সারস্ব� 's Reviews > হাজা� চুরাশি� মা
হাজা� চুরাশি� মা
by
by

সত্তরে� দশকে বিপ্লবী চারু মজুমদারে� ইশতেহারে� ডাকে সারা দিয়� নকশালবাড়ি আন্দোলনে যো� দিয়েছিল� অসংখ্য� তরুণ� সাম্যবাদের আলোর খোঁজ� রাতে� অন্ধকা� গহবর� সে� সময় কয়ে� হাজা� তরুন ক্ষত-বিক্ষত হয়ে জম� পর� কাঁট� পুকুরে� লাশঘরে� সে� খব� ভারতবর্ষের তথাকথি� সচেত� এব� সুশী� সমাজকে ব্যথিত কর� না, উন্মক্� মঞ্চ� ঘামসিক্ত ভাষণের খোরা� যোগা� না� শুধু কিছু রক্তস্না� হৃদয� সে� লাশে� ভা� বয়ে চলে। আজীবন� আর সে� তরুণ সমাজের একজন সদস্� ব্রতী� আর এই গল্প মা সুজাতা মৃত্যু� পর ব্রতী� অনস্তিত্বক� প্রত� মূহুর্� দাবিয়� রাখা� নিরল� সংগ্রামে� গল্প�
নামকরণের স্বার্থকতা�
নকশা� আন্দোলনে� সময় কলকাতা� ষো� থেকে চব্বিশ বছ� বয়সের তরুণদে� গৃহবন্দীত্� ছি� অলিখিত নিয়ম। এক পাড়� থেকে অন্য পাড়� অকারণে যাওয়া ছিলো নিষিদ্ধ। আর কমিউনিজমের আদর্শক� বুকে ধারণ কর� ছিলো পা�, সে পাপে� কখনো কো� ক্ষম� হয়নি। একটা� শাস্তি দেয়� হয়েছে � মৃত্যু� আর মৃত্যু বুকে জড়িয়� সে� সাম্যবাদের মাতা� নেশায় সিক্� লাশগুলোর জায়গা হত� কলকাতা� কাঁট� পুকুরে� লা� ঘরে। যেখা� তাঁদের নতুন একটা না� দেয়� হতো। একটা নাম্বার। কাগজ� লেখা যে নাম্বা� হাতে নিয়� দাঁড়ালে জীবনের সবথেকে প্রিয় মানুষটার থেতলান� কিংব� রক্ত� চুবানো মুখখান� দেখা যে�, হয়ত� ছোয়াও যেত। ব্রতী� একটা নাম্বা� পেয়েছিলো। হাজা� চুরাশি� আর যে মানু� টা� সমগ্� সত্ত্বাজুড়ে শুধু ব্রতী ছিলো সে� মানুষট� ব্রতী� মা সুজাতা পরিচিয়ও সেদি� � লা� কাঁট� ঘর� বদলে যায়� তিনি হন বিপ্লবী ব্রতী� মা, হাজা� চুরাশি� মা�
বিশ্লেষণ�
যে সমাজ� বহুগামিতাক� বল� হয� পুরুষত্ব, অহংকারকে ধর� হয� আভিজাত্য, অশ্লীলত� মানা হয� আধুনিকতা সে� সমাজ� ব্রতী খু� বেমানান। কারণ সে উপ� তলার মানু� হয়ে� অসহায় বেকারে� তৃষ্ণার্� দৃষ্টিতে, দরিদ্য মায়ের ছেড়� আচলে� তালি লাগানো কাপড়ে� টুকরোত�, নিগৃহী� নারী� খুঁচিয়ে রক্তাক্ত কর� আত্নায� মুক্তি� স্তম্ভ নির্মাণে� স্বপ্ন দেখে� ব্রতী ছোটবেল� থেকে খু� পরিবারের নষ্ট ছেলে� সে বাবা� মত একাধিক নারী� দে� ভো� করতে শেখে না, ভাইয়ে� মত উসশৃংখ� স্ত্রী� বশ্যতাকে পবিত্র জ্ঞা� করার স্বার্থকতা ভেবে খুঁজ� পায় না কিংব� বোনদের মত নোংর� মাংস� পরিখায� গা ভাসিয়� আধুকিত� সংজ্ঞা খুজত� যায় না� সে শুধু তাঁর মাকে জানে� জন্ম থেকে যে নারীকে পরিবারের মানু্ষ� মর্যাদ� পেতে দেখেনি, যে� ছায়ামাত্র� অন্যের ইচ্ছের পায়ের নিচে এক প্রতিবিম্ব� তবুও সে ব্রতী� কাছে দেবী� কতগুলো অমানুষের ভিড়� বড� হয়ে� মা নামে� এই নৈঃব্দ� দেবীকে দেখে� সে হয়ত� বুকে� দাবানল� পুড়� হয়েছে খাঁট� সোনা� অন্ধকা� ঘরের চাবিটা দিয়� একটু আল� ছড়াতে চেয়েছিলো। কিন্তু ব্রতী পারেনি� গলার তিনট� বুলে� ব্রতীকে সে� অন্ধকারে� ঘরেই নিঃশেষ কর� দিয়েছে। কিন্তু সে� নিঃশেষ� পোড়� ছা� থেকে মা সুজাতা� শিরায় শিরায় আগুনের শিখা চিৎকার করে। সুজাতা� বুকে� ভেতর জ্বলতে থাকা সুজাতা� সে� আগুনের খোঁজ পেতে বইটি অবশ্যই পড়ত� হবে।
জানত� হব� ব্রতী কে??
ব্যক্তিগ� মতামতঃ
হাজা� চুরাশি� মা, বইটি পড়ে পাঠক অভিযোগ করতে� পারে� যে বইটিতে বাংলাদেশ� স্বাধীনত� সংগ্রামক� হেয় কর� হয়েছে� মো� দুটি জায়গা� কলকাতা� মানুষদের বাংলাদেশ� মানুষদের অসহায়ত্� প্রত� সহমর্মিতাক� বিদ্রু� কর� হয়েছে� কিন্তু পাঠকদে� একপেশে দৃষ্টিভঙ্গ� থেকে একটু সর� এস� বইটি� আর একটু ভেতর প্রবেশ করতে হবে। মাক্সীয় ধারা� সাহিত্যি� মহেশ্বেত� দেবী বইটিতে কমুউনিজমের পক্ষ� কিছু সত্য তুলে ধর� হয়েছে� অপরদিক� বাংলাদেশের স্বাধীনত� আন্দোল� আবর্তি� হচ্ছিল� গনতন্ত্রকে কে ন্দ্� করে। যা নকশা� বাড়� আন্দোল� বা কমুউনিজমের উল্ট� পিঠ। মধ্যপন্থ� বা গনতন্ত্র বাংলাদেশের সমস্যা� সমাধান করবে না, এদেশের মানুষে� নিপীড়� বন্ধ হব� না শুধু শাসক বদলাবে, আদর্শগ� কারণ� তৎকালী� কলকাতা� বিপ্লবী তরুণদে� এই চিন্তাধা� থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনত� সংগ্রা� সমর্থন না করাটাই স্বাভাবিক। বাংলাদেশের স্বাধীনত� যুদ্ধে যদ� সাম্যবাদের প্রতিশ্রুত� থাকত তখ� এই বিপ্লবীরা� হয়ত� ঢাকা� রাজপথে রক্ত ঢেলে দিতে কুন্ঠা বো� করতো না� ভুলে গেলে চলবে না মধ্যপন্থ� এব� সাম্যবাদ দু� সমান্তরা� রেখায় চলে। এর� পুরোপুরি কখনো এক বিন্দুতে মিলি� হত� পারে না�
নামকরণের স্বার্থকতা�
নকশা� আন্দোলনে� সময় কলকাতা� ষো� থেকে চব্বিশ বছ� বয়সের তরুণদে� গৃহবন্দীত্� ছি� অলিখিত নিয়ম। এক পাড়� থেকে অন্য পাড়� অকারণে যাওয়া ছিলো নিষিদ্ধ। আর কমিউনিজমের আদর্শক� বুকে ধারণ কর� ছিলো পা�, সে পাপে� কখনো কো� ক্ষম� হয়নি। একটা� শাস্তি দেয়� হয়েছে � মৃত্যু� আর মৃত্যু বুকে জড়িয়� সে� সাম্যবাদের মাতা� নেশায় সিক্� লাশগুলোর জায়গা হত� কলকাতা� কাঁট� পুকুরে� লা� ঘরে। যেখা� তাঁদের নতুন একটা না� দেয়� হতো। একটা নাম্বার। কাগজ� লেখা যে নাম্বা� হাতে নিয়� দাঁড়ালে জীবনের সবথেকে প্রিয় মানুষটার থেতলান� কিংব� রক্ত� চুবানো মুখখান� দেখা যে�, হয়ত� ছোয়াও যেত। ব্রতী� একটা নাম্বা� পেয়েছিলো। হাজা� চুরাশি� আর যে মানু� টা� সমগ্� সত্ত্বাজুড়ে শুধু ব্রতী ছিলো সে� মানুষট� ব্রতী� মা সুজাতা পরিচিয়ও সেদি� � লা� কাঁট� ঘর� বদলে যায়� তিনি হন বিপ্লবী ব্রতী� মা, হাজা� চুরাশি� মা�
বিশ্লেষণ�
যে সমাজ� বহুগামিতাক� বল� হয� পুরুষত্ব, অহংকারকে ধর� হয� আভিজাত্য, অশ্লীলত� মানা হয� আধুনিকতা সে� সমাজ� ব্রতী খু� বেমানান। কারণ সে উপ� তলার মানু� হয়ে� অসহায় বেকারে� তৃষ্ণার্� দৃষ্টিতে, দরিদ্য মায়ের ছেড়� আচলে� তালি লাগানো কাপড়ে� টুকরোত�, নিগৃহী� নারী� খুঁচিয়ে রক্তাক্ত কর� আত্নায� মুক্তি� স্তম্ভ নির্মাণে� স্বপ্ন দেখে� ব্রতী ছোটবেল� থেকে খু� পরিবারের নষ্ট ছেলে� সে বাবা� মত একাধিক নারী� দে� ভো� করতে শেখে না, ভাইয়ে� মত উসশৃংখ� স্ত্রী� বশ্যতাকে পবিত্র জ্ঞা� করার স্বার্থকতা ভেবে খুঁজ� পায় না কিংব� বোনদের মত নোংর� মাংস� পরিখায� গা ভাসিয়� আধুকিত� সংজ্ঞা খুজত� যায় না� সে শুধু তাঁর মাকে জানে� জন্ম থেকে যে নারীকে পরিবারের মানু্ষ� মর্যাদ� পেতে দেখেনি, যে� ছায়ামাত্র� অন্যের ইচ্ছের পায়ের নিচে এক প্রতিবিম্ব� তবুও সে ব্রতী� কাছে দেবী� কতগুলো অমানুষের ভিড়� বড� হয়ে� মা নামে� এই নৈঃব্দ� দেবীকে দেখে� সে হয়ত� বুকে� দাবানল� পুড়� হয়েছে খাঁট� সোনা� অন্ধকা� ঘরের চাবিটা দিয়� একটু আল� ছড়াতে চেয়েছিলো। কিন্তু ব্রতী পারেনি� গলার তিনট� বুলে� ব্রতীকে সে� অন্ধকারে� ঘরেই নিঃশেষ কর� দিয়েছে। কিন্তু সে� নিঃশেষ� পোড়� ছা� থেকে মা সুজাতা� শিরায় শিরায় আগুনের শিখা চিৎকার করে। সুজাতা� বুকে� ভেতর জ্বলতে থাকা সুজাতা� সে� আগুনের খোঁজ পেতে বইটি অবশ্যই পড়ত� হবে।
জানত� হব� ব্রতী কে??
ব্যক্তিগ� মতামতঃ
হাজা� চুরাশি� মা, বইটি পড়ে পাঠক অভিযোগ করতে� পারে� যে বইটিতে বাংলাদেশ� স্বাধীনত� সংগ্রামক� হেয় কর� হয়েছে� মো� দুটি জায়গা� কলকাতা� মানুষদের বাংলাদেশ� মানুষদের অসহায়ত্� প্রত� সহমর্মিতাক� বিদ্রু� কর� হয়েছে� কিন্তু পাঠকদে� একপেশে দৃষ্টিভঙ্গ� থেকে একটু সর� এস� বইটি� আর একটু ভেতর প্রবেশ করতে হবে। মাক্সীয় ধারা� সাহিত্যি� মহেশ্বেত� দেবী বইটিতে কমুউনিজমের পক্ষ� কিছু সত্য তুলে ধর� হয়েছে� অপরদিক� বাংলাদেশের স্বাধীনত� আন্দোল� আবর্তি� হচ্ছিল� গনতন্ত্রকে কে ন্দ্� করে। যা নকশা� বাড়� আন্দোল� বা কমুউনিজমের উল্ট� পিঠ। মধ্যপন্থ� বা গনতন্ত্র বাংলাদেশের সমস্যা� সমাধান করবে না, এদেশের মানুষে� নিপীড়� বন্ধ হব� না শুধু শাসক বদলাবে, আদর্শগ� কারণ� তৎকালী� কলকাতা� বিপ্লবী তরুণদে� এই চিন্তাধা� থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনত� সংগ্রা� সমর্থন না করাটাই স্বাভাবিক। বাংলাদেশের স্বাধীনত� যুদ্ধে যদ� সাম্যবাদের প্রতিশ্রুত� থাকত তখ� এই বিপ্লবীরা� হয়ত� ঢাকা� রাজপথে রক্ত ঢেলে দিতে কুন্ঠা বো� করতো না� ভুলে গেলে চলবে না মধ্যপন্থ� এব� সাম্যবাদ দু� সমান্তরা� রেখায় চলে। এর� পুরোপুরি কখনো এক বিন্দুতে মিলি� হত� পারে না�
Sign into ŷ to see if any of your friends have read
হাজা� চুরাশি� মা.
Sign In »