মাঝে নয� কোটি আলোকবর্ষ সমান একটি প্রশ্ন আমার সামন� - আম� কো� পাশে?

কৌতুহল নাকি কেলাসি� স্বপ্নের মাঝে?

দু�.

অর্ডিনার� যেটা সেটা� না� "মর্মরসম্ভব"� সবকিছু "ভালো" বা "মন্দ" এর বিশেষণ� অলংকারিত হত� হব� তা নয়। মর্মরসম্ভব গল্পের পূর্বে আমরা "হন্ত্র�" বইয়ের প্রচ্ছদে� ব্যা� পার্টট� দেখি� এক কথায� বলতে গেলে লেখকের বয়ানে, "অতী�+বর্তমা�=ভবিষ্য�" এর চিত্� - যা মর্মরসম্ভব গল্প� উঠ� এসেছে। খু� স্বল্প পরিসরে� গল্প� আব্দুল হামিদে� অতী�, বর্তমা� এব� হালক� একটা ভবিষ্যতে� চিত্� আমরা বে� স্পস্টভাবে� পাই।

তবুও ওই যে, পাঠক হিসেবে গল্পটা আমার কাছে বিশে� কিছু লাগেনি� গল্পের শব্দ, বাক্� বা কাহিনি� রোয়াবটুকু আলাদ� কর� নতুন কো� সু� বা ভালোলাগা তৈরী করেনি।

পরবর্তী গল্প "দুপুরে চরকায়" বে� ইন্টারেস্টিং� দুপুরে চরকায় গল্পের অগ্রগতির সাথে সাথে আমরা দেখি লেখক বে� সূক্ষ্� � বিচ্ছিন্নভাব� অনেকগুলো সূত্� রেখে গেছে�, এব� আমরা সেটা থেকে সামগ্রিক একটা চিত্� পা� গল্পের চরিত্র মতিনকে নিয়ে। সেটা� জন্য� পাঠককে মেধাবী অথবা পরিশ্রমী হত� হয� না, শুধু সামান্� কৌতুহল এনাফ� পার্টিকুলা� এই গল্পটা� পরিনতি যা� হো� - তা কো� পোস্� এপোকেলিপ্টিক ইমেজ নিয়� ডি� করছে না, বর� অনেকটা চেনা চিত্রে� সাথে লেখকের কিছু কল্পনা� প্রকাশ� বাস্তবিক� তব� পরিনতিটা হালক� আকস্মি� হলেও লেখক মেজর কো� টুইষ্টের ট্রো� ব্যবহা� করেননি�

পাঠককে হয়ত� এমপ্যাথি, সিমপ্যাথ� অথবা এরূপ কিছু বিশেষণের মাঝে ফেলে দিয়েছেন� গল্প� মতিনের সংকটগুলো যেমন নির্মোহভাব� তুলে ধরেছেন এক� সাথে চরিত্রটা স্বরূপ� উন্মুক্ত হয়েছে� শুধু তাকে কে� ফল� করছে এব� সে� থেকে যে অজান� বা অনুমেয� অথবা কল্পিত ভয� - তা একটা আকস্মি� মিনিংলেস (অথবা মিনিংফুল) ক্রাইসিস তৈরী করে। তীব্� অভিঘাতটুকু� আভাস হালক� ভাবে টে� পাওয়া যায়�

এর সাথে হয়ত� সংযুক্� আছ� "সরকা� পত�" এব� সময়বাস্তবতা� পরিপ্রেক্ষিত� সংকটের একটা বিশে� টানাটানি� গল্পের এই "সরকা� পত�" অথবা "তি� মিনি�" কিন্তু নিছক গল্পের শব্দ না, বর� নতুন একটা গল্পের "বী�" হয়ে উঠেছে। যেটা থেকে গল্পের মধ্য� নতুন একটা গল্প পাওয়া যায়, দেখায় জায়গাটুকু থাকে� সেখা� থেকে� মতিন আর তা� পিছু নেয়� "অজান�" এনটিটি� মধ্যবর্তী জায়গায় একধরনে� ডেসপারেশ� তৈরী হয়।

স্পেসটুক� আলোকিত না, হয়ত� ইলাবোরেট নাইটমেয়ারের প্রতিবিম্ব - মতিনের মনোবিকারগ্রস্ত হয়ে পড়া� পর� সে� কনক্লুশন টানা বোধহয় অবিচার হব� না�

তব� এই গল্প� এস� একটা ব্যাপা� খেয়াল করলা� বা ভাবনায� এল�, এনামুল রেজা� নিজা� (নেজা�) রা কি "শা/উয়ো শব্দের বৃত্তে� চিরায়� হয়ে উঠছে?

এই পর্যায়ে এনামুল� রেজা� লেখা নিয়� কিছু বল� নেয়� দরকার।

তি�.

ছোটগল্পে� খু� বড� সমঝদার আম� তা না,বর� নিজস্ব একটা পাঠে� মাধ্যম� আম� চেষ্টা কর� গল্পটাকে দেখত� বা বুঝতে। অনেকটা গল্পের বিপরী� পাশে দাঁড়িয়ে। (কখনও মাঝামঝ�)� বিপরী� পার্শ্বে মানে এই না যে, গল্পের দো�-ত্রুটি ধরতে� বর� বল� চল� অক্সিমোর� হিসেবে পড়তে।

কথাসাহিত্যের বাধা� সড়কের বাইর� নতুন পথ� হাঁটছে� বে� কয়েকজ� গল্পকার। এনামুল রেজা সে� নতুন পথের� একজন গল্পকার। "চায়ের কাপে সাঁতার" তা� উদাহরন� এনামুল রেজা� না� আসলে� চায়ের কাপে সাঁতার নামট� এস� যায়, এব� ব্যাপারট� হয়ত� বিরক্তিকরও লাগত� পারে� এক্ষেত্র� "ফেভিকল" এর "ফেভিকল মেরিনক� মজবু� জোড়" জিঙ্গেলে� কথ� মন� রাখলেই হল�

যা বললিাম, এনামুল রেজা� নিজস্ব মুদ্রা তৈরী কর� নিয়েনে। নিজে� গল্পের যে শিল্পরূপ তিনি তুলে ধরেছেন কয়েকট� লেখায় তা আপতত স্পষ্ট, সামন� যেয়� আর� বোঝা যাবে তা কতটা বাঁকবদলে� স্রোতে ভাসে বা ডোবে� বড� ধরনে� কো� টুইষ্টের ট্রোপে তা� লেখা আবদ্� না, বর� মিহি� শেলাইয়ে� মত এগিয়ে চল� তা� গল্প� পাঠক মাঝে মাঝে হয়ত� কো� চমকপ্র� মোটিফে� সামন� এস� আলোড়ি� হন�

বাস্তববাদিতা, কিছুটা ম্যাজি� রিয়ালিজ�, নিজে� অভিজ্ঞতা যা কখনও পত্যক্� কখনও পরোক্ষরূপে প্রতিভাস তা� লেখায়� যতদূ� পড়েছি সো-ফা�, উৎসারি� জীবনের গভীরে তিনি ডুবুরি� মত� চলাচ� করেন না, বর� গভীরে তা� পাতানো বড়শ� সে� কাজটুক� সূচারুভাবে করে। যাপি� জীবনের সুরটুক� তিনি তুলে ধরেছেন নিজে� মত� করে। দাবানলের মত� আগ্রসী নয� হয়ত�, তব� স্লো-কুকে� মত� অথবা ক্রক-পট�

ঠি� এই কারনেই আমরা এনামুল রেজা� গল্প� "অতিমানবীয়" কো� চরিত্র দেখি না� তেমন� কাহিনি কো� গভী� পরিণতি� দিকে� ধাবি� হত� দেখি না� শহরে, গ্রাশে, পাড়ায�, মহল্লায় বয়ে চল� জীবনগুলো অতী�, বর্তমা� এব� কিছুটা ভবিষ্য� তা� তা� গল্পের চর� সেখানে মানুষে� জিহব� থেকে খস� পড়া শব্দগুলো� আক্ষরি� অর্থ� হয়ে ওঠ� গল্পের ভাষা এব� গল্প�-ভাসা�

অত�-শুচিবায়ুগ্রস্� পাঠকের কাছে (পত্যক্� � পরোক্ষ দেখা) হয়ত� তা� কিয়দং� অস্বস্তি� কারন হয়ে উঠতে পারে� তব� এটাও মন� রাখা উচিৎ একজন পাঠকের যে, সিনেমা� সেন্সরবোর্� ছাড়াও পাঠকের� নিজস্ব একটা সেন্সর-সেন্� থাকা জরুরী� একদম বাতি� কর� দেয়� শুচিবায়ুগ্রস্থত� ভালো-পাঠে� লক্ষ� না�

চা�.

"শীতে� অপেক্ষ� করছি না" গল্পটা চেনা বাস্তবতা� তথ্যচিত্র। পূর্�-প্রজন্মে� এক গল্প বাবা� লেখা পান্ডুলিপি� আকার� যেমন উঠ� এসেছ�, পাশাপাশি বর্তমানেরও ট্রাজি� (এব� বাস্তবিত) চিত্রটাও বে� স্পষ্ট� পূর্�-প্রজন্মে� তব� প্রাচী� না� � গল্প খু� চেনা আমাদের প্রতিট� মানুষের। বলতে গেলে নতুন কো� দৃশ্� নে� বর� চিরচেন�, কা� থেকে দেখা ছবিটাই চলচিত্রে� মতোই ভেসে উঠেছ� গল্পে। তাহল� এর এ্যপিল কোথায়?

কিছু গল্প থাকে না, নানা-নানী, দা�-দাদী� মুখে অনেকবা� রিপিটেশন হলেও পুরানো হয� না - অনেকটা তেমন� চেনা গল্প হলেও এই কঠিন বাস্তবার ঘা�-প্রতিঘাত পেরিয়� শেষটায� যেয়� গল্পটায় কিছুটা কোমলতা আসে। অনেকটা যে� কঠিন হয়ে ধীরে ধীরে ক্লান্�-ভারে কোমল� মায়া। তা� ট্রাজি� ফিলটুক� নিয়েই আমরা গল্পের শেষট� আশ� কর�; হয়ত� গল্পটা মায়ার টানে� আমাদের কল্পনা� দিকে� বেঁক� যাবে� যদিও সেটা হয� না�

গল্পটা বাস্তবিক� থাকে� তা� বিষন্নতা� সাথে সাথে পেইনটা� নড়েচড়ে হয়ে ওঠ� জীবন্ত বোরহানের অন্তর্গত ইনার্শিয়া� কারনে।

এব� সেখানে� গল্পের নামে� একটা মাহার্ঘ্� ধর� পড়ে� "শীতে� অপেক্ষ� করছি না" এর "শী�"-টুকু প্রাগে� ঠান্ডা হয়ে থাকে না, অন্তর্গত বিমর্ষতা - এব� অবস্থা� বিশেষে মৃ/ত্যু অথবা অমোঘ একটি দুঃসংবাদের প্রতিনিধ� হয়ে যায়� এক ধরনে� প্রলেতারিয়া� রিয়েলিট� হয়ে� দাঁড়িয়� যায়� মায়� এব� Sanēsō bikha tī mōḍarēja nēbē এর শীতল দ্বৈরথটুকু� সে� রিয়েলিটির প্রতিচ্ছবি�

"আউলিয়�" গল্পটা� চিরচেন� এব� এক� সাথে সে� প্রলেতারিয়া� রিয়েলিট� হয়ে ওঠ� ধর্মীয় ন্যারেটিভে� নানা স্ববিরোধিত� উপজীব্� করে। নানা� সময়� সে� ন্যারেটি� কিভাবে ফাংশ� কর�, ভু�-�-ঠি� ন্যারেটিভে� মাঝখান� একদিকে যেমন ইনটেলেকচুয়া� কমনসেন্স এব� তা� মুখোমুখি ধর্ম নিয়� ট্যাবু-ঘটনা� সংঘর্ষ - ফলতঃ আউলিয়ার ইনডেমনিট�-টা একটা প্রচ্ছন্� কৌতুকে� জায়গা হয়ে থাকে� এক� সাথে বাস্তবিক� জোরপূর্ব� আউলিয়ার গোঁফ কর্ত� সে� রিয়েলিটির সূক্ষ্� সংবেদনের উদাহরন হিসেবে জ্বলজ্বল করতে থাকে�

পাঁচ.

"যেভাবে এহসানে� ট্রেনবিষয়� গল্প� ঢুকে পড়ি" [রচনাকা�: ২০১৭] বাস্তব অবাস্তবে� থি� মধ্যরেখায় দাঁড়িয়� কথকে� এব� সর্বোপরি লেখকের প্রত্যক্� দর্শনে� সাথে কল্পনা� মিশেলে� কুশলতা� সূক্ষ্� ডিটেইল� এব� বর্ণনা� দক্ষতায় তা পাঠকের� প্রত্যক্� দর্শ� হয়ে ওঠ� অনায়াসে� এই গল্প পড়ত� যেয়� খু� সহজে� আমরা এনামুল রেজা� "চায়ের কাপে সাঁতার" এর ছায়� পাই।

আদতে সেটা উল্ট� হবে। কারন এই গল্পের রচনাকা� ২০১৭� চায়ের কাপে সাঁতার প্রকাশিত আর� পরে। যদিও প্রায় অর্ধযু� ধর� লেখা উপন্যাসটি। তা� ট্রেনবিষয়� গল্পটি চায়ের কাপে� সাঁতারের মিনিচেয়ার ভার্সন নাকি এই গল্পের বী� থেকে� চায়ের কাপে� সাঁতারের জন্ম - সেটা� স্পেসিফি� উত্ত� জানা হয়ত� লেখকের� পাঠকের কাছে তা একধরনে� এনক্যাপসুলেশ� মন� হওয়াই স্বাভাবি� বা হত� পারে�

এই গল্পের আর� একটি বিষয়ক� কেন্দ্� কর� এনামুল রেজা� লেখা� ধর� সম্পর্কে সামান্� আলোচনা� জায়গা আছে। তা� পূর্বে নিজে� প্রত্যক্� দর্শনে� একটি দিনে� সামান্� অং� তুলে ধরি। কো� একদি� সন্ধ্যার ঠি� আগ� আগ� ধোলাইখাল� মট�-পার্টে� সারি সারি দোকানে� পা� দিয়� ক্রস করছিলাম। ধাতব-যন্ত্রপাতি� মেলা � শব্দ� আমার চোখে পড়ল� ফিল্টা� পানি� ভাঙা জারে একটা ফু� মলিন হলেও ফুটে আছে। তা� একটু পরেই মাগরিবের আযান�

খু� সম্ভবত আর্কিটেকচা� ফিল্ডে এই ধরনে� প্রজেকশনের এতটা গালভরা না� আছে। এখ� ঠি� মন� পড়ছ� না� অনেকগুলো বৃহৎ-ভরাট বৃত্তে� মাঝে যদ� খু� ছো� একটা বৃত্� থাকে, তাহল� সে� ছোটটাই ফোকাসড হয়ে থাকে বেশি� ব্যাপারট� এরকম� "যেভাবে এহসানে� ট্রেনবিষয়� গল্প� ঢুকে পড়ি" গল্প� "মৃত্যুমুখী বসন্�" - লেখক এনামুল রেজা� এহেন কাব্যধর্মী এপিগ্রামগুলো� সে� প্রজেকশনের মতোই� নিটো� এব� সুন্দর�

"মরচে" গল্পটা যেভাবে এগুচ্ছিল, তা আগ্রহোউদ্দীপক এব� পাঠককে দ্রু� একটা ক্ল্যাইেক্সে� দিকে ঢাবি� করার সম্ভাবনা ছিল। এর সমাপ্তিটাও অন্যরক� সুন্দর - তব� এখান� কথ� থেকে যায় যে, সেটা খু� দ্রু� যেটা বোধগম্যও না কে� এতটা তাড়াহুড়া এব� এক� সাথে বড্ড বেশি মেকি বা মেইড-আপ লাগে� বর� সে� সমাপ্ত� আর� একটু সময় নিয়� দিলে গল্পটা এনাদার অসাধার� গল্প হত� তা� সমাপ্তির কারনে।

কো� ফু� সম্পূর্ন প্রস্ফুটিত হবার আগেই ছিঁড়ে নেবা� মত� ব্যাপার। লীনা� এই আকস্মি� আবদা� বা আকাঙ্খাটুক� হয়ত� তা� উপ� প্রয়োগকৃত সিডেটিভে� প্রভাব� বু� দেয়� যায়� কিন্তু এত দ্রু� শিহাবে� সে� আবদারে সাড়� দেয়াট� তো আনন্�, ভুলে থাকা সব কিছু পা� কাটিয়� ট্রাজি� হয়ে দাঁড়ায়�

এই গল্প প্রসঙ্গে আর� একটা ব্যাপারে একটু বল� নেই। (আর� বে� কিছু গল্প� আছ� যতদূ� মন� পড়ে..)� গল্পের কিছু চরিত্র হুটহাট "মৃ/�" কো� চরিত্রকে দেখা এব� তা� সাথে কথোপকথন। লেখক কি ব্যাপারট� একটা সেন্ট্রা� থিমে রিডিউস কর� ফেলছ�? অথবা পাঠক একটা পর্যায়ে যেয়� হয়ত� ঠি� সে� বৃত্তে� নিজেকে রিডিউস কর� নেবে - এনামুল রেজা� গল্প� এই রক� প্রেজেনটেশ� ডিপল� রুটে� হয়ে� থাকে? যদ� হয�, দুটো� একটা পর্যায়ে গতানুগতি� হয়ে দাঁড়াবে�

ছয�.

"লয়মন্তর" অদ্ভুত এক গল্প� গল্পের প্রথ� অং� যে প্লাটফর্মে ঠি� তা� পর� আমরা চল� যা� পাখি বিষয়ক গল্পে। পুনরায� আবার ফিরে আস� কিছু বিচ্ছিন্� কথোপকথনে� এই গল্পটা নিয়� আমার মত� সম্পূর্ন একটা আলোচনা কর� যায়� বইয়ের অন্যতম এব� পলিশ� একটা স্টোরি� এই গল্পটায় সে� স্ট্রেঞ্� অক্সিমোরনে� জায়গা থেকে দেখা� � ভাবা� অনেক জায়গা আছে।

আপাতদৃষ্টিতে কয়েকট� গল্পের সমাহার মন� হলেও গল্পগুলো আর আলাদ� থাকে না� এখান� গল্পের থেকে একটা লাইন তুলে দেয়াট� জরুরী বো� কর� আলোচনা� সুবিধার্থে :-

"চারদিক� যে� মানু� নয�, মানুষে� ছায়ার� বসবা� করে।"

গল্প পড়ত� পড়ত� মাথায় ঘুরপাক করতেছি� "ছায়�" বিষয়ক ভাবনাটা। আদতে যে কো� লেখক তো যে কো� চরিত্রের আদলে সে� "ছায়�" নিয়েই খেলা করে। আমরা গল্পের যে চরিত্র দেখি - তা অনেকটা আমাদের চেনা বা স্বল্প চেনা অথবা অচেন� কারও ছায়ার� বিচরন।

পাখি বিষয়ক বর্ণনায় এস� আবার সে� অক্সিমোরনে� জায়গাটা আর� জেঁক� বস� যখ� লেখক ৪ট� পাখি� কথ� বল� সেটাকে নিছক "পাখিগুলো" অথবা "পাখিরা" না বল� "চারজ�" বল� ফেলে� সচেত� ভাবে নাকি মিসটেক? এই খানে এস� তখ� "কালো পাখি"টাকে "নিজে" বল� ট্যা� কর� - ঠি� তখ� প্লাটফর্মে� কনভারশেসনর� চরিত্রগুলো (লাশট� সহ) যদ� মিলাতে যা� - তা� সংখ্যা� ৪। আদতে পুরো প্রগেসটা� লিঙ্কড�

এভাব� যে কানেকশনট� তৈরী হচ্ছ� সেটা রূপকমাত্� এব� এক� সাথে সে� "ছায়াসর্বস্ব"� পাখিগুলো� জন্মের মত� গল্পের কথকে� ছায়াগুলোও তৈরী হচ্ছে। প্লাটফর্মে কথোপকথনর� ছেলেটি অথবা বৃদ্ধট� তখ� আর আলাদ� এনটিটি থাকে না� স্বাভাবি� থাকে না� কথকে� সাথে ছেলেটি� বা বৃদ্ধে� কথাবার্ত� স্বাভাবিকভাব� নেয়� যেত। কিন্তু গল্পের কথকে� মনের ভাবনার যে প্রশ্নগুলো উদয় হয�, ছেলেটি বা বৃদ্� লোকট� যখ� সে� প্রশ্নের উত্ত� দেয় বা সে� ভাবনার মধ্য� এগ্জিস্ট কর� - তখ� আর সেটাকে স্বাভাবিকভাব� নেবা� ওয়ে থাকে না�

মুভি রেফারেন্� টানল� "ফাইট ক্লা�" অথবা " রেয়ার উইন্ডো" এর মাল্টি-পারসনালিটি� আদলে ভাবা যায় বৈকি� ষ্ট্যাইলিস্টিক ডিভাইসের "এ্যলিগরি"� ব্যবহা� অথবা তা� মতোই� লয়মন্তর প্লাটফর্মে� বিভক্ত ছায়াগুলোর মিনিংলেস ক্রাইসিসটা আবার যে� মিনিংফুল কনক্লুশন হয়ে ওঠ� - যখ� ছায়ার� তা� মূ�-রুটে ঢুকে পড়ে� যেমন "মানু� চিরকাল শুধু নিজে� কাছে� ফিরত� চেয়েছে।"

সা�.

"একপা� সম্রাট" ব্যাচেলর জীবনের মেসবাড়ি� (ফ্ল্যাটবাড়ি� ছয়তলা) একদিনে� (এব� নিত্যদিনের) যাপি� জীবনের জেরক্স� ব্যাচেলর লাইফের খুনসুটিগুলোক� শেইপ-আপ করার যে ন্যারেটি�, তা দারুনভাব� আগাচ্ছিল� পড়তেও বে� লাগছিল� গল্পের চরিত্রগুলো� না�-ভূমিকায় "যা� বউ ব্রাউন-পেপা� মুখে....." / "যা� বউ গ্রা� থেকে খিচুড়� ....." কন্ট্রিবিউশনগুলো স্টং হয়ে উঠতে উঠেত� গল্পটা হু� কর� যে� মু� থুবড়ে পড়লো।

অলৌকিক ঘরনা� গল্প "শ্যাটাপে� অসুখ"� স্বল্পতায় অল্প ক্লাইমেক্স� গল্পটা আগ্রহে� যে দিগন্ত বিস্তৃ� কর�, পাঠককে সেখানে একটা জিজ্ঞাসাচিহ্নে� সামন� রেখে গল্প শে� করলে� লেখক� গল্প� উদ্ধৃত অংশগুল� থেকে বুঝত� চেয়েছিল� সেখানে কো� উত্ত� আছ� কিনা� সেভাবে কিছু পেলা� না� যদিও "ভবিষ্যতে� ধা� শুকাবা�" মত� কর� হয়ত� কাজী� মাজারও রো� পোহাবে সামন� - অনুমেয� সম্ভাবনা - জরুরী কিছু না�

"ডায়নোসরের পি�" পাহাড়� এলাকার গল্প� প্রাকৃতি� বর্ণনা� ভালোলাগাটুকু ছাড়� গল্প মোটামুটি লেগেছে�

"ব্যাবিলনের দ্বিতীয় বাগা�" বে� ইন্টারেস্টিং গল্প� নঈ� ডাক্তারে� বাসা খুঁজ� ফেরা� রহসম্যময়তার ছাঁচ� ফেলা ন্যারেটিভে রিপনদে� বাসাটা হু� কর� যে� আরটিসটিক ইনসার্শন হয়ে উঠলো� লেখকের নগরপিত� কর্তৃক (নাকি নিজে� ডিপল� রুটে� টো�?) "কিউরেট�" হবার ঘটনাটা আরটিসটিক ইনসার্শন না স্বপ্রণোদি� হয়ে উঠবে - সে� কৌতুহলময�-প্রশ্নটা ডি� করার একটা স্পে� রেখে যায় গল্পটা�

"হাসপাতাল�" গল্পটায় যখ� মিজানে� (এব� মানুষে�) চিরায়� আক্ষেপটুকু আঁকা হল� - "একটা বিশা� পৃথিবী� বাসিন্দা হত� পারলাম না" - তখ� গল্পের এই জায়গা থেকে আমার মাথায় অন্য একটা ভাবন� ঘুরতেছিল� যাদে� পৃথিবী বিশা�, তাদে� পৃথিবী কি বেশি আলোকিত? একটা বড� জায়গা আলোকিত করতে� তো বড� রকমে� এক্সটার্না�-এনার্জ� নী� হয়। যাদে� পৃথিবী ছো�, সেখানে অল্প আলোতেও তো হয়ে থাকা� কথ� ঝলমলে। আক্ষেপ নামক সুইচটাকে অন আর অফ করেই কি ঝলমলের বদলে আমরা টলমল� কর� রাখি? প্রসাঙ্গতর� না যা�, প্রসঙ্গে থাকি� "হাসপাতাল�" গল্পটা� দারু� সুন্দর, বইয়ের অন্যতম ভালো গল্প�

ডিভোর্সড মিজানে� জগ� � মনোজগতের গল্প� একাকিত্বকে ডি� করার একধরনে� মধ্যমপন্থী (কখনও নির্লিপ্�, কখনও সেমি-আক্রমানত্ম�) অবস্থা� মধ্য� দিয়� মিজা� কি একধরনে� চ্যালেঞ্� ছুড়� দেয় নিজে� প্রত�? নাকি তা� পিতা� শে� নির্দেশটুক� মিজানে� অবচেতন মনের� প্রতিফলন? রেলি� এর ওপাশ� কি পৃথিবী বড� হয�? সেটিসফাই� না আন-সেটিসফাই� হয়ে থাকে সে� বড� হওয়�?

গল্পের শেষট� মগজে কিছু প্রশ্ন রেখে যায় বা নিজে� তৈরী করে। বইয়ের অন্যতম সুন্দর গল্প "হাসপাতাল�"�
"একটি শহুর� এওয়াজের ঘটনা" গল্পের আত্ম/হত্য�-প্রবণত� বোধহয় সুনিশ্চি� ছিল। ব্যা� আর তৈয়� তো একধরনে� "চেতনার" পরিচায়ক� কনভারসেশনে� মধ্য� দিয়� যে ক্রাইসিস এনক্যাপসুলেট হয়ে যায় - ঠি� সে� মুহূর্তে আমাদের ক্রাইসিসগুলোকে ডি� করতে "ব্যা�" � "তৈয়�" ক্যাপসুল - যে কো� একটাকে বেছে নেবা� পথ� হচ্ছ� মুক্তি� ঝুলে থাকা তো ক্রাইসসটাক� আর� ঘন কর� তোলা�

জীবনানন্� দাশে� "বোলো নাকো কথ� ওই যুবকের সাথে" অনুরোধ অমান্য কর� জুয়েলরা মাঝে মাঝে তা� যুবকের সাথে কথ� বলে। তব� - অধিকাংশই ট্রেনে ওঠ� না� জুয়েল উঠেছ� এব� ট্রেনে� গন্তব্যে� সাথে সাথে জুয়েলের গন্তব্যও গল্পটাকে দারু� একটা ছো� গল্পের প্ল্যাটফর্মে পৌছে দেয়�

"আন্ডারউড মাস্টা� ১৯৪০" � ইন্টারেস্টিং একটি গল্প� হারিয়� যাওয়া এক টাইপরাইটারের খোঁজ এব� সেটাকে কেন্দ্� কর� মুক্তিযুদ্ধকালী� গণহত্যার একটা হালক� চিত্রও তুলে ধর� হয়েছি� মূলত লেখকের অনুসন্ধানে টাইপরাইটারটি কে� বারবার চুরি হয়ে যা্চ্ছ� সে� কনক্লুসন� দেখানো হয়েছে সাবলী� ভাবে�

এই গল্পটা পড়া� সময় লেখক যখ� টাইপরাইটারের খোঁজ� নিদাঘে যা�, ভয� হচ্ছিল শেষে না আলাদিনের চেরাগে� ন্যায় টাইপরাইটারটি লেখকের হাতে লেগে যায়� এনামুল হকের লেখা� পরিমিত� বোধট� এখানেই সফ� এব� পূর্বই বলেছ� একবা� যে, অতিমানবীয় এটমোস্ফিয়ার ক্রিয়েট কর� থেকে তিনি বিরত থাকেন। একজন লেখক যখ� জানে� "কোথায় থামত� হব� এব� কতটা টানত� হব�" - এর থেকে ভালো ব্যাপা� আর হয� না�

আট.

এনামুল রেজা� "হন্ত্র�" চন্দ্রবিন্দু থেকে প্রকাশিত ১৫ টি ছোটগল্পে� সংকলন। প্রচ্ছ� শিল্পী লেখক নিজেই। দারু� প্রচ্ছদ।
১৫ টি গল্পের মধ্য� "মর্মরসম্ভব" এব� "ডায়নোসরের পিঠে" আহামরি কিছু লাগেনি� বাকি ১৩টি গল্প� পাঠককে অনাবিল আনন্� দিবে� এনামুল রেজা� সৃজনশীলতার বহ্নিবী� ঔপন্যাসিকে� পরিধ� ছাড়িয়ে গল্পকা� হিসাবে� উষ্ণতা ছড়াচ্ছে� আড়ম্বরত� নে�; বর� সাবলী� এব� চটকদার টুইষ্টের বিপরীতে বাস্তবতা� নিজস্ব প্রকরণ� তৈরী কর� নিয়েছেন তা� গল্প�
লেখায় বাস্তবতা� বাইরের অংশটুক� নিজে� মত� কর� ডি� কর� নিতে পারল�, দেখত� পারল� গল্পগুলো নিজে� বল� মন� হবে। জীবন, যাপন এব� জীবনের ভেতরের জীবনের সাথে সাথে অলিত�-গলিত� ছড়িয়� থাকা মানুষে� অতী�, বর্তমা� গল্পের শব্দ� সুষমবন্ট� হয়ে থাকে�

"হন্ত্র�", "হাসপাতাল�", "লয়মন্তর", "একটি শহুর� এওয়াজের ঘটনা", "শীতে� অপেক্ষ� করছি না" -সবচেয়� ভালোলাগা� গল্প আমার কাছে�

হন্ত্রকদের আগ্রাসনে "হন্ত্র�" গল্পের রচনাকা� বোধহয় আত্ন�/ত্যা করেছে। শুধুমাত্� এই গল্পটি� রচনাকা� নেই।

গল্পসংকলনে� আলোচনা লেখা এক� তো কঠিন লাগে� তা� উপ� লেখা যে বড� হব� আগেই সেটা অনুমেয়। সে� কারন� আলসেমি� পেয়� বসে। আর এত বড� লেখা দেখে পড়ত� ইচ্ছুক যারা তারা যে কো� সময় কানা নেজামর� ভূমিকায় অবতীর্� হওয়ার সম্ভাবনাটা� নাকচ কর� যায় না�

]]>
UserFollowing317373694 Tue, 31 Dec 2024 00:28:29 -0800 <![CDATA[Farjana Rahman is now following Shotabdi]]> /user/show/56424418-shotabdi Farjana Rahman is now following Shotabdi ]]> Review7044484102 Sat, 30 Nov 2024 00:37:52 -0800 <![CDATA[Farjana added 'ফার্স্� পার্সন']]> /review/show/7044484102 ফার্স্ট পার্সন by Rituparno Ghosh Farjana gave 5 stars to ফার্স্� পার্সন (Hardcover) by Rituparno Ghosh
বই: ফাস্� পার্সন - �
লেখক: ঋতুপর্� ঘো�
সম্পাদনা: নীলা বন্দ্যোপাধ্যায�
প্রকাশনী: দে'� পাবলিশিং (ভারত)
মূল্�: ৮০� রূপী (১ম � ২য� খন্ড একত্রে)

যাপন, স্মৃতি-বিস্মৃতি এব� সাইলেন্ট আটপৌরে বেঁচ� থাকায় রবিবারগুলো বোধহয় কিছুটা কষ্টমাখা�

সপ্তাহের প্রথ� কি দ্বিতীয় দি� কিছুটা বিরক্ত� স্কু� খোলা নিয়ে। জব লাইফের প্রথ� রবিবারটা� পুঙ্খানুপুঙ্� নির্নিমে� ফোকা� রেখেছে বৃহস্পতিবারে� দিকে�

ঋতুপর্� ঘোষে� "ফাস্� পার্সন" কি সে� কারনেই বিষাদে� একটা ক্যালেইডোস্কোপ হয়ে উঠ� আস� "রোববার" প্রত্রিকার পাতায়? ঋতুপর্� ঘোষে� কল� স্পষ্ট স্বর� কিন্তু তীব্� অভিঘাত নিয়� ঋদ্ধ কর� চল� এক জীবন� ছড়িয়� থাকা বিভিন্� গল্প � কথ� সমূহের দু� পাড়� মাঝে� বহমা� স্রোতে পাঠকের অনাবিল সাঁতার কাটা�

আত্ন-অনুসন্ধানী দৃষ্টি, নিজস্ব নির্জন ভঙ্গিমার খুশব� এব� সূক্ষ্� অনুভূতির মিশে� ঋতুপর্� ঘোষে� আত্মকথ� "ফাস্� পার্সন"� ২০০৬ এর ২৪শে ডিসেম্বর থেকে ২০১৩ এর ২র� জু�, প্রত� রবিবার সংবা� প্রতিদিনের রোববার প্রতিকায� ফার্স্� পার্সন প্রকাশিত হয়। এই আত্নকথ� ঠি� ভোবে� বই আকার� ছাপা� কথ� থাকলেও, ঋতুপর্� ঘোষে� আগ্রহে সম্পাদ� নীলা বন্ধ্যোপাধ্যায� বিষয়ভিত্তিক ভাবে দু� খন্ড� ১২টি অধ্যায়ে ভা� কর� নিয়েছেন� প্রত� খন্ড� � টি কর� ভাগ।

প্রথ� খন্ডের ১ম অধ্যায� "এলোমেল� দে�-কা�"-� সিঙ্গু� নন্দী গ্রামে ঘট� যাওয়া ভয়াবহতা, রাজনীতি, ধর্ম, আর� সামাজি� অনেক কথাই উঠ� এসেছে। আত্ন-অনুসন্ধানী দৃষ্টি� তীক্ষ্ণত� এব� তা� শৈল্পি� প্রকাশ পাঠকের চোখে� অতিলৌকিকতায় মিলিয়� গেঁথ� যাবে মনের কোমল অংশে� অন্যান্য অধ্যায়ে শুধু সামাজি� দিকগুলোত� আবদ্� না থেকে লেখকের সিনো� কথ�, ব্যক্তিগ� অনুভুত� � গল্প, বাবা� কথ� এব� অনেকটা অং� জুড়� মায়ের কথ� উঠ� এসেছে।
বল� গিয়েছেন অকপটভাবে নিজে� যৌনত� � লিঙ্� পরিচয়ের কথা। ঋতুপর্ণে� বয়ন�:

"এই 'ফার্স্� পার্সন'-এর পাতাটা আমার সত্য� কথ� লেখা� পাতা, আমার জীবনধারণের সমস্� সত্য� বিশ্বাসক� মেলে ধরার পাতা� তা� আজ 'এক�' মানুষদের অভিজ্ঞতা দিয়� একটা সংখ্যা গাঁথতে গিয়� যদ� নিজে� একাকী জীবনের প্রায় স্বতঃসিদ্ধ কারণটাকে� সযত্নে এড়িয়� যা� তা হল� সে তো সত্যগোপন হল� আমার কাছে তা মিথ্যাচারণের� নামান্তর।�

যেটুকু বলার তিনি বলেছেন� বইটা� গল্পের সঙ্গ� ছাপা অক্ষরগুল� যেটুকু দরজা খুলেছে তা� যথেষ্ঠ পাঠকের জন্য� খোলামেলা ভাবে� সে� অভিব্যক্তি� স্বা� আস্বাদনে� নর� আলোয� যে অস্পষ্টত� বাড়� নয়। অন্ধকা� ঘর� সামান্� মোমে� আলোই স্পষ্ট দৃষ্টি� সহায়ক�

শুধু "ফার্স্� পার্সন-�" এর শে� অধ্যায� "এলিজ�" বোধহয় ঋতুপর্ণে� তীব্� অভিঘাত অথবা উজ্জ্ব� বিষাদে� ছায়� ছাপিয়� শুধু মৃ/ত্যু� খবরগুল� দিয়� গেছে� ঋতুপর্ণীয় ভঙ্গিমায়। শে� মানে� হয়ত� বিদায়� শে� মানে� হয়ত� মৃ/ত্যু� তবুও
"এলিজ�" অধ্যায়ে যে� পুরো লেখা� ঋতুপর্ণীয় ম্যানারিজম কিছুটা অস্পস্� থেকে গেছে�

এট� ছাড়� ঋতুপর্ণে� লেখা নিয়� আদিখ্যেতার চূড়ান্ত প্রকাশ বাড়াবাড়ি রকমে� বল� মন� হব� না� বর�, বহুবার ফার্স্� পার্সনের অলিগলি ঘুরে আস� যায়� ঘুরে আস� লাগবে। ব্যক্তিগ� অনুভূতিগুল� যখ� মন� মাঝে জট পাকিয়� থাকে, হাজা� শব্দেও তা� সঠিক প্রকাশের ব্যর্থতায় নিজস্ব কাঠগড়ায� দাঁড়াতে হয�- ঋতুপর্� ঘো� ঠি� তখনি দেখিয়� দে� - সঠিক শব্দ আর ক্রম� অল্প কথায� কিভাবে তা� যথোচিত রক্ষণাবেক্ষণ হয়ে ওঠে।

মায়ের মৃ/ত্� প্রসঙ্গে যেমন লিখে গেছে� কি অমোঘ সত্য:

"মা চল� গিয়� দুটো জিনি� শিখিয়� দিয়� গেল।
মা'রা আসলে অমর।
আর, মা ছাড়� বাবারা বড্ড অসহায়�"

নিজে� জীবনের চিন্তা � পরিকল্পনার সাথে সাথে অন্যের ভাবনায� সঁপে দিয়� নির্ভাবনায� স্নানে� যে বেদি খুজে ফিরে মন, নিঃশর্� সমর্পণ� নিজেকে কেটে একজন গ্রহীতা হয়ে তৃপ্তি� ঢেঁকুর তোলা� নিঃশর্� সমর্পণ যদ� বল� ঋতুপর্� ঘোষে� শব্দ - হো� সেটা আদিখেত্যের চূড়ান্ত - নিজেকে ঠকান� হব� না�

ঋতুপর্� ঘোষে� কাছে কৃতজ্ঞতা স্বীকা� এক অর্বাচী� পাঠকের তর� থেকে ক্ষুদ্� অর্ঘ্য হয়ে� থাক।
]]>
Review7035730647 Tue, 26 Nov 2024 10:13:07 -0800 <![CDATA[Farjana added 'চল� যায় বসন্তে� দি�']]> /review/show/7035730647 চলে যায় বসন্তের দিন by Humayun Ahmed Farjana gave 4 stars to চল� যায় বসন্তে� দি� (হিমু, #11) by Humayun Ahmed
]]>
Review7035723025 Tue, 26 Nov 2024 10:09:39 -0800 <![CDATA[Farjana added 'ওঙ্কার']]> /review/show/7035723025 ওঙ্কার by Ahmed Sofa Farjana gave 4 stars to ওঙ্কার (Hardcover) by Ahmed Sofa
]]>
Review7035719668 Tue, 26 Nov 2024 10:08:11 -0800 <![CDATA[Farjana added 'সে আস� ধীরে']]> /review/show/7035719668 সে আসে ধীরে by Humayun Ahmed Farjana gave 4 stars to সে আস� ধীরে (হিমু, #12) by Humayun Ahmed
]]>
Review7035377785 Tue, 26 Nov 2024 07:25:39 -0800 <![CDATA[Farjana added 'ফিহা সমীকর�']]> /review/show/7035377785 ফিহা সমীকরণ by Humayun Ahmed Farjana gave 4 stars to ফিহা সমীকর� (Hardcover) by Humayun Ahmed
]]>